শিরোনাম:

তৃতীয় দিনেও বেনাপোলে আমদানি-রফতানি বন্ধ

মহসিন মিলন, বেনাপোল প্রতিনিধি
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 7:20
তৃতীয় দিনেও বেনাপোলে আমদানি-রফতানি বন্ধ

যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে গত ৩ দিনেও চালু হয়নি দু’দেশের মধ্যেকার আমদানি-রফতানি বাণিজ্য। সোমবার সকালে (২৪ সেপ্টেম্বর) দু’দেশের ব্যবসায়ী, বন্দর শ্রমিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ৩ ঘন্টার যৌথ সভা কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে।

দু’দেশের ব্যবসায়ী, বন্দর শ্রমিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা আমদানি রফতানি চালু করার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও ভারতের বনগাঁও পৌরসভার মেয়রের হস্তক্ষেপে তা বাতিল হয়ে যায়।

বেনাপোল বন্দরে লেবারদের হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদে গত শনিবার দুপুর থেকে ভারতীয় ট্রাক শ্রমিক সংগঠন এবং মালিক সমিতি বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়।

ধর্মঘটের কারণে বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দর এলাকায় আমদানি রফতানি পণ্য বোঝাই কয়েক হাজার ট্রাক আটকা পড়েছে। বেনাপোল থেকে কোনো পণ্যচালানও যায়নি ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে। তবে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকলেও বেনাপোল বন্দর থেকে পণ্য খালাসের ও দু’দেশের মধ্যে পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

ভারতীয় ট্রাক শ্রমিকরা অভিযোগ করছেন, সেদেশ থেকে রফতানি করা পণ্য নিয়ে বেনাপোল বন্দরে আসার পর তাদের উপর শুরু হয় নানা হয়রানিসহ দুর্ব্যবহার। নিয়ম মাফিক বকশিসের টাকা দিলেও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের জন্য জটিলতা সৃষ্টি করা হয়।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি কামল উদ্দিন শিমুল জানান, ‘ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে বনগাঁও পৌর মেয়রের যোগসাজসে কিছু লোকাল ট্রাকমালিক ও শ্রমিকনেতা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন অজুহাতে আমদানি রফতানি বন্ধ করে ট্রাক জট সৃষ্টি করে ট্রাক প্রতি ২ হাজার টাকা করে ডেমারেজ আদায় করে আসছেন দীর্ঘদিন থেকে। ডেমারেজের পুরো টাকা বাংলাদেশের আমদানিকারকদের কাছ থেকে নেয়া হয়।’

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সোমবার সকালে দু’দেশের ব্যবসায়ী, বন্দর শ্রমিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ৩ ঘন্টার যৌথ সভা কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। দুই দেশের শ্রমিকদের কোন্দলের কারণে শনিবার দুপুর থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। তবে বন্দরের অভ্যন্তরে মালামাল খালাশ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রয়েছে।’

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার বেলাল হোসেন চৌধুরী জানান, ‘বেনাপোল বন্দর দিয়ে সরকার প্রতি বছর সাড়ে পাচ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করে থাকে। এভাবে ঘন ঘন আমদানি রফতানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পুরণ সম্ভব নয়।’

ব্রেকিংনিউজ/এনএসএন

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
সর্বাধিক পঠিত
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2