শিরোনাম:

দ্বন্দ্ব নিরসনে তাবলিগকে সরকারের ৫ নির্দেশনা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 9:08
দ্বন্দ্ব নিরসনে তাবলিগকে সরকারের ৫ নির্দেশনা

তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাবলিগ জামাতে চলমান দ্বন্দ নিরসনের লক্ষ্যে নির্দেশনা দিয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

গত বছর টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার আগে ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধে জড়িয়ে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে গেছে বাংলাদেশের তাবলিগ জামাত। এরপর সাদ বিরোধীরা তাকে ইজতিমায় অংশ নিতে দেয়নি।  এর জেরে কাকরাইল মসজিদে তাবলিগ জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব দেলোয়ারা বেগমের সই করা পরিপত্রটি এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানের তাবলিগের মারকাজগুলোতে ডাকযোগে পাঠানো হয়েছে। একই পরিপত্র সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। 

তাবলিগের সংকট নিরসনে সরকারের পাঁচ নির্দেশনা হলো—

১. বর্তমানে তাবলিগে বিদ্যমান দুটি পক্ষ সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শক্রমে কাকরাইল মসজিদ ও টঙ্গী ইজতেমা ময়দানসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলা মারকাজে সপ্তাহের ভিন্ন ভিন্ন দিনে তাদের কার্যক্রম (সাপ্তাহিক বাণী ও রাত্রিযাপন, পরামর্শ ও তালিম, মাসিক জোড় ইত্যাদি) পরিচালনা করবে।
তবে কোনও পক্ষ চাইলে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে পরামর্শক্রমে মারকাজ ব্যাতিত অন্য কোনও মসজিদে বা জায়গাতেও তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।

২. তাবলিগের আদর্শ ও চিরাচরিত রীতিনীতি অনুযায়ী কোনও পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে কোনও ধরনের লিখিত বা মৌখিক অপপ্রচার চালাবে না।

৩. দেশের সব মসজিদে আগের মতো শান্তিপূর্ণভাবে দাওয়াতি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সে লক্ষ্যে যেকোনও মসজিদে উভয় পক্ষের জামাতই যেতে পারবে। এতে কোনও পক্ষই কাউকে বাধা দেবে না। তবে একই সময়ে দুই পক্ষের দেশি ও বিদেশি জামাত একই মসজিদে অবস্থান করা যুক্তিসংগত হবে না। এক্ষেত্রে যে পক্ষের জামাত আগে আসবে সেই পক্ষের জামাত অবস্থান করবে। অন্য পক্ষের জামাত আশপাশের অন্য কোনও সুবিধাজনক মসজিদে যাবে।

৪. উভয় পক্ষ তাদের ইজতেমা বা জোড়ে তাবলিগের দেশি-বিদেশি মুরুব্বিদের আমন্ত্রণ জানাতে পারবে। এতে একপক্ষ অন্য পক্ষের কার্যক্রমে কোনও ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।

৫. কোনও এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে কোনও বিরোধ দেখা দিলে স্থানীয় প্রশাসন উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবে।

ব্রেকিংনিউজ/জেআই

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2