শিরোনাম:

ইবিতে নিয়োগ পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

এম.এইচ কবির, ইবি করেসপন্ডেন্ট
৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 6:46 আপডেট: 6:54
ইবিতে নিয়োগ পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া গণিত বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন রোকনুজ্জামান নামের এক প্রার্থী।

তার পক্ষে রিটটি করেন হাইকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ইসমাইল হোসাইন।

জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২নভেম্বর তৎকালীন উপাচার্য আব্দুল হাকিম সরকার এর সময় দুইজন শিক্ষকের চাহিদা দিয়ে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। দুটি পদের বিপরীতে প্রায় ৮৬ জন প্রার্থী আবেদন করেন। এর আগে অনেক বার চেষ্টা করে এই নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রশাসন।

জানা যায়, ওই বিভাগেরই মিজান নামের একজন শিক্ষক বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরায় এই নিয়োগের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করার কারণে এতদিন নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়নি। সম্প্রতি মামলা উঠে যাওয়া সেই দুটি ফাঁকা পদে নিয়োগ প্রদানের কার্যক্রম শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন।

যার প্রেক্ষিতে গত ৩০ নভেম্বর বর্তমান নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ও ভাইভা অনুষ্ঠিত হয়। এবার নিয়োগ পরীক্ষায় ৮৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২৫ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করে।

কিন্তু প্রার্থীদের কয়েকজন অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালে যখন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং যে প্রক্রিয়ায় নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হাওয়ার কথা ছিল সেই প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়নি। বর্তমান প্রশাসনের লিখিত পরীক্ষাকে তারা বিতর্কিত পদ্ধতি বলে অভিযোগ করেন। তাই এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন রোকনুজ্জামান। 

এই বিষয়ে জানতে রোকনুজ্জামানকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।   

অ্যাডভোকেট মো. ইসমাইল হোসাইন বলেন, রোকনুজ্জামান লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে কিন্তু লিখিত পরীক্ষার কোনো ফলাফল তথা পাশ না ফেল করেছে তা না জানিয়েই মৌখিক পরীক্ষায় সিলেক্টেড লোককে ডাকা হয়েছে। যখন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে নিয়োগের যে পদ্ধতি ছিল বর্তমানের সাথে অসামঞ্জস্য। এই পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রোকনুজ্জামান রিট করেছেন।    

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, ‘নিয়োগ পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়েছে শুনেছি তবে অফিসিয়ালি এখনো কোনো নোটিশ পাইনি।’

ব্রেকিংনিউজ/এনএসএন

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2