শিরোনাম:

‘গায়েবি’ মামলায় ঘরছাড়া ৪৫০ নেতাকর্মী

স্টাফ করেসপডেন্ট
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 9:24 আপডেট: 12:44
‘গায়েবি’ মামলায় ঘরছাড়া ৪৫০ নেতাকর্মী

গত এক সপ্তাহে সিলেটে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ৬টি মামলা দেয়া হয়েছে। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ৪৫০ নেতাকর্মীকে। ইউনিয়ন, উপজেলা, মহানগর ও জেলা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাদেরও নাম রয়েছে মামলায়।

মামলা পরপরই ধরপাকড় শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রাতে নেতাকর্মীরা বাড়িতে থাকছেন না, দিনের বেলাও থাকছেন পর্দার আড়ালে। আর মামলা দায়েরের পর পুলিশ এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ করছে, চালাচ্ছে তল্লাশিও। এই অবস্থায় মামলা আতঙ্ক বিরাজ করছে সিলেট বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে।

বিএনপি নেতাদের অভিযোগ- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হয়রানি করতেই এসব ‘গায়েবি’ মামলা দেয়া হচ্ছে। অথচ মামলায় যেসব ঘটনা ও দিন উল্লেখ্য করা হয়েছে। সেসব দিনে অনেক নেতাই সিলেটে ছিলেন না। তারা সাংগঠনিক কাজে ঢাকায় ছিলেন।

মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, ‘৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে সব মামলার কাহিনীই মিথ্যা। কোনো ঘটনা ঘটেনি। মামলা দায়েরের পর পুলিশ বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালাচ্ছে। এতে করে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ফেরারি জীবনযাপন করছে। তবে মামলা দিয়ে চেয়ারপারসনের মুক্তির আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না। সিলেট বিএনপি রাজপথের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকবে।’

বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা জানিয়েছেন, ‘নগরীর ২৭ ওয়ার্ডের প্রায় সবকটি ইউনিটের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক সহ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে মামলায়। এসব মামলা এবং পুলিশের অভিযানের প্রেক্ষিতে পাড়াভিত্তিক অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।’ কেউ কেউ হজে থেকেও মামলার আসামি হয়েছেন বলে দাবি করেন তারা। 

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপ বাসায় পুলিশি অভিযানের ঘটনায় দায়ের করা সিলেটের কোতোয়ালি থানার মামলায় শীর্ষ ব্যক্তিদের আসামি হয়েছেন। এ ছাড়া শাহপরান থানায় টিলাগড়, শিবগঞ্জ, টুলটিকর এলাকায় বিএনপি’র নেতারা আসামি হয়েছেন। পাশাপাশি ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দও আসামি।

এয়ারপোর্ট থানায় দায়ের করা মামলায় নগরীর আম্বরখানা, চৌকিদেখি, সাপ্লাই, বড়বাজার, শাহী ঈদগাহ এলাকার নেতাকর্মীরা আসামি হন। জালালাবাদ থানায় নগরীর মদিনা মার্কেট, পাঠানটুলা, আখালিয়া, হাওলাদারপাড়ার নেতাকর্মীরা আসামি হয়েছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ সুরমা ও মোগলাবাজার থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় দক্ষিণ সুরমার প্রায় সব নেতাকর্মীকেই আসামি করা হয়েছে। দায়ের করা ৬টি মামলায় পুলিশ ৪৫০ জনের নাম উল্লেখ করলেও অজ্ঞাত রেখেছে আরো প্রায় ৩০০ জনকে। 

এদিকে আটক ৪ ছাত্রদল নেতাকে রবিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সিলেটের এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাইম বিল্লাহর আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হয়। তবে আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। 

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2