শিরোনাম:

আওয়ামী লীগ ভোট কেন্দ্র ‘রক্ষা’ করবে: কাদের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 2:02 আপডেট: 4:50
আওয়ামী লীগ ভোট কেন্দ্র ‘রক্ষা’ করবে: কাদের

আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ভোট কেন্দ্র রক্ষা করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

ঐক্যফ্রন্টে সাম্প্রদায়িক শক্তি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এই অপশক্তি নিবাচনেও আঘাত আনাতে পারে। তারা কেন্দ্র পাহারা দেয়ার কথা বলছে আমরা কেন্দ্র রক্ষা করবো।’

বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরের ১৯ বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে সেচ্ছাসেবক লীগের যৌথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা আন্দোলনে বিজয়ী হতে পারে না। তারা নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারে না।  বিএনপির নির্বাচনে জেতার স্বপ্ন, দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। তাদের এমন কোনো কাজ আছে নেই, যার জন্য দেশের মানুষ তাদের ভোট দিবে। তারা যতো আস্ফালন করবে, ততোই পতন হবে।’

সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের চলমান উন্নয়ন বন্ধ হয়ে যাবে। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টার্নেলসহ মেগা প্রজেক্টের কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। দেশ পিছিয়ে পড়বে। পশ্চাৎগামীতায় ফিরে যাবে। আমরা কি আবারও অন্ধকারের অচলায়তনের বাংলাদেশে ফিরে যাবো। 
অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে আবারও ক্ষমতায় শেখ হাসিনার সরকার দরকার।’

তিনি বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হেসেন ও কাদের সিদ্দিকীর মত মুক্তিযুদ্ধরাও আজ জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক বিএনপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এ দেশে দুইটি ধারা।  একটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার পক্ষের ধারা। অন্যটি স্বাধীন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী ধারা। কামাল হোসেনদের কোনো ধারা নেই। তাদের সব ধারাই এখন সাম্প্রদায়িক শক্তিতে পরিণতি হয়েছে।’

কামাল হোসেনের কঠোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কামাল হোসেনের নিজস্ব কোনো সত্তা নেই। তারেক রহমানের নির্দেশে কামাল হোসেনরা কথা বলছেন। কামাল ও কাদের সিদ্দিকী খুনি ও দণ্ডিতদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।’

নির্বাচন এলেই দেশে মনোনয়ন বাণিজ্য হয় মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘প্রার্থী দেয়ার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের কোনো মনোয়নন বানিজ্য হয়নি, এটা স্বস্তির। শেখ হাসিনা মনোনয়নের কৌশল অবলম্বন করেছেন তাতে লেনদেনের কোনো ফাঁকফোঁকর ছিল না। ঐক্যফ্রন্টে বিএনপিতে মনোনয়ন বাণিজ্যের রমরমা কারবার। টাকা ছাড়া বিএনপিতে মনোনয়ন কল্পনাও করা যায় না। মনোনয়ন বাণিজ্যের পর বিএনপির অনেক নেতা পালিয়েছে।’

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়াদের বেশিরভাগই রাজনীতিবিদ দাবি করে সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘তরুণ মুখ প্রায় ৫০ এর কাছাকাছি। আর ব্যবসায়ী রয়েছে প্রায় ১৬ জন। এবারের নমিনেশন দেয়ার ক্ষেত্রে দেশি-বিদেশি জরিপকে প্রধান্য দেয়া হয়েছে। মনোনয়ন নিয়ে শরিকদের সাথেও বোঝাপড়া হয়েছে। এনিয়ে শরিকদের সাথে কোনো টানাপোড়েন নেই।’

‘মনোনয়ন নিয়ে কিছু কিছু জায়গায় ক্ষোভ বিক্ষোভ হতে পারে। তবে দলের স্বার্থে বিষয়টি নেতাকর্মীরা মেনে নিবেন। কারণ এবার জয়ের কোনো বিকল্প নেই। আজকালের মধ্যে জোটের প্রার্থিতা চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে।’

জোটের স্বার্থেই আওয়ামী লীগের অনেক যোগ্য প্রার্থীকেও মনোনয়ন দেয়া হয়নি। ক্ষমতায় এলে তাদের এই ত্যাগের মুল্যায়ন করা হবে বলেও জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

যৌথ সভায় সভাপতিত্ব করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা আবু কাউসার। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেব নাথের সঞ্চালনা আরও বক্তৃতা করেন দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, দক্ষিণ সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আরিফুর রহমান টিটু।

ব্রেকিংনিউজ/ আরএইচ/ এসএ 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2