শিরোনাম:

হাটে-বাজারে, পাড়ায়-মহল্লায় চলছে বেবী নাজনীনের গান

বিনোদন ডেস্ক
৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 8:19
হাটে-বাজারে, পাড়ায়-মহল্লায় চলছে বেবী নাজনীনের গান

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসন থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহ-সম্পাদক ও দেশের তারকা কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। 

এই আসনটিতে এবার তিনিই দলের একক প্রার্থী। তবে বিএনপির পক্ষে সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র ও সাবেক সাংসদ মো. আমজাদ হোসেন সরকারও মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও যাচাই–বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।

অন্যদিকে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসন থেকে আবারও লাঙ্গল প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েছেন আসনটির বর্তমান সাংসদ শওকত চৌধুরী। কিন্তু জাপার পক্ষ থেকে আহসান আদেলুর রহমানকেও মনোনয়ন দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শওকত চৌধুরী। আদেলুর রহমান জাপা চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের ভাগনে। 

এদিকে বেবী নাজনীনের মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই এলাকাবাসীর মধ্যে সাড়া পড়েছে। তারা তার গানগুলো নতুন করে ডাউনলোড দিচ্ছেন। বাজারে বাজারে চায়ের দোকানে এখন বেবী নাজনীনের জনপ্রিয় গানগুলো বারবার বাজানো হচ্ছে। এই কণ্ঠশিল্পীকে ঘিরে আসনটিতে বাড়তি নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। 

‘দুচোখে ঘুম আসে না তোমাকে দেখার পরে’, ‘ঘুম ভাঙ্গায়া গেল রে মরার কোকিলে’- এসময় বেবী নাজনীনের এই গানগুলো তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। এখনও মানুষের মুখে মুখে এই গানগুলো শোনা যায়। 

সৈয়দপুর উপজেলার চৌমুহনী বাজারে কয়েকজন তরুণ মিলে বেবী নাজনীনের সেই গানগুলোই শুনছিলেন। তারা জানান, বেবী নাজনীন সৈয়দপুরের সন্তান। তিনি এলাকাবাসীর গর্ব। অসংখ্য চলচ্চিত্রের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন। এমপি পদে তাকে বিজয়ী করতে চায় তারা। 

এদিকে বেবী নাজনীনের চাচাতো ভাই সৈয়দপুর শহরের সরকারপাড়ার বাসিন্দা মনোয়ার সরকার গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমার বোন নিজ যোগ্যতায় বিএনপির মতো দলের এত বড় পদে আছেন। আমি মনে করি, এবারের নির্বাচনে সব দলের লোকের ভোট পাবেন বেবী নাজনীন।’

বেবী নাজনীনকে ‘নতুন প্রজন্মের ক্রেজ’ আখ্যা দিয়ে নির্বাচনী এলাকার মানুষ বলছে, এই কণ্ঠশিল্পী শুধু বিএনপিরই একজন প্রার্থী নন, সবার কাছে তার প্রতি ভালোবাসা আছে। সবাই তাকে বিজয়ী দেখতে চায়। দলমত নির্বিশেষে সৈয়দপুরের মানুষ বেবী নাজনীনকে ভোট দেবে বলেও মনে করছে এলাকাবাসী।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2