শিরোনাম:

বিএনপি নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা করছে: কাদের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৫ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 10:03 আপডেট: 12:58
বিএনপি নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা করছে: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘গণহারে বিএনপির মনোনয়ন এটা সাংগঠনিক দেউলিয়াত্ব পরিচয়। সংগঠনের কোনো শৃঙ্খলা নেই। শৃঙ্খলা থাকলে এভাবে মনোনয়ন বাণিজ্য হয় নাকি? বিতর্কিত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়ার অর্থ হচ্ছে টাকা-পয়সার জোগানটা বেশি দেয়া। বিতর্কিত হলেই তো টাকা-পয়সা বেশি দিবে। এর সঙ্গে নির্বাচন বানচালের কৌশল আছে বলে মনে করি না। তবে বিভিন্ন ভাবে তারা নির্বাচন বানচালের পাঁয়তারা করছে।’

বুধবার (৫ ডিসেম্বর) সকলে গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। 

ওবায়দুল কাদের, ‘টাকার বিনিময়ে গণহারে মনোনয়ন বাণিজ্য করেছে বিএনপি। তাদের ১৪১ জন বাদ যাওয়ার পরেও ৫৫৫ জন এখনও রয়ে গেছে। নির্বাচন করবে তিনশ জন। তাহলে এই যে সংখ্যা, এত প্রার্থী। যে টাকা দিয়েছে তাকেই মনোনয়ন দিয়েছে। আমরা মাত্র ১৬ জনকে ডাবল মনোনয়ন দিয়েছি। এর মধ্যে তিনজন বাদ গেছে।  

বিএনপি এত মনোনয়ন বিক্রি করলো তাহলে এটা কি তাদের সাংগঠনিক দুর্বলতা?- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘এটা বিএনপির পুরানো অভ্যাস। অতীতেও তারা এরকম করেছে। তাদের দলের টাকা-পয়সা দুর্নীতি অস্তি-মজ্জার সঙ্গে মিশে আছে। দুর্নীতির জন্য এ দলের খ্যাতি। দলটি দুর্গন্ধ-দুর্নীতি এখনও ছড়াচ্ছে। ক্ষমতায় আসলে আরেকটা হাওয়া ভবন হবে। এই দল দুর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্বাস চ্যাম্পিয়ান হয়েছে। কানাডার ফেডারেল আদালত এ দলকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে রায় দিয়েছে। সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজ দলের দুর্নাম তারা কি ভাবে মুছবে?’

‘বেছে বেছে বিএনপির জনপ্রিয় প্রার্থীদের মনোনয়ন বাদ করছে নির্বাচন কমিশন’ দলটির এ অভিযোগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তথ্য প্রমাণ দিয়ে তাদের এটা বলতে হবে। অন্ধকারে ঢিল মারলে হবে না। নির্বাচন কমিশনে বিএনপি লোকও আছে, আওয়ামী লীগের লোকও আছে। বিভিন্ন দল থেকে সার্চ কমিটির মাধ্যমে এই নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনে বিএনপির একজন কমিশনার আছে। আমাদেরও তো একজন।’

এখন যারা নির্বাচন কমিশন পুনরায় গঠনের কথা বলেন তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। কারণ এখন কমিশন পুনরায় গঠনের কোনো বাস্তব সম্মত অবস্থা নেই বলেও জানান কাদের।  

জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের পদ চলে চাওয়ার বিষয়ে কাদের বলেন, ‘এটা জাতীয় পার্টি ইন্টারনাল ব্যাপার। এরশাদ সাহেব কাকে রাখবেন, কাকে রাখবেন না। এটা তাদের গঠনতন্ত্রে আছে। বিএনপির অবস্থাও তাই। চেয়ারপারসন চাইলে এক খোঁচায় ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে বাদ দিতে পারে। আওয়ামী লীগে এ সিস্টেম নাই। আওয়ামী লীগের একটা নিয়ম আছে। আওয়ামী লীগ কাউকে বাদ দিতে চাইলে কাউন্সিলর ডাকতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘একজিস্টিনং কমিটির সাধারণ সম্পাদক বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে বাদ দিতে হলে কাউন্সিলে পাশ করাতে হবে। কিন্তু বিএনপির চেয়ারপারসন এক খোঁচা যেকোনো সময় যাকে বাদ দিতে পারে। জাতীয় পার্টিরও একই অবস্থা। এটা তাদের দলেরই নিয়ম সংবিধান। আওয়ামী লীগের এই সিস্টেম নেই।’

ব্রেকিংনিউজ/ আরএইচ/ এসএ 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2