শিরোনাম:

সাঈদীপুত্র শামীম প্রার্থী হওয়ায় বিএনপিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া!

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 5:59 আপডেট: 6:10
সাঈদীপুত্র শামীম প্রার্থী হওয়ায় বিএনপিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া!

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর পুত্র শামীম সাঈদী এবার একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বাবার নির্বাচনী পিরোজপুর-১ (পিরোজপুর সদর-নাজিরপুর-নেছারাবাদ)) আসন থেকে ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন। সাঈদীপুত্র প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরাও উজ্জীবিত। যদিও ভিন্ন মত রয়েছে দলের একাশের মধ্যে। তাদের চাওয়া- জোটের নয়, বিএনপির প্রার্থীকে এই আসনে মনোনয়ন দেয়া হোক। 

তবে শামীম সাঈদীর এ আসনে ঐক্যফ্রন্ট থেকেও দুজনকে প্রার্থী করা হয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত শামীম জোটের মনোনয়ন পান কিনা তা নিয়েও রয়েছে গুঞ্জন। 

এ বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্র নেতা এইচ এম লাহেল মাহমুদ বলেন, ‘আমরা মাওলানা সাঈদীর পুত্র শামীম সাঈদীকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাই। তিনি প্রার্থী হওয়ায় একটি কুচক্রীমহল খুশি না হলেও সাধারণ ভোটারসহ নিরীহ মানুষেরা সন্তুষ্ট। আশা করি দল তাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেবে।’

এলাকাবাসীদের অনেকেই বলছেন, যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থাকায় সাঈদীর এলাকায় গত ১০ বছর নির্মম নিপীড়ন চালিয়েছে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার। মানুষ আজ আওয়ামী সরকারের তাণ্ডবে অতিষ্ট। শান্তিপ্রিয় মানুষ এ অবস্থার পরিবর্তন চায়। তারা শামীম সাঈদীকেই তার বাবার যোগ্য উত্তরসূরি মনে করছেন। 

এদিকে শামীম সাঈদীর বাড়ি ইন্দুরকানি উপজেলায় দাবি করে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের একাংশ বলছেন, ইন্দুরকানি উপজেলা পিরোজপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত। ফলে আরেক আসনের বাসিন্দা হয়ে পিরোজপুর-১ আসনে শামীম সাঈদী প্রার্থী হলে তার ভরাডুবি হবে। 

এ ব্যাপারে ইন্দুরকানি উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম খান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শামীম বিন সাঈদীকে মনোনয়ন না দেয়ার পক্ষে দলের বেশির ভাগ নেতা বক্তব্য দেন। এলাকাবাসী এবার তাকে ভোটে দেখতে চায়।’

তবে পিরোজপুর জেলা জামায়াতের আমির তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ‘বিএনপির নেতাদের দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেয়া উচিত। এ আসনে বিজয়ী হওয়ার মতো শক্তিশালী প্রার্থী শামীম বিন সাঈদী।’

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের সালের জাতীয় নির্বাচনে পিরোজপুর-১ আসন থেকে পর পর দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০১৩ সালে সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও রাষ্ট্রপক্ষের রিভিউ আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2