শিরোনাম:

রংপুর বিভাগে ১২৯০টি পূজা মণ্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রংপুর
৭ অক্টোবর ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 7:55
রংপুর বিভাগে ১২৯০টি পূজা মণ্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ

দেখতে দেখতে চলে আসলো বাঙালি হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। পূজা উপলক্ষে যাবতীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে। এ বছর রংপুর বিভাগে (মেট্রোপলিটন এলাকা বাদে) ৫ হাজার ৯৮টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে এক হাজার ২৯০ পূজামন্ডপ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

রংপুর বিভাগের পূজা মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‌্যাব, পুলিশের পাশাপশি ২৮ হাজারের বেশি আনসার দায়িত্ব পালন করবেন।  রবিবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ডিআইজি অফিসের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে ও উৎসবমূখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে ‘আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক বিশেষ সভায় রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য সভাপতির বক্তব্যে এসব তথ্য উপস্থাপন করেন। 

এছাড়াও উক্ত সভায় পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কর্মস্পৃহা ও কর্মচাঞ্চল্য বাড়ানোর লক্ষ্যে সেপ্টেম্বর মাসে অত্র রেঞ্জের বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের কৃতিত্বপূর্ণ কর্মকান্ডের জন্য নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের হাতে রেঞ্জ ডিআইজি ক্রেস্ট তুলে দেন।

রংপুর বিভাগের মধ্যে দিনাজপুরে সবচেয়ে বেশি স্থানে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং সবচেয়ে কম পূজামণ্ডপ ঠাকুরগাঁও জেলায়। রংপুর জেলায় মোট পূজা মণ্ডপ ৭৩৪টি। এর মধ্যে সাধারণ ৩৪৯টি, ঝুঁকিপূর্ণ ২১৪টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৭১টি। গাইবান্ধা জেলায় ৬১০টি মণ্ডপের মধ্যে সাধারণ ৩২৩টি, ঝুঁকিপূর্ণ ১৪৯টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৮টি। কুড়িগ্রামে মোট ৫২৫টি মণ্ডপের মধ্যে ২৪২টি সাধারণ, ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৭টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৮টি। লালমনিরহাটে ৪৩২টির মধ্যে সাধারণ ১৮৯টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১০৪টি। নীলফামারীতে ৮৫৪টির মধ্যে সাধারণ ৩৬৯টি, ঝুঁকিপূর্ণ ১৮৮টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৯৭টি। 

দিনাজপুরে মোট পূজা মণ্ডপ ১ হাজার ২১৪টি। এর মধ্যে সাধারণ ৬১৯টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৩২৩টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ২৭২টি। ঠাকুরগাঁওয়ে ৪৫৪টির মধ্যে সাধারণ ২১৯টি, ঝুঁকিপূর্ণ ১২৩টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১১২টি। পঞ্চগড় জেলায় ২৭৫টির মধ্যে সাধারণ ১২০টি, ঝুঁকিপূর্ণ ৮৫টি এবং অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৭০টি। 

এদিকে বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে দিনাজপুর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুশান্ত সরকার, শ্রেষ্ঠ সাব-ইন্সপেক্টর মাদক ও চোরাচালান মালামাল উদ্ধারকারী অফিসার হিসেবে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার এসআই মোঃ আকতার হোসেন, শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী কর্মকর্তা হিসেবে গাইবান্ধা সদর থানার এএসআই মোঃ আবদুল কুদ্দুছ, শ্রেষ্ঠ সহকারি সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার এএসআই মোঃ শওকত আলম সিদ্দিকী, শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক ইউনিট হিসেবে লালমনিরহাট ট্রাফিক, শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে নীলফামারী সদর থানা এবং শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে পুলিশ সুপার নীলফামারী নির্বাচিত হন। 
এছাড়াও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে মহাসড়কে ট্রাফিক সাইন লাগানোর জন্য লালমনিরহাট পুলিশ সুপার, ’নো হেলমেট, নো পেট্রোল’ এর ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য রংপুর পুলিশ সুপার এবং অস্ত্র উদ্ধারজনীত কারণে দিনাজপুর জেলার বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম গোলাম রসুল বিশেষ পুরষ্কারে পুরুষ্কৃত হন।


ব্রেকিংনিউজ/এসআর/জেআই


Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2