শিরোনাম:

শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?

শিল্প-সাহিত্য ডেস্ক
২২ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 8:10
শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?

আজ ২২ অক্টোবর। তিমির হননের কবি জীবনানন্দ দাশের ৬৪তম প্রয়াণ দিবস। ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে কলকাতার শম্ভুনাথ পণ্ডিত হাসপাতালে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কবি জীবনানন্দ দাশ মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে ৭ দিন আগেই ১৪ অক্টোবর কলকাতার বালিগঞ্জে এক ট্রাম দুর্ঘটনায় আহত হন রূপসী বাংলার কবি। ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন উত্তর আধুনিকতার সবচেয়ে জনপ্রিয় কবি জীবনানন্দ দাশ।

মৃত্যু অপ্রতিরোধ্য ও প্রকাশ্য। কিন্তু তার আগমন কেন এতো আকস্মিক? কেনো এতো নিষ্ঠুর? কেন কোনো প্রস্তুতির অবকাশ সে দেয় না?-কবি জীবনানন্দ দাশের প্রশ্ন ও বেদনা সেখানেই। জীবনের পিছনে মরণ আছে জেনেও মানুষ কাজ করে, বিলাসিতায় মগ্ন হয়। ভাবে, দু'দিন সময় তো পাওয়া যাবে। অথচ নিরীহ হরিণ-খরগোশের উপর বাঘ যেমন ঝাঁপিয়ে পড়ে, মরণ তেমনি থাবা বাড়ায়। তাই রূপসী বাংলা গ্রন্থে তোমার বুকের থেকে একদিন কবিতায় কবি জীবনানন্দ দাশ অকপটে বলেন, কখন মরণ আসে কে বা জানে/কালীদহে কখন যে ঝড় কমলের নাল ভাঙে/ছিঁড়ে ফেলে গাংচিল শালিকের প্রাণ জানি নাকো;

তবে কবি মৃত্যুর আগমনে বিচলিত না হয়ে তাকে বরণ করতে প্রস্তুত হয়ে তার ধূসর পান্ডুলিপি গ্রন্থে জীবন, স্তবক ২৫ কবিতায় উচ্চারণ করলেন-

মৃত্যুরে বন্ধুর মতো ডেকেছি তো-প্রিয়ার মতো!
চকিত শিশুর মতো তার কোলে লুকিয়েছি মুখ;
রোগীর জ্বরের মতো পৃথিবীর পথের জীবন
অসুস্থ চোখের পরে অনিন্দ্রার মতো অসুখ।

মৃত্যুর বর্ণনা সর্বাপেক্ষা সাথর্করূপ লাভ করেছে মৃত্যুর আগে কবিতায়। এখানে কবি পৌষসন্ধ্যার নিভৃত কুহকের সঙ্গে মৃত্যুর রহস্যময় রূপের তুলনা করেছেন। সবুজ পাতার হলুদ হয়ে আসা, পৌষসন্ধ্যার নির্জন ক্ষেত, নারীর মতো নরম নদীর ফুলের মতা কুয়াশা ছড়ানো, নম্রনীল জ্যোৎস্নার আলো-ছায়া রচনা পৃথিবীর এই ধূসর শীতসন্ধ্যার রূপে যারা মুগ্ধ আর তাদের ভয় নেই। কারণ মৃত্যুও এমনি গ্রামবাংলার শান্ত শীতসন্ধ্যার মতো। কবি তাই, ধূসর পান্ডুলিপির মৃত্যুর আগে ও ১৯৩৩ কবিতায়, বনলতাসেন-এর বনলতাসেন কিংবা সাতটি তারার তিমির'র চক্ষুস্থির কবিতায় বিধৃত মৃত্যুচেতনা স্বমহিমায় ফুটে উঠেছে বৈচিত্র্যময় ঢংয়ে। ক্লান্তি ও মৃত্যুচেতনা জীবনানন্দ দাশ তথা আধুনিক কাব্যের অন্যতম মূলসুর। রেইনার মারিয়া রিলকের সনেটস টু অর্ফিউস কবিতাগুচ্ছে এই মৃত্যুচেতনা লক্ষ্য করা য়ায়। এলিয়টের কাব্যেও মৃত্যুচেতনা অত্যন্ত সুস্পষ্ট। এই মৃত্যুচেতনা অবশ্য সব সময় দৈহিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে জাগ্রত হয়নি। যুগের বন্ধ্যারূপ, জীবনের অচরিতার্থতা এবং এক সমৃদ্ধতর-পূর্ণতর জীবনের আশা সবই মিশ্রিত হয়ে আছে এর মধ্যে। কিন্তু যেহেতু আমাদের আধুনিক কবিতা সবকিছুকেই শরীরী করতে চেয়েছে, তাই মৃত্যুচেতনাও জীবনানন্দের কাব্যে প্রধানত দেহকে অবলম্বন করে প্রকাশ পেয়েছে। সাতটি তারার তিমির'র বিভিন্ন কোরাস কবিতায় কবি জানিয়ে দেন তার পরিচিত জগৎ নষ্ট হয়ে গেছে, যা মূর্তভাবে ছবি এঁকেছেন-এভাবে,

আমরা মধ্যম পথে বিকেলের ছায়ায় রয়েছি
একটি পৃথিবী নষ্ট হয়ে গেছে আমাদের আগে
আরেকটি পৃথিবীর দাবি
স্থির করে নিতে গেলে লাগে
সকালের আকাশের মতন বয়স;

কবি এবং তাঁর যুগের মানুষেরা এসে পৌঁছেছেন জীবনের মাঝপথে। সামনে আসছে নতুন যুগ, তার নতুন মূল্যবোধের দাবি নিয়ে। দুই যুগের মধ্যে দাঁড়িয়ে তিনি বিভ্রান্ত; হারিয়ে ফেলেছেন সান্দ্র বিশ্বাস। তিনি মহাপৃথিবীর'র আদিম দেবতারা কবিতায় সকল সৌন্দর্যের আদর্শ স্থূল হস্তাবলেপে নষ্ট হয়ে যাওয়ার বর্ণনা তুলে ধরেছেন এভাবে-

স্থূল হাতে ব্যবহৃত হয়ে-ব্যবহৃত-ব্যবহৃত
ব্যবহহৃত-ব্যবহৃত হয়ে
ব্যবহৃত-ব্যবহৃত

‘ব্যবহৃত’ শব্দটির পুনঃ পুনঃ প্রয়োগ লক্ষ্যণীয়। ব্যবহার শুধু বহুদিনের নয়, বহুস্থূল হাতের। কবিতাটি নিঃসন্দেহে এই শতাব্দির অভিশাপ বহন করছে। সভ্যতার সংকটে চিরকালের মূল্যবোধগুলো একে একে ধসে পড়ছে অথচ কোনো আশ্বাসের স্থিরভূমি নেই-সেই নৈরাশ্যই আধুনিক কবি মানসে জন্ম দিয়েছে, ক্লান্তির, অবসন্নতার। বিষ্ণু দে'র মতো আশাবাদী কবিও একসময় লিখেছেন-ক্যার্নিভ্যাল এ জীবনে আমার ঘুম পায় আজ। আর সুধীন্দ্রনাথ নৈরাশ্যভরাতুর কণ্ঠে বলেছিলেন-নঞ্চর্থক, সবই নঞ্চর্থক।

সমস্ত পৃথিবী ভরে হেমন্তের সন্ধ্যার বাতাস
দোলা দিয়ে গেলো কবে! বাসি পাতা ভূতের মতন
উড়ে আসে! কাশের রোগীর মতো পৃথিবীর শ্বাস-

যক্ষ্মার রোগীর মতো ধুঁকে মরে মানুষের মন। জীবনানন্দের মানুষ অস্তিত্বের বৈনাশিক অভিকর্ষে প্রতিমুহূর্তে স্খলিত রূপের প্রতিভূ মাত্র। অস্তিত্ব সচেতন, বেদনার্ত, পর্যুদস্ত, বিষণ্নবোধে আক্রন্ত আত্মহত্যাপ্রবণ সত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় মহাপৃথিবীর’র আট বছর আগের একদিন কবিতায়। জীবনের এই শব্দ সুপক্ব যবের ঘ্রাণ হেমন্তের বিকেলে তোমার অসহ্য বোধ হলো। সৃষ্টির তাড়না মানুষকে অবসন্ন করে দেয়। কিন্তু কেন এই ক্লান্তি? কবি বললেন- ‘বিপন্ন বিস্ময়’। ‘বোধ’ কবিতায়ও তিনি এই তাড়নার কথা বলেছেন এভাবে-

স্বপ্ন নয়, ক্ষান্তি নয়, ভালোবাসা নয়
হৃদয়ের মাঝে এক বোধ জন্ম লয়!
আমি তারে পারি না এড়াতে...। 

জীবনানন্দ দাশ তাঁর অপ্রকাশিত ডায়েরিতে নিজের আশা-নিরাশার যেসব খতিয়ান দিয়েছেন সেখানে তিনি অবিবাহিত থেকে সাহিত্য সৃষ্টির বাসনা জানিয়েছেন। কবি দাম্পত্য কলহে অতিষ্ঠ হয়ে ভাবেন, কী করব? আত্মহত্যা? হার্টফেল? শীতের রাতে অন্ধকার পুকুরে ডুবে মরব?...১৯৩০ সালে লাবণ্য দেবীর সঙ্গে কবির বিবাহ হয়। কিন্তু আর্থিক অভাবে কবির সংসার জীবন সুখের হয়নি। 

বারবার চাকরি চলে যাওয়ায় কবি বিব্রত হয়ে পড়েন। স্ত্রী-কন্যার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ার আত্মগ্লানিতে ভোগেন। যদিও কবির মর্মযন্ত্রণা তার স্ত্রী অনুভব করেননি। ফলে কবির মধ্যে ক্লান্তি, নিঃসঙ্গতা, বিষাদ ক্রমবর্ধমান হয়েছে। ধূসর পান্ডুলিপি ও বনলতাসেন কাব্যের প্রকাশ কবিকে খ্যাতি এনে দিলেও কোথায় যেনো গোপন বেদনা থেকে তার গেলো। ক্যাম্পে, শিকার, আমি যদি হতাম প্রভূতি কবিতায় বর্তমান যুগের মনুষ্যত্বহীন যান্ত্রিক রূপটির কথা কবি বলেছেন। প্রেম, স্বপ্ন, সৌন্দর্য, সংগতি কোনো কিছুরই মূল্য এ ব্যাঘ্রযুগে নেই। বুনোপথের রহস্যময় পরিবেশ, চাঁদের আলোয় ঘাই হরিণীর ডাকে হরিণের অসঙ্গ লিপ্সায় যে রাত্রির ঐক্যতান সৃষ্টি হয়ে ছিলো, তা শিকারির গুলির যান্ত্রিক আঘাতে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেলো। এই রুচিহীন, সৌন্দর্যহীন, হৃদয়হীন যুগ কবিকে বারবার আঘাত দিয়েছে। 

কবি আপন অনুভূতিশীল মনকে মৃত হরিণের সঙ্গে একাত্ম করে দেখেছেন, বসন্তের জ্যোৎস্নায় অই মৃত মৃগদের মতো/আমরা সবাই। (ক্যাম্পে-ধূসর পান্ডুলিপি) শিকার কবিতাটির মধ্যে বন্দুকের প্রতিকটি আরো স্বপ্ন ভাষণে আধুনিক ভঙ্গিতে ব্যবহার করা হয়েছে। শিকার করছি আমরা নিজেকেই-নিজেরই জীবনের শান্তি, প্রেম, সৌন্দর্যকে। যেমন-সিগারেটের ধোঁয়া, টেরিকাটা কয়েকটা মানুষের মাথা; এলোমেলো কয়েকটা বন্দুক হিম-নিঃশব্দ নিরপরাধ ঘুম। (শিকার, বনলতা সেন) 
আমি যদি হতাম কবিতায় বনহংস হওয়ার সাধের মধ্যে রূঢ় পৃথিবী ত্যাগের বাসনা সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। অথবা, বনলতা সেন'র কমলালেবু বা রূপসী বাংলা'র আবার আসিব ফিরে কবিতা স্মরণ করা যায়- আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয়-হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে (রূপসি বাংলা)

মৃত্যুলোকের রহস্যবৃত শঙ্খমালা কবিতাটি কবির নিঃসঙ্গ-বিষণ্ন মৃত্যুচেতনার অর্থবোধ কোথাও আটকায় নি।

কড়ির মতন শাদা মুখ তার
দুইখানা হাত তার হিম,
চোখে তার হিজল কাঠের
রক্তিম চিতা জ্বলে:

যে জীবনকে ঘিরে আমাদের আকাঙ্ক্ষা, আস্বাদ সে জীবনকে ঘিরে রয়েছে আমাদের মৃত্যুচেতনা। এই যে মৃত্যুবিস্মৃতি তা কিন্তু বস্তুত একটা আত্মছলনা। ভয়ের বদলে প্রবল হয়েছে জীবনের পিপাসা। রোমান্টিক সৌন্দর্য চেতনার সারৎসারে মৃত্যু নিজেও বুঝি রূপ দেখে বিস্ময়া স্থগিত। কবি জীবনানন্দ দাশ শেষ পর্যন্ত ‘সাতটি তারার তিমির পৃথিবী’র সময়ের কাছে কবিতায় মৃত্যুচেতনাবোধের ভেতরেও জয়ের অরুণোদয় দেখতে পান এভাবে-

চলছে নক্ষত্র, রাত্রি, সিন্ধু রীতি, মানুষের বিষয়, হৃদয়;
জয় অস্তসূর্য, জয়, অলক অরুণোদয় জয়।

আবার ‘মনে হয় একদিন’ কবিতায় কবি লিখেন-
মৃত্যুরে কে মনে রাখে ?… কীর্তিনাশা খুঁড়ে খুঁড়ে চলে বারো মাস
নতুন ডাঙার দিকে – পিছনের অবিরল মৃত চর বিনা
দিন তার কেটে যায় – শুকতারা নিভে গেলে কাঁদে কি আকাশ?

জীবনানন্দের ডাকনাম ছিলো মিলু। ১৯০৮ সালে জানুয়ারিতে তাকে ব্রজমোহন স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে ভর্তি করানো হয়। এসময়েই তার বাংলা ও ইংরেজিতে রচনার সূচনা হয়, এছাড়াও ছবি আঁকার দিকেও তার ঝোঁক ছিল। ১৯১৫ সালে তিনি ব্রজমোহন বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগসহ ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করেন। ১৯১৭ সালে ব্রজমোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ লাভ করেন। এরপর তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। ১৯১৯ সালে ইংরেজিতে অনার্সসহ বিএ পাশ করেন। ১৯২১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে দ্বিতীয় বিভাগসহ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্রহ্মবাদী পত্রিকার ১৩২৬ সনের (১৯১৯ সাল) বৈশাখ সংখ্যায় প্রথমবারের মতো তার লেখা একটি কবিতা প্রকাশিত হয়। কবিতাটির নাম ‘বর্ষা আবাহন’। ১৬ জুন ১৯২৫ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুতে তিনি ‘দেশবন্ধুর প্রয়াণে’ শিরোনামে একটি কবিতা লিখেছিলেন যা বঙ্গবাণী পত্রিকার ১৩৩২ সনের শ্রাবণ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। মূলতঃ দীনেশরঞ্জন দাসের কল্লোল পত্রিকায় ১৩৩২ (১৯২৬) ফাল্গুন সংখ্যায় প্রকাশিত নীলিমা কবিতাটি দিয়ে আধুনিক বাংলা কবিতার ভূবনে তার আগমন।

জীবদ্দশায় তার ৭টি কবিতার সংকলন প্রকাশিত হয়। প্রথম প্রকাশিত বই ঝরাপালক (১৯২৭)। দ্বিতীয় সংকলন ধূসর পাণ্ডুলিপিতে (১৯৩৬) তাঁর কাব্য স্বকীয়তা ফুটে ওঠে। জীবদ্দশায় তার প্রকাশিত অন্যান্য সংকলন হলো বনলতা সেন (১৯৪২, কবিতাভবন সংস্করণ), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), বনলতা সেন (১৯৫২, সিগনেট প্রেস সংস্করণ) ও জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৫৪)।

সাড়ে আটশ’র বেশি কবিতা লিখলেও জীবদ্দশায় মাত্র ২৬২টি কবিতা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও বইয়ে প্রকাশ করতে দিয়েছিলেন। এমনকি বিখ্যাত রূপসী বাংলা’র পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত থাকলেও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। মৃত্যুর পর প্রকাশিত কবিতা সংকলনের মধ্যে রয়েছে রূপসী বাংলা (১৯৫৭), বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৬১), সুদর্শনা (১৯৭৪), আলো পৃথিবী (১৯৮১), মনোবিহঙ্গম ও অপ্রকাশিত একান্ন (১৯৯৯)। ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা তার কবিতা ও রচনাসমগ্র প্রকাশ করেছে।

এছাড়া গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, লিটরেরি নোটস লিখেছিলেন প্রচুর- যার একটিও প্রকাশের ব্যবস্থা নেননি। সেগুলোর বড় অংশ তার মৃত্যু পরবর্তীকালে বই আকারে প্রকাশিত হয়।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2