কে এই মেজর সিনহা?

তৌহিদুজ্জামান তন্ময়
১৩ আগস্ট ২০২০, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৯:১৭ আপডেট: ০৪:৩৭

কে এই মেজর সিনহা?
মা ও পরিবারের নতুন প্রজন্মের সঙ্গে সিনহা

সিনহা মো. রাশেদ খান। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন মেজো। ১৯৮৪ সালে কর্ণফুলীর চন্দ্রঘোনায় জন্ম তার। পরিবারের সবাই ডাকতো আদনান নামে। মায়ের আদরের বাবু। কুর্মিটোলার বিএএফ শাহীন কলেজ থেকে এসএসসি এবং রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন সিনহা। তিন ভাইবোনের মধ্যে বড় বোন শারমিন শাহরিয়া একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। আর ছোট বোন থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। অল্পবয়স থেকেই সিনহার ছিল অ্যাডভেঞ্চারের নেশা। তিনি চেষ্টা করতেন প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থাকতে। তাই ভ্রমণ হয়ে উঠেছিল তার নেশার বিষয়। শিক্ষাজীবনে কৃতিত্ব দেখানো সিনহা সেনা কর্মকর্তা হিসেবে দেশসেবার ব্রত নিয়ে শুরু করেছিলেন কর্মজীবন। প্রায় দেড় যুগ চাকরি করেছেন।

পেশাগত সততা তাকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) একজন সদস্য করে তুলেছিল- যে স্কোয়াড বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে। 

গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন এই সময়ে। সেনাজীবনে বড় কোনো অর্জনের আরও চাওয়া হয়তো ছিল না। তাই জীবন নিয়ে ভিন্ন চিন্তা শুরু করেছিলেন। ভ্রমণ আর নতুন কিছু করার চিন্তায় চাকরি থেকে অবসর নিয়েছিলেন। শুরু করেছিলেন নিজের মতো পথচলা। কিন্তু নির্মম এক হত্যাকাণ্ড সিনহার এ পথ চলা চিরতরে থামিয়ে দিয়েছে। পরিবারের সবার প্রিয় আদনানের স্মৃতি এখন স্বজনদের মুখে ও মনে লেপ্টে আছে। বন্ধু ও প্রিয়জনরাও করছেন তার স্মৃতিচারণ।

মুক্তিযোদ্ধা পিতার সন্তান সিনহা রাশেদ খান ২০১৮ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সেই মেজর হিসেবে সেনাবাহিনী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে যান। অবসরের জন্য ৩৪ কোনও বয়স নয়। সিনহা আসলে অবসর নয়, শুরু করতে চাচ্ছিলেন জীবনের নতুন এক অধ্যায়। তার ইচ্ছা ছিল বিশ্বভ্রমণের। চাকরি ছেড়ে সেই প্রস্তুতিই নিচ্ছিলেন অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় সিনহা। 
 
স্কুলজীবন থেকেই সিনহা ছিলেন বিতার্কিক। স্কুলে অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন বিতর্ক প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে। খেলাধুলা ও বইপড়া দু’টোই ছিল তার প্রিয়। 

সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘আদনান আমাকে ছোট বেলায় দুষ্টুমি করে শ্যাম্পু বলে ডাকতো। মাকে ডাকতো মাওরি বলে। একটি গানও বানিয়েছে মাকে নিয়ে মাওরি কি মাওরি ডিং ডিং। আমাদের পরিবারের সুন্দর একটি পরিচিতি আছে ওয়ান্ডারফুল ফ্যামিলি। আদনান ছিল সেই ওয়ান্ডারফুল ফ্যামিলির ওয়ান্ডার মেম্বার। সে ছিল আমাদের সবার শক্তি এবং উৎসাহের জায়গা। সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করতো। নেতিবাচক চিন্তা, কাজকর্ম এবং হতাশা থেকে দূরে থাকতো।’

তিনি বলেন, ‘যেকোনও ধরনের নেতিবাচকতাই কখনো তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। তার ছিল জ্ঞান আহরণের প্রতি অসীম আকাঙ্ক্ষা। আদনান সব সময়ই আমাদের বলতো তোমরা জ্ঞান আহরণ করো, দেখবে সব ছোট ছোট বিষয়গুলোর ঊর্ধ্বে উঠে যাবে। ও যেখানেই যেত সঙ্গে একটি বই থাকতো। মানুষের প্রতি রাগ, ক্ষোভ, ঘৃণা এসব কিছুই ছিল না তার।’

শারমিন শাহরিয়া বলেন, ‘আদনান প্রায়শই বলতো, ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ ও প্রকৃতিকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতো। প্রকৃতি, পশু-পাখি, ফুল-গুল্ম ছিল তার ভালোবাসার জায়গা। ছিল অত্যন্ত ভ্রমণপ্রেমী। সুযোগ পেলেই ভ্রমণে বেড়িয়ে পড়তো।’

শারমিন বলেন, ‘আদনান আমার ৫ বছরের ছোট। যেকোনো বিষয়ে আমরা ওর পরামর্শই নিতাম। ২০০৭ সালে বাবা মারা যাওয়ার পর ওই জায়গাটা আদনানই নিয়েছিল। ৫১ বিএমএ লং কোর্সে অংশ নিয়ে সেনাবাহিনীতে কমিশন পাওয়া সিনহা ২০১৮ সালে সৈয়দপুর সেনানিবাসে থাকা অবস্থায় স্বেচ্ছায় অবসরে যান।’

‘ও যখন চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিল, তার দুই বছর পর অনুমতি মিলেছিল। তারা আদনানকে ছাড়তে চাচ্ছিল না। মায়ের কাছেও তারা অনুরোধ করেছিল, যেন ছেলেকে তিনি বোঝান। আদনান তাদের বলেছিল, সেনাবাহিনীতে ১৭/১৮ বছর চাকরি করে যেটুকু শেখার সে শিখেছে। এখন নতুন কিছু করার চিন্তা আছে তার’।
 
শাহরিয়া আরও বলেন, ‘বিশ্বভ্রমণ ছিল তার ছোটবেলার স্বপ্ন। সেজন্য ২৫ কেজি ওজনের ব্যাকপ্যাকটাও রেডি করে রেখেছিল। সাইক্লিংয়ের যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে সবকিছু ছিল সেখানে। কথা ছিল, এ বছরই চীন থেকে ওর বিশ্বভ্রমণ শুরু হবে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে তা আর হয়নি’

পরে সেনাবাহিনীতে চাকরি করার সময় যখনই সুযোগ হয়েছে, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘ও ছিল হাসিখুশি। ইচ্ছা ছিল নিজের বিশ্ব ভ্রমণের সব খুঁটিনাটি প্রকাশ করবে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে। এর মধ্যে রাজশাহী গিয়ে চার মাস ছিল। উদ্দেশ্য সেখানে তার এক বন্ধুর মায়ের গড়ে তোলা লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করে নিজেকে বিশ্বভ্রমণের জন্য আরো তৈরি করা।’

কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হয়ে যাওয়ায় তার পরিকল্পনা থমকে যায়। তখন ‘লেটস গো’ নামে একটি ভ্রমণবিষয়ক ডকুমেন্টারি বানানোর পরিকল্পনা করেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। কক্সবাজারের হিমছড়িতে সেই ডকুমেন্টারির কাজই তিনি করছিলেন বলে জানান শারমিন। সর্বত্রই থাকার প্রস্তুতি ছিল তার।

দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়াকালীন সময়ে আদনান আমাদেরকে বলতো, ‘আমি হিমালয়ে যাবো’। এজন্য সে আম্মুর কাছে প্রতিদিন দুই টাকার পান বিক্রি করে টাকা জমাতো। বলতো, ‘এই টাকা দিয়ে আমি হিমালয়ে যাবো’। এতটুকুন বয়স থেকেই তার চিন্তা-ভাবনা-কল্পনা সর্বত্রই ছিল অন্যদের চেয়ে ভিন্ন। সব সময় নিজেকে সেই হিসেবে প্রস্তুত করেছে।

সেনাবাহিনীতে যাওয়ার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল দেশ সেবা। সে মাকে বলতো, মা আমি তোমার নয়, জাতির সন্তান, দেশের সন্তান। শারমিন শাহরিয়া বলেন, এসএসএফ-এ অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে আদনান। রাজশাহীতে ফোর্স ইন্সট্রাক্টর হিসেবে সুনাম এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছে। প্রশিক্ষণের জন্য গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রেও।

আন্তঃবাহিনীর বেয়নেট ফাইটিং, প্রতিযোগিতা এবং শুটিংসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছে। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সিনহার বোন বলেন, আদনান ছিল স্বাধীনচেতা, ন্যায়পরায়ণ, দয়ালু ও মানবিক গুণাবলীর অধিকারী। কঠিন বিষয়কেও নিজগুণে সহজ করে ফেলতো।

শিক্ষক, বন্ধু, আত্মীয়-পরিজন এমনকি মুহূর্তের পরিচিত মানুষকেও আপন করে নেয়ার অসাধারণ গুণ ছিল তার। সকলের ভালোবাসার পাত্র ছিল। পরিবারের প্রতি ছিল তার অগাধ দায়িত্ববোধ। ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করে শাহরিয়া বলেন, কোথাও নিজের আত্মপ্রচার করতো না আদনান। ছিল খুবই বিনয়ী। তার লেখালেখিরও অভ্যাস ছিল। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াকালীন ২৬ মার্চ নিয়ে কবিতা লিখে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল।

সিনহা মো. রাশেদ খানের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে হলেও বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা এরশাদ খানের সরকারি চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জেলায় থাকতে হয়েছে। সবশেষ অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ছিলেন এরশাদ খান। বাবার মৃত্যুর পর মা নাসিমা আক্তারকে নিয়ে থাকতেন সিনহা।

সিনহা কেমন ছিলেন, কেন চাকরি ছেড়েছিলেন, জীবন ও চারপাশ নিয়ে তার ভাবনা কেমন ছিল তার একটি বিশদ বিবরণ তুলে ধরেছেন মা নাসিমা আক্তার।

তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে সাধারণ জনগণ থেকে আরম্ভ করে সবাইকে আপন করে ভাবত, আপন করে দেখত প্রত্যেকটা মানুষকে। তার সঙ্গে গাড়িতে করে অনেক ঘুরেছি কিন্তু দেখতাম সে মেজর পরিচয় দিত না। তার যে ব্যবহার, ব্যবহার দিয়ে সে তার কাজগুলো করতে। আমি তাকে এই শিক্ষাই দিয়েছি, আমার এটা ভালো লাগত।’

সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর ছেলের কাছে কারণ জানতে চেয়েছিলেন জানিয়ে নাসিমা আক্তার বলেন, ‘তার কাছে জানতে চাইলাম যে বাবা তুমি যে চলে আসলে তাহলে প্রতিটা কোর্স এত কষ্ট করে কেন করলে? এখন কত প্রমোশন হত কত কিছু হত। ও আমাকে বলতো- ‘মাম্মি ক্ষমতা কী? সবার আজ আছে তো কাল নেই, মানুষের হৃদয়ের মধ্যে থাকব, মানুষের জন্য কাজ করব’।’

সবাই বিয়ে করে তুমি বিয়ে করো না কেন- মায়ের এমন প্রশ্নে সিনহা বলতো, ‘আরে ওসব ঝামেলায় জড়ায়ে লাভ নেই। আমি ঘুরতে যাব, এখানে যাব সেখানে যাব। পিছুটান থাকলে সব কাজ সঠিকভাবে করা যায় না।’

এদিকে, সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের মা নাসিমা আক্তারকে চিঠি দিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। বৃহস্পতিবার দেয়া চিঠিতে তিনি সিনহার পরিবার প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে বলেন, মেজর সিনহা মো: রাশেদ খান (অবঃ) এর অকাল মৃত্যুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সকল সদস্যদের পক্ষ হতে আমি গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছি।

মেজর সিনহা এর অকাল প্রয়ানে সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত শোকাহত এবং ব্যথিত। সন্তানহারা মাকে সান্ত্বনা প্রদানের উপযুক্ত ভাষা বোধকরি খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। তবুও, এই চরম শোকাবহ মুহূর্তে পরম করুণাময় আল্লাহতায়ালার নিকট প্রার্থনা করি যেন তিনি আপনার ও আপনার পরিবারের সকল সদস্যদেরকে এই শোক কাটিয়ে উঠার শক্তি প্রদান করেন।

মেজর সিনহা একজন প্রতিশ্রুতিশীল, দক্ষ, সৎ, সাহসী এবং কর্তব্যপরায়ণ অফিসার ছিলেন। চাকরি জীবনে সকলের সাথে সুহৃদ আচরণ ও সহযোগিতামূলক মনোভাবের কারণে সকল স্তরের সেনাসদস্যের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল প্রশংসনীয়। ২০১৮ সালে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরী হতে অবসর গ্রহণ করলেও তিনি সেনাপরিবারের একজন গর্বিত সদস্য ছিলেন। একটি অনাকাঙ্কিত ঘটনায় এমন একজন তরুণ তাজা প্রাণ এর মর্মান্তিক মৃত্যুতে সেনাবাহিনী তথা দেশ একজন অমিত সম্ভাবনাময় সন্তানকে হারিয়েছে। এই অপূরণীয় ক্ষতি লাঘবের সাধ্য কারও নেই। আমরা সকলে পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার কাছে মেজর সিনহা এর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, অবসরপ্রাপ্ত হলেও, মেজর সিনহা এর মর্মান্তিক মৃত্যুর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করেছি। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে এবং সহানুভূতির সাথে সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

এরই ফলশ্রুতিতে একটি উচ্চ পর্যায়ের যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং উক্ত কমিটি সরেজমিনে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য অনুসন্ধান ও দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার লক্ষ্যে কাজ করছে। এছাড়াও, এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর সঠিক কারণ অনুসন্ধান ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ হতে প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিবিড় যোগাযোগ হাপন করা হয়েছে।

‘আমি দৃঢভাবে বলতে চাই যে, আপনার সন্তানকে আমরা ফিরিয়ে দিতে পারবনা, তবে তার এই অকাল মৃত্যুর সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে ইনশাআল্লাহ। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা আপনার প্রয়াত সন্তানকে জান্নাতবাসী করুন এবং আপনাকে ও আপনার পরিবারের সকলকে শোক সহ্য করার ধৈর্য ও মনোবল দান করুন- এই প্রার্থনাই করছি’ বলে সেনাপ্রধান চিঠিতে উল্লেখ্য করেন।

গত ৩১ আগস্ট কক্সবাজারের টেকনাফে মেরিন ড্রাইভ এলাকায় পুলিশের গুলিতে মারা যান অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান। এ ঘটনায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ দাসসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে মামলা করেছেন সিনহার বোন। এ মামলায় প্রদীপসহ ৭ পুলিশ সদস্যকে রিমান্ডে নিয়েছে র‌্যাব। দুজন পলাতক আছেন। 

ব্রেকিংনিউজ/টিটি/এমআর

bnbd-ads
breakingnews.com.bd
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি