শিরোনাম:

এক বছরে ৩৩ শতাংশ আয় বেড়েছে স্থলবন্দরের

নিউজ ডেস্ক
১৪ অক্টোবর ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 2:59 আপডেট: 5:31
এক বছরে ৩৩ শতাংশ আয় বেড়েছে স্থলবন্দরের

বিদায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশের স্থলবন্দরগুলো ১শ’ ৪৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা আয় করেছে। এর আগের ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আয়ের পরিমাণ ছিল ১১১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। সেই হিসেবে এক বছরে স্থলবন্দরগুলোর আয় বেড়েছে ৩৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, বিগত অর্থবছরে স্থলবন্দর থেকে যত আয় হয়েছে,এর ৮৪ শতাংশই এসেছে তিনটি স্থলবন্দর থেকে। স্থলবন্দরগুলো হলো বেনাপোল,বুড়িমারী ও ভোমরা। বরাবরের মতো গত অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি মাশুল আদায় হয়েছে বেনাপোল স্থলবন্দরে। এই স্থলবন্দরের আয় ৪৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা। বুড়িমারী ৪৬ কোটি ২৪ লাখ ও ভোমরা ২১ কোটি টাকা আয় করেছে।

অন্যান্যা স্থলবন্দরের মধ্যে সোনামসজিদ স্থলবন্দর ৩ কোটি ৮২ লাখ,তামাবিল ৬ কোটি ৪৬ লাখ,হিলি ৬ কোটি ৭ লাখ,টেকনাফ ৪ কোটি ৭৪ লাখ,বাংলাবান্ধা ৪৭ লাখ,আখাউড়া ৫ লাখ,নাঁকুগাও ১১ লাখ ও বিবিরবাজার ১ লাখ টাকা।

স্থলবন্দরের আয়ের প্রধান উৎসগুলো হলো খালাস হওয়ার অপেক্ষায় থাকা পণ্যের জন্য শেড ও ইয়ার্ড ভাড়া, ওজন মাপার মাশুল, প্রবেশ মাশুল, শ্রমিক মজুরী, দলিলাদি প্রক্রিয়াকরণ মাশুল ইত্যাদি।

দেশে বর্তমানে ২৩টি স্থলবন্দর আছে। এর মধ্যে ১২টি স্থলবন্দর কার্যকর আছে। বাকিগুলো এখনো শুল্কস্টেশনের মতো চলে। স্থলবন্দর দিয়ে মূলত স্থলপথে আমদানি-রফতানি হয়। প্রায় ৯৮ ভাগ পণ্যই আমদানি-রফতানি হয় ভারতের সঙ্গে। মিয়ানমারের সঙ্গে হয় ২ শতাংশের মত।

উল্লেখ্য,বার্ষিক আয় দিয়েই স্থলবন্দরগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা,উন্নয়নসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করা হয়। বাকী অর্থ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের স্থায়ী আমানতে রাখা হয় এবং সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারের কোষাগারে ৩১ কোটি ১৩ লাখ টাকা জমা দেওয়া হয়।

ভারতসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য সহজ করতে ২০০১ সালে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়।

ব্রেকিংনিউজ/এমজি

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2