শিরোনাম:

বাংলাদেশকে ৪২০০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

৭ অক্টোবর ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 1:46 আপডেট: 2:43
বাংলাদেশকে ৪২০০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের তিনটি উন্নয়নে প্রকল্পে ৫১ কোটি ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। সামুদ্রিক মৎস্য, যোগাযোগ ও বন উন্নয়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেয়া হয়।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে জানানো হয়েছে, এ অর্থায়ন বাংলাদেশের পল্লী অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে। এর ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের সুযোগ বাড়বে। তাছাড়া মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি তাদের আশ্রয় নেয়া এলাকার উন্নয়নেও ব্যয় হবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান বলেন, এ তিন প্রকল্প পল্লী এলাকার লোকজন বিশেষ করে দারিদ্র্য ঝুঁকিতে থাকা লোকজনের দারিদ্র্য বিমোচন করবে। পাশাপাশি এ অর্থায়ন দেশের জলবায়ু পরিবর্তনে সহনশীলতা বাড়াবে।

সাড়ে ৫১ কোটি ডলারের মধ্যে ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার ব্যয় হবে টেকসই বনায়ন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রকল্পে। এ প্রকল্পের আওতায় বনায়ন বৃদ্ধির পাশাপাশি বন ব্যবস্থাপনার উন্নতি করা হবে।

প্রকল্পের আওতায় ৭৯ হাজার হেক্টর জমিতে গাছের চারা রোপণ করা হবে। বনায়নে উপকূলীয় অঞ্চলকে প্রাধান্য দেয়া হবে।

এ বিষয়ে প্রকল্পটির টিম লিডার বিশ্বব্যাংকের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ মাধাবি পিল্লাই বলেন, প্রকল্পের আওতায় উপকূল ও পাহাড়ি এলাকায় বনের ওপর নির্ভরশীল ৪০ হাজার পরিবারে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা হবে।

১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নেয়া কক্সবাজার এলাকায় প্রকল্পটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায় ১০ সংরক্ষিত বনের সুরক্ষায় প্রকল্পে বিশেষ উদ্যোগ থাকবে। টেকসই উপকূলীয় ও সামুদ্রিক মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্পে ২৪ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পের আওতায় মৎস্য ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানো হবে।

উপকূলীয় ১০ জেলায় প্রকল্পের আওতায় মৎস্যজীবীদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করা হবে। তাছাড়া নারী শ্রমিকদের দক্ষতা বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো হবে।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্পের টিম লিডার মিলেন ডিয়োলগেরভ বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তায় মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

ব্রেংকিংনিউজ/এমআই/এনকে

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2