শিরোনাম:

জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ, বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 4:49
জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ, বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস

চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশকালে এ তথ্য জানান হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের এ পূর্বাভাস গত অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির চেয়ে সামান্য বেশি। গত অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৮ হলে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। 

এর আগে বিশ্বব্যাংকেরই সহযোগী প্রতিষ্ঠান এশীয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)  চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৫ শতাংশ হবে পূর্বাভাস দিয়েছে। আর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, বিদায়ী (২০১৭-১৮) অর্থবছরে দেশে জিডিপির রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬ শতাংশ হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান, বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন, পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, পিপিআরসি'র নির্বাহী চেয়ারম্যান ও  অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান প্রমুখ।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, ‘জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.১, ৭.২, ৭.৬ এগুলো নিয়ে বিতর্ক নয় এগুলো ইউজলেস। আমাদের দেখতে হবে জিডিপির এই গ্রোথটা কোথায় ইমপ্যাক্ট করে। বেকারত্ব দূর হচ্ছে কি না, দারিদ্র দূর হচ্ছে কি না। টেকসই উন্নতি হচ্ছে কি না। জিডিপির প্রবৃদ্ধি বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে কি না।’

তিনি বলেন, ‘দেশের খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। এটা কমিয়ে আনতে হবে। খেলাপি ঋণ বাড়লে টেকসই উন্নয়ন হবে না।’

চিমিয়াও ফ্যান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়ন করছে। উন্নয়ন ধরে রাখতে সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। রফতানি ও রেমিটেন্সে প্রবৃদ্ধি যেন কমে না যায় সেদিকে নজর রাখতে হবে।’

এক প্রশ্নের জাবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে ব্যবসার পরিবেশ যেন খারাপ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অনিশ্চিত পরিবেশে কেউ ব্যবসায় আসবে না। বিনিয়োগ পরিবেশ যেন থাকে সেটা নিশ্চয়তা থাকতে হবে।’

খেলাপি ঋণের বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ ঋণ পুনঃতফসিলের কারণে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি বেড়ে যাবে। এতে বাজেটে চাপ বাড়বে। এজন্য আর্থিক খাতে সংস্কার আনতে হবে। খেলাপি ঋণের দিকে নজর দিতে হবে। এই মুহুর্তে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪ শতাংশে।

ব্রেকিংনিউজ/এমআই/জেআই

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2