শিরোনাম:

১৫ বছর পর আলোকিত শিশু পার্ক

জেলা প্রতিনিধি
৪ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 2:59 আপডেট: 3:01
১৫ বছর পর আলোকিত শিশু পার্ক

দীর্ঘ ১৫ বছর পর আবারো জ্বলে উঠলো রাঙামাটি শিশু পার্কের সন্ধ্যা-বাতি। সোমরাব সন্ধ্যায় শিশু পার্কটি নতুন করে চালু করার চলমান কাজের অংশ হিসেবে প্রায় ২১টি সন্ধ্যা-বাতি জ্বালানো হয়, যা পুরো পার্কটিকে আলোকিত করে।

এর আগে ২০০৩ সালে পার্কের ভেতরে তৎকালীন পৌর মেয়র কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে পার্কটি বন্ধ করে দিয়ে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু করে। এতে পরিবেশবাদী সংগঠন গ্লোবাল ভিলেজ ও বেলা উচ্চ আদালতে মামলা করে। দীর্ঘ শুনানির পরে শিশু পার্ক তৈরির পক্ষে মামলার রায় দেয়। ২০১৪ সালে  পার্কে নির্মাণাধীন স্থাপনা অপসারণ কারা হয়।

এরপর দীর্ঘদিন অযত্নে অবহেলায় পরে ছিল এই পার্কটি, সম্প্রতি পার্কটি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে সংস্কারের উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন। 

৯ নভেম্বর সকালে শিশু পার্কের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করতে এসে জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেছিলেন আগামী দুই এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান হবে শিশু পার্কের উন্নয়ন কাজ। তার পরই সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, পার্কটি। তার অংশ হিসেবে দীর্ঘ ১৫বছর পর আবারো জ্বলে উঠলো শিশু পার্কের সন্ধ্যা-বাতি।

এতে দীর্ঘ দিন আশ্বাসে কাটানোর পর হয়তো এবার শিশু পার্কটি চালু হতে পারে, এমনটা জানান সন্ধ্যা বাতিতে পার্কটির সৌন্দর্য্য দেখতে আসা রিজার্ভ বাজার এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ।

শিশু পার্ক পূর্ণ স্থাপনের আন্দোলনকারীদের একজন সাবেক ছাত্র নেতা সৈকত রঞ্জন চৌধুরী জানান, আমি মনে করি দীর্ঘদিন অবহেলায় থাকার পর যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তাকে সাধুবাদ জানাই। তবে আপাতত তুষ্ট হতে পারছি না কারণ অনেক বছর ধরেই শুনছি পার্কটি হবে হবে কিন্তু কিছুই হয়নি। পার্কের আশাপাশে যত অবৈধ স্থাপনা আছে, তা উচ্ছেদ করে একটি পূর্ণাঙ্গ পার্ক করা হউক অন্যথায় পার্কের সৌন্দয্য ম্লান হবে। পার্ক রাঙামাটির শিশুদের প্রাণকেন্দ্র হউক।

ব্রেকিংনিউজ/এমজি

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2