সাংবাদিকতার ক্ষেত্র অবারিত, দায়বদ্ধতাও সবচেয়ে বেশি

তৌহিদুজ্জামান তন্ময়
৩০ ডিসেম্বর ২০২০, বুধবার
প্রকাশিত: ০৩:১৩ আপডেট: ০৯:৪২

সাংবাদিকতার ক্ষেত্র অবারিত, দায়বদ্ধতাও সবচেয়ে বেশি

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম। ৩১তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের নারায়ণগঞ্জের এই কৃতি সন্তান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন। পরবর্তীতে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি), ডেমরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) ও গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পল্লবী জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দেন তিনি।

বর্তমানে ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশি সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ইফতেখায়রুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভূষিত হন।

ব্যক্তিজীবনে ইফতেখায়রুল ইসলাম এক মেয়ে ও এক ছেলের জনক। এই চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা ছাত্রজীবন থেকেই বিতর্ক, উপস্থাপনা, আবৃত্তি, সমাজসেবাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। সঙ্গীত ও নিয়মিত শরীরচর্চাও করেন তিনি। বিভিন্ন অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব থাকে তার ওপর। ২০১৯ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ইফতেখায়রুল ইসলামের লেখা প্রথম বই ‘যাপিত জীবনের কড়চা’ প্রকাশিত হয়। পুলিশে যোগ দেয়ার পর থেকেই ইফতেখায়রুল ইসলাম দেশ ও দেশের মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। 

সম্প্রতি দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি-এর মুখোমুখি হন তিনি। তার সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতায় উঠে আসে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের কাজের ধরণ, মানবিক পুলিশ হিসেবে দৃষ্টান্ত ও ব্যক্তিগত আর কর্মজীবনের নানা অজানা তথ্য। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ব্রেকিংনিউজের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট তৌহিদুজ্জামান তন্ময়

ব্রেকিংনিউজ : পুলিশে শত ব্যস্ততার মাঝেও গান, কবিতা, আবৃত্তি ও শরীরচর্চাসহ নিয়মিত সামাজিক কাজ করে যাচ্ছেন। কিভাবে সময় বের করছেন?

ইফতেখায়রুল : বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানের পর এক বছরের একটি বেসিক ট্রেনিং কোর্স করতে হয়। ওই এক বছর সময়ে অনেক নিয়ম-কানুনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। একজন সাধারণ ছেলে-মেয়েকে পুরোপুরি পুলিশে রূপান্তর করতে যা বোঝায় তার সবকিছুই শেখানো হয়। সেখানে শরীরের প্রচুর স্ট্রেস নিতে হয়, অস্ত্রের অনেক ব্যবহার থাকে। সবমিলিয়ে টাইম ম্যানেজমেন্ট বলতে যা বোঝায় ওই ট্রেনিং থেকেই পরিষ্কার হয়ে যায়। কোনও পেশায় আসার আগে নিজস্বতা বলতে কিছু থাকে- আমি যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি তখন থেকেই ডিবেট শুরু করি। ঠিক তখন থেকেই আবৃত্তি শুরু করি, সঙ্গে উপস্থাপনাতেও যুক্ত ছিলাম। আমি বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানের পর পূর্বের মনের খোরাকের যে জায়গাগুলো ছিল সেগুলো আমার মধ্য থেকে বাদ হয়ে যায়নি। বিভিন্ন সময়ে বিভন্ন ক্যাটাগরিতে আমি জাতীয়ভাবে পুরস্কৃতও হয়েছি। পুলিশের চাকরিতে আসার পর আগের মতো সময় না পেলেও অন্তত একদিন হলেও সময় করে পছন্দের কিছু কাজ গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করি। কোনো না কোনোভাবে ব্যালেন্স করার চেষ্টা করি।

ব্রেকিংনিউজ : পুলিশে আসার আগে আপনার জীবনের গল্প কেমন ছিল?

ইফতেখায়রুল : পুলিশের আসার আগে তেমন কোনও পেশায় জড়িত ছিলাম না। তবে একটা সময় খুব ইচ্ছা ছিল সাংবাদিক হওয়ার। প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) থেকে ডিপ্লোমা কোর্স (স্নাকোত্তর ডিগ্রি) সম্পন্ন করি। আমার মা ও বড় বোন অস্ট্রেলিয়াতে থাকার কারণে আমার মনে হয়েছে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য সেখানে যাবো। এরপর কোনও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশনে কাজ করার চেষ্টা করবো। এভাবে আমি নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলাম। এর পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কিছু কাজ করেছি। দেশের অনেক বেসরকারি টেলিভিশনে উপস্থাপক হিসেবে কাজ করেছি। আমার এলাকায় ও এলাকার বাইরে বিনামূল্যে শিশুদের পড়াতাম এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম।

ব্রেকিংনিউজ : পুলিশের কর্মকর্তা পর্যায়ে যোগদানে কাদের থেকে বেশি অনুপ্রেরণা পেয়েছেন?

ইফতেখায়রুল : আমার বোন জামাই (দুলাভাই) ও বড় ভাই বলেছিলেন, আমি কেন বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছি না। যদিও আমার বিসিএস নিয়ে স্পষ্ট কোনও ধারণাই ছিলো না। ৩০তম বিসিএস দিয়ে শুরু। ভাইভাতে গিয়ে অকৃতকার্য হই। এরপর ৩১তম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডার চলে আসে। মহান সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদস্বরূপ আমি বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করতে পেরেছি। পুলিশে কাজ করে জনগণের যে সেবা দেয়া যায় তা অন্য কোনও পেশায় (চিকিৎসক ছাড়া) নেই। পুলিশে যোগদানের ক্ষেত্রে পরিবার থেকে সর্বোচ্চ সমর্থন পেয়েছি। আমার বাবা-মা এখন নেই, কিন্তু যখন ছিলেন তখন তাদের সমর্থন যেভাবে পেয়েছি এখন বড় ভাই-বোনদের থেকেও একই সমর্থন পাই।

ব্রেকিংনিউজ : ট্র্যাডিশনাল পুলিশিং থেকে ডিএমপি মিডিয়া সম্পূর্ণ আলাদা। ডিএমপি মিডিয়া কেমন উপভোগ করছেন?

ইফতেখায়রুল : ডিএমপি মিডিয়াতে এটা আমার দ্বিতীয়বার আসা। এর আগে এসেছিলাম সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হিসেবে। মনে করি এটা আমার জন্য দুর্দান্ত হাতেখড়ি ছিল। ট্র্যাডিশনাল পুলিশিং কিংবা পুলিশের অন্যান্য কাজের ধরণের চেয়ে মিডিয়া সম্পূর্ণ আলাদা। আমার কাজটাই করতে হয় প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে। তথ্য যত দ্রুততার সঙ্গে প্রদান যায়। কাজটা আমার জন্য নতুন না, যেহেতু এর আগেও আমি করেছি। সাংবাদিকরা যে তথ্যটুকু চাচ্ছেন তা দ্রুততার সঙ্গে দিতে পারছি কি-না তা সাংবাদিকরা ভালো বলতে পারবেন। যারা আমাদের সঙ্গে মিডিয়াতে কাজ করছেন তাদের মোটিভেট করা ও গাইডলাইন দেয়া। সামনে পুলিশ সপ্তাহ ও ডিএমপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রয়েছে। তখন কাজ অনেকগুণে বেড়ে যাবে। সেজন্য কাজগুলো গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করি।

ব্রেকিংনিউজ : সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দ্রুত অপরাধী শনাক্তকরণে ডিএমপির ভূমিকা কী?

ইফতেখায়রুল : পুলিশ সব সময় সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করার চেষ্টা করে। কোনও ঘটনা ঘটলে আমরা আগে জানার চেষ্টা করি সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ আছে কি-না। জনসাধারণকে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য অনুপ্রাণিতও করি। রাতে অপরাধের চিত্র ধারণে নাইট ভিশন ক্যামেরা ভালো হয়, সেজন্যও আমরা নাইট ভিশন ক্যামেরা লাগানোর জন্য জনগণকে অনুপ্রাণিত করি। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করলে পরের কাজটা আরও সহজ হয়ে যায়। ভিডিও ফুটেজে সাম্প্রতিক সময়ে ডিএমপির অনেক সাফল্য রয়েছে।

ব্রেকিংনিউজ : আপনি একজন স্বপ্নবাজ মানুষ। স্বপ্ন দেখতে ও দেখাতে পছন্দ করেন। ব্যস্ততার মাঝেও স্বপ্নের কাজগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন করেন?

ইফতেখায়রুল : আমি তখন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। আমার এলাকায় জাতীয় দিবসগুলো তেমনভাবে পালন করা হতো না। তখন বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুরস্কার কিনে এলাকার ছোট বাচ্চাদের খেলাধুলার আয়োজন করতাম। খেলাধুলা শেষে বাচ্চাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করতাম। এলাকার বাচ্চারা আমার জন্য এক প্রকার পাগল ছিল বলা যায় এবং তাদের প্রতি খেয়াল রাখতাম তারা যেন কোনও ধরনের আঘাতপ্রাপ্ত না হয়। ছোটবেলা থেকেই প্রাণীর প্রতি প্রচণ্ড মায়া কাজ করতো আমার। কুকুর-বিড়ালদের কেউ আঘাত করলে নিজের কাছে খারাপ লাগতো। 

এভাবে কাজ করতে করতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন নানাভাবে আমাকে যুক্ত করেছে। আমার এলাকায় দুটি সামাজিক সংগঠন রয়েছে- তাদের সঙ্গে আমি কাজ করছি। একটি হলো- ‘এক টাকার মানব সেবা’ নামের একটি গ্রুপ। এখানে ছাত্র-ছাত্রী যারা আছে তাদেরকে একটু সার্ভিস দেয়ার চেষ্টা করি। 

ব্রেকিংনিউজ : দেশে শীতের দাপট চলছে, শীতার্তদের বিষয়ে কী ভাবনা?

ইফতেখায়রুল : শীত এলেই আমরা কিছু পরিচিত জায়গা বেছে নিই কম্বল বিতরণের জন্য। এরমধ্যে রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশন ও গুলিস্তানসহ এর আশেপাশের কিছু জায়গার মানুষেরা একাধিকবার কম্বল পাচ্ছে। অন্যদিকে যে মানুষগুলো কম্বল পাচ্ছে না তারা একেবারেই পাচ্ছে না। যারা সামাজিক সংগঠন নিয়ে কাজ করেন, দুস্থদের নিয়ে কাজ করেন তাদেরকে সব মানুষদের জন্য কাজ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি কাজ করার সময় একটি গ্রুপের দিকে না যেয়ে বিভিন্ন গ্রুপের দিকে ছড়িয়ে যাই। তাহলে নিজের কাছে অন্তত সন্তুষ্ট থাকা যায়।

ব্রেকিংনিউজ : একজন সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে আপনি সমাজের কোন স্বপ্নটি বাস্তবায়ন করতে চান?

ইফতেখায়রুল : আমার বাবা-মায়ের নামে একটি বৃদ্ধাশ্রম করতে চাই, এটি আমার স্বপ্নও। এখানে এতিম শিশুদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা দেওয়া হবে। সেখানে বয়স্কও শিক্ষা নিতে পারবেন। এ কাজে বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা ছোট শিশুদের নাতি-নাতনির মতো দেখে রাখবেন। বিশাল এই কাজের জন্য অর্ধেক অগ্রসর হতে পেরেছি। অন্যের সাহায্য ছাড়াই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই। এ কাজে সফল হলেই সমাজের জন্য কিছু একটা করার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পাবে।

ব্রেকিংনিউজ : রাজধানীবাসীর জন্য আপনার পক্ষ থেকে পুলিশের বার্তা কী?

ইফতেখায়রুল : এই তিলোত্তমা ঢাকা শহরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাস। অনেকে আইনের বিষয়ে খুব একটা জানেনা। এ কারণে  তারা রীতিমত আইন ভঙ্গ করছে। আইন মেনে না চলার প্রবণতা কখনো কখনো অভ্যাসে পরিণত হয়। কখনো বুঝে অথবা না বুঝেই আইন ভাঙছে। তাদের এই প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। ঘর থেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পারলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে একটি বাসযোগ্য নগর উপহার দেওয়া যাবে।

ব্রেকিংনিউজ : কীভাবে আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে পারি?

ইফতেখারুল : আপনার সন্তানকে বলুন- তুমি ফুটওভার ব্রিজ ছাড়া রাস্তা পারাপার হতে যেও না। হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালিও না। লাইসেন্স ছাড়া রাস্তায় কোনও গাড়ি নিয়ে বের হবে না। বয়স্কদের দেখলে ভালো ব্যবহার করো। আমাদের যখন কোনও নিয়মের মধ্যে ফেলে দেয়া হয় তখন আমরা মানতে বাধ্য হই। আমার কেন যেন মনে হয়, দিনশেষে আমরা নিজেদের দিকে আঙুল তুলি অনেক কম।

ব্রেকিংনিউজ : সাংবাদিকদের জন্য আপনার ম্যাসেজ কী?

ইফতেখায়রুল : সাংবাদিক ভাই-বোনদের মধ্যে আমার অনেক বন্ধুও রয়েছেন, অনেক জেষ্ঠ্য সাংবাদিক ভাইয়েরা রয়েছেন। এখন অনেক তরুণ সাংবাদিকরা এসেছেন। আগের তুলনায় সাংবাদিকতাতেও গতি বেড়েছে। সাংবাদিকতা একটি অত্যন্ত মহান পেশা। এই পেশায় নিজেকে জড়িয়ে নেবার পরে দায়বদ্ধতা সবচেয়ে বেশি। কারণ সাংবাদিকতার ক্ষেত্র অবারিত। সাংবাদিকরা অনেক জায়গাজুড়ে কথা বলতে পারে। কথা বলতে গিয়ে বড় ধরনের গ্যাপ যেন না পড়ে যায়। সেখানে যেন কোনও তথ্যের বিভ্রাট না ঘটে। এই অতিরিক্ত গতির কারণে খেয়াল রাখা প্রয়োজন তথ্যের বিভ্রাট হয়ে কোনও তথ্য ভুল না চলে আসে। এটি সাংবাদিক ভাইদের কাছে আমার আবেদন বলা যায়। এছাড়া গঠনমূলক সমালোচনা অব্যাহত থাকুক। 

ব্রেকিংনিউজ : শত ব্যস্ততার মাঝেও সময় দেয়ার জন্য ব্রেকিংনিউজ পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।

ইফতেখায়রুল : ব্রেকিংনিউজ পরিবারকে ধন্যবাদ। নিউজ পোর্টালটির জন্য শুভ কামনা। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে এখন পর্যন্তও আপনারা গতি ধরে রেখেছেন। এই দীর্ঘ সময় নিজস্ব আঙ্গিকে পথ চলাটাও অর্জনের। ভিন্নধারার গণমাধ্যম হিসেবে ব্রেকিংনিউজের সামনে এগিয়ে যাওয়ার শুভ কামনা।


ব্রেকিংনিউজ/টিটি/এমএইচ/এমআর

breakingnews.com.bd
প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা, ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫, ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
প্রকাশক : মো: মাইনুল ইসলাম
 শারাকা ম্যাক, ২ এইচ-প্রথম তলা,
  ৩/১-৩/২ বিজয় নগর, ঢাকা-১০০০
 টেলিফোন : ০২-৯৩৪৮৭৭৪-৫,
 ইমেইল : breakingnews.com.bd@gmail.com
 নিউজরুম হটলাইন : ০১৬৭৮-০৪০২৩৮, ০২-৮৩৯১৫২৪
 নিউজরুম ইমেইল : bnbdcountry@gmail.com, bnbdnews.reporter@gmail.com
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি