শিরোনাম:

শ্বেতীর সমাধান

স্বাস্থ্য ডেস্ক
৩০ নভেম্বর ২০১৮, শুক্রবার
প্রকাশিত: 9:41
শ্বেতীর সমাধান

ত্বকের কোথাও সাদা হয়ে যাওয়া রোগকে শ্বেতী বলে। এটি একটি বিচিত্র রোগ। শ্বেতীতে আক্রান্ত রোগীরা বেশির ভাগই মানসিক অবসাদে ভোগেন। অনেকেই এটিকে ভয়াবহ কোনও রোগ বলে মনে করেন। এটির সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতীতে আক্রান্ত রোগীকে দেখলে আঁতকে ওঠেন অনেকে। তবে শ্বেতী ভয়াবহ কোনও রোগ নয়। 

শ্বেতী কী ও কেন হয়: ত্বকের মধ্যের মেলানোসাইট কোষে থাকে মেলানিন, যা ত্বকের স্বাভাবিক রঙের ভারসাম্য রক্ষা করে। মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলেই দেখা দেয় শ্বেতী।

মেলানিনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া ছাড়াও বংশগতভাবেও শ্বেতী হয়ে থাকে। প্রতি ১০০ জন শ্বেতী রোগীর মধ্যে ৩০ জনের ক্ষেত্রেই শ্বেতী হয় বংশগত ধারায়। 

শ্বেতীর চিকিৎসা: ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। চিকিৎকের পরামর্শ অনুযায়ী মলম লাগানো বা ওষুধ সেবনের পাশাপাশি সকাল বেলার রোদ লাগাতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে মলম আর ওষুধে কাজ হতে প্রায় দু’বছরের বেশি সময় লেগে যেতে পারে। ওষুধে কাজ না হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অস্ত্রপচার করাতে হবে। শ্বেতীর চিকিৎসায় অস্ত্রপচারের নাম ‘পাঞ্চ গ্রাফটিং’। যে ধরনের শ্বেতী বছর দুয়েক মোটামুটি একই জায়গায় অবস্থান করে সেই শ্বেতী সারিয়ে তুলতে পারে এই পাঞ্চ গ্রাফটিং।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিৎসা করা যায় ততো ভাল। ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড যাদের রয়েছে, তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে। শরীরের যে কোনও জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

ব্রেকিংনিউজ/জেআই

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2