শিরোনাম:

রোহিঙ্গাদের জন্য প্রস্তুত ভাসান চর: মায়া

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ অক্টোবর ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 3:45
রোহিঙ্গাদের জন্য প্রস্তুত ভাসান চর: মায়া

মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী বসবাসের জন্য নোয়াখালীর ভাসান চরে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। তিনি জানান, আপাতত পঁচিশ হাজার  রোহিঙ্গা পরিবার ভাসান চরে বসবাসের সুযোগ পাবেন। 

বৃহস্পতিবার (১১ অক্টোবর) সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘তিতলি’র প্রস্তুতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

ভাসান চরে রোহিঙ্গা পুনর্বাসন কার্যক্রম সম্পর্কে মায়া বলেন, ‘সব রেডি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেদিন বলবেন, সেদিনই। আমরা প্রস্তুত। আমি নৌবাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই, অল্প সময়ে ওই জায়গাটা তারা তৈরি করেছে। না গেলে বুঝতে পারবেন না।’

ভাসান চরে সব মিলিয়ে সেখানে এক লাখ রোহিঙ্গার অস্থায়ী বসবাসের সুযোগ হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা মিয়ানমারের নাগরিক, তারা ওই দেশের নাগরিক হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে ওই দেশে ফিরে যাবে- এটাই আমরা চাই।’

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও মানবতাবিরোধী ধ্বংসযজ্ঞের কারণে রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলা এবং বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যাংছড়ি উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

মিয়ানমারের সীমান্তে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর চেকপোস্টে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে নতুন করে রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর অভিযান চালাচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনী। তখন থেকে রোহিঙ্গারা জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে। বাংলাদেশে এখন ১১ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত রোহিঙ্গা রয়েছে।

রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী বসবাসের জন্য সরকার নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভাসান চরকে বেঁছে নেয়। প্রাথমিকভাবে এক লাখ রোহিঙ্গার পুনর্বাসনের জন্য ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেয়া হয়। প্রকল্পটি ২০১৯ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে। 

রোহিঙ্গা পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় রয়েছে, চরের ভূমি উন্নয়ন ও তীররক্ষা বাঁধ নির্মাণ, এক হাজার ৪৪০টি ব্যারাক হাউস নির্মান। এছাড়াও থাকবে ১২০টি শেল্টার স্টেশন, মসজিদ, দ্বীপটির নিরাপত্তার জন্য নৌবাহিনীর অফিস ভবন ও কর্মকর্তাদের জন্য বাসভবন। থাকছে অভ্যন্তরীণ সড়ক, পানি সরবরাহ ও নিষ্কাশন অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি প্রকল্প এলাকায় থাকবে নলকূপ ও পুকুরসহ নানা সুবিধা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. শাহ কামাল, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের ডিজি (অপারেশন অ্যান্ড প্ল্যান) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এজাজুল বারী চৌধুরী

ব্রেকিংনিউজ/জেআই

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2