শিরোনাম:

পঞ্চগড়ে কৃষক মাঠ দিবস পালন

কৃষি ডেস্ক
৩ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 7:44
পঞ্চগড়ে কৃষক মাঠ দিবস পালন
ফাইল ছবি

ব্রি ধান ৫৬ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার আমকাঁঠাল গ্রামের কৃষক পশির উদ্দিনের ফসল কর্তন উপলক্ষে কৃষক মাঠ দিবসের আয়োজন করে কৃষি বিভাগ। সোমবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় ধান কেটে মাঠ দিবসের উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এসময় উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল বারী, কৃষি কর্মকর্তা ফিরোজ বুলবুলসহ কৃষাণ-কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন উর্ধ্বতন সামাজিক উন্নয়ন কর্মকর্তা জনাব মো. শাফকাতুল আলম।

কৃষি কর্মকর্তা বলেন, এ ধানের চাষাবাদ বাড়াতে হবে। তাহলে অন্য একটি রবি ফসল স্বল্প সময়ে ঘরে তোলা যাবে এবং খরার কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশংকা থাকবে না। এ ধানের গড় ফলন বিঘা প্রতি ১৫ মণ প্রায়।

জলবায়ূ পরিবর্তনজনিত কারণে এ মুহূর্তে ১ মিলিয়ন হেক্টরের বেশি জমি খরাকবলিত অঞ্চলে পরিণত হচ্ছে এবং তা ক্রমান্বেয়ে বাড়ছে। অসময়ে বৃষ্টিপাত এবং বিলম্বিত বর্ষার কারণে কৃষকরা উপযুক্ত সময়ে রোপা আমন ধান চাষ করতে পারছে না। আবার অঙ্গজ বৃদ্ধিও পর্যায়ের বা ফুল অসার সময় অথবা দানার বাধার সময়ে প্রয়োজনীয় বৃষ্টি না হলে ধানের ফলন আশংকাজনক হারে কমে যাচ্ছে।

খরার মাত্রা বেশি হলে অনেক সময় সম্পূর্ণ ফসলই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার বলয় ভেঙ্গে যওয়ার উপক্রম প্রায়। ঠিক এ মূহূর্তে প্রতিকূল অবস্থার সাথে খাপ খেয়ে কাংখিত মানের ফসল চাষাবাদ করতে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট খরা সহনশীল জাতের ধান ব্রি ধান -৫৬ বের করে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে ২০১০ সাল থেকে এ ধানের কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়।

উত্তর অঞ্চেলের মধ্যে সাধারণত ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলা খরা প্রবন হওয়ার কারণে প্রতি বছর আমন মৌসুমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। আমন মৌসুমে স্বল্পমেয়াদী খরা সহনশীল ব্রি ধান-৫৬ জাতের ধান কৃষকের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের কাজ শুরু করে। সাধারণত এ জাতের ধানের জীবনকাল ১০৫-১১০ দিন হয়ে থকে। এ জাতের ধানের বিশেষ বৈশিষ্ট হচ্ছে অতিরিক্ত খরাতেও উৎপাদন ব্যহত হয় না।

এছাড়াও স্বল্পমেয়াদী হওয়ার কারণে আগাম ধান চাষ করে পরবর্তীতে অন্য একটি রবি ফসল আগাম চাষ করা সম্ভব হয়। ফলশ্রুতিতে রবি ফসলের কৃষক তুলনামূলকভাবে অধিক লাভবান হয়ে থাকেন। উপজেলায় এ বছর মোট ৩০ জন কৃষকের মাঝে বিনা মূল্যে ৫ কেজি হারে প্রত্যেককে বীজ সরবরাহ করা হয়।

ব্রেকিংনিউজ/এনএসএন

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2