শিরোনাম:

স্নিগ্ধা বাউলের ৩টি কবিতা

শিল্প-সাহিত্য ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 9:04
স্নিগ্ধা বাউলের ৩টি কবিতা

১.
চোখ বলে স্বাধীনতা

পুষ্ট শকুনের অন্ধকার পাখা নেমে আসে
খুবলে খায় মাটি আর সম্ভাবনার বীজ
অন্ধকার ভর করে উর্বর ভূমির কারুকাজে
মাতৃদুগ্ধ মাতৃভাষা আর ভূমির অধিকার নিমজ্জিত হয় লাজে
কবিতায় বলছি মুক্তিযুদ্ধের কথা
কবিতায় লিখছি স্বজন হারানোর ব্যথা;

কবিতা বুনছে অদেখা শত্রুর পাখনা
কবিতা স্মরণ করছে আত্মদানের বাহানা;

যুদ্ধ দেখিনি আমি
হত্যা দেখিনি আমি
রক্ত দিয়ে ইতিহাসও গড়িনি;
তবু মায়ের চোখে চোখ রেখেছি
অদেখা শত্রুকে চিনে ফেলেছি ।

২.
রূপান্তরিত প্রজাপতি

আমার খুব খরচ করতে ইচ্ছে করে
অসভ্য যৌবনের মতো
ঘাস ফড়িং রেখে বুনো প্রজাপতি আমার পছন্দ
তিতলি তিতলি খেলা;
আমি আকাশ দেখি খালি পায়ে
ভেজা মাটি  জাগায় মেঘের মায়া
বিকেলের মাঠে ফিরে যাই আমি
আশ্বিনের ঘাসের কাছে, সবুজ রঙের
পূজার জামার মতো জড়াই সমস্ত;
বললে প্রজাপতি ভালোবাসো—
রঙ মেখে মেতে উঠবে আঁচলের ’পর—

সেই থেকে আমি বেখরচা;
কেবল খোলস ছেড়ে চলে গেছো তুমি
মথের রাজ্যে;
বেহায়া আকাশ আমার ঢেকেছে 
ছাদের সাম্রাজ্যে।

৩.
আলোর বীজ

উত্তেজিত শিশ্নের মতো ধেয়ে আসছে চাঁদ
খুবলে খাবে অভুক্ত পাঁজর—
অন্ধকারের ত্রিসীমানা
আলো আসছে আলো—
জন্মের নতুন সূত্র।
সীমাহীন ইতিহাসের বিরদ্ধাচরণ
আজ 
পূর্ণিমার রাত জুড়ে;
মুঠো ভরতি জ্যোৎস্নার বাকবাকুম শঙ্কা ছেড়ে—
এ ধারে চলে আসো পুরুষ  
আলোতে মাখো বিলাস রতি
অন্ধকারে নয়, আলোতে হোক জন্ম কথা।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2