শিরোনাম:

ঘুরতে যেতে পারেন নেওয়াবাড়ি টিলায়

পরিবেশ-পর্যটন ডেস্ক
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 10:05
ঘুরতে যেতে পারেন নেওয়াবাড়ি টিলায়

ঘুরতে যেতে কার না ভাল লাগে। তবে ঘুরতে যাওয়ার স্থান নিয়ে থাকে পার্থক্য। কারো ভাল লাগে পাহাড় আবার কারো সমূদ্র। কেও আবার প্রকৃতির কাছে না গিয়ে যান বিশ্বের বিশ্বের নানান শহরে। যারা প্রকৃতি ভালবাসেন তারা যেতে পারেন নোওয়াবাড়ি টিলায়। পাহাড়ের চূড়ায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নেওয়াবাড়ি টিলা। নাম শুনে মনে হতে পারে- এটি কোনো বাড়ি বা আবাসিক স্থান। আসলে এটি তা নয়। মূলত এটি একটি পাহাড়ি টিলা। এ টিলা ভ্রমণে আপনাকে অনাবিল আনন্দ দিতে পারে। তাই সময়-সুযোগ পেলে ঘুরে আসুন। 

অবস্থান: নেওয়াবাড়ি টিলা শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার গারো পাহাড়ে অবস্থিত। ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেঁষা শ্রীবরদী একটি সীমান্তবর্তী এলাকা। শেরপুর জেলা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার উত্তরে নেওয়াবাড়ি টিলার অবস্থান।

নামকরণ: আঞ্চলিক ভাষায় লতাকে ‘নেওয়া’ বলা হয়। যে কারণে টিলাটি নেওয়াবাড়ি টিলা হিসেবে ওই অঞ্চলের মানুষের কাছে পরিচিত।

বৈশিষ্ট্য: টিলার প্রায় ২০ একর সমতল ভূমিজুড়ে রয়েছে সবুজের সমারোহ। আশির দশকে ময়মনসিংহ বন বিভাগের বালিজুড়ি রেঞ্জের আওতায় এখানে গড়ে ওঠে উডলট বাগান। এর চারদিকে বসবাস করে গারো, কোচ, হাজং, বানাই ও মুসলমান সম্প্রদায়।

সৌন্দর্য: সবুজ গালিচায় মোড়া টিলায় উঠলে মনে হবে পাহাড় যেন আকাশের সাথে মিশে গেছে। এখানে সারাক্ষণ বিভিন্ন প্রজাতির পাখির কিচিরমিচির শোনা যায়। পাহাড়ের চূড়ায় এমন সমতল ভূমি বৃহত্তর ময়মনসিংহের আর কোন পাহাড়ে নেই।
যাওয়ার উপায়: ঢাকা মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে শেরপুর জেলা সদরে যেতে পারবেন। রয়েছে বেশ কিছু ভালো বাস সার্ভিস। এদের মধ্যে নন এসি- সাদিকা, বধুয়া, শাহীমনি, সোনার বাংলা, ও স্পেশাল ড্রীমল্যান্ড সার্ভিস উল্লেখযোগ্য। জনপ্রতি ভাড়া হচ্ছে ২৫০ - ৩০০ টাকা। এসি সার্ভিস জনপ্রতি ভাড়া হচ্ছে ৪০০ টাকা। এরপর সিএনজি যোগে শেরপুর জেলা শহরের খোয়ারপাড় এলাকা থেকে শ্রীবরদী সড়ক হয়ে সোজা উত্তরে শ্রীবরদী পৌর শহরের উপর দিয়ে বালিজুড়ি রেঞ্জ অফিসে যেতে হবে। রেঞ্জ অফিসের পশ্চিম পাশেই এ টিলা।

থাকবেন যেখানে: কেউ যদি শেরপুর এসে রাত্রিযাপন করতে চান তবে শেরপুর জেলা সদরেই থাকতে হবে। কারণ সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকার কোনো স্পটেই রাত্রীযাপনের কোনো ব্যবস্থা বা অনুমতি নেই। শেরপুর জেলা শহরে হাতে আবাসিক হোটেল ছাড়াও ভিআইপিদের জন্য জেলা সার্কিট হাউজ, জেলা পরিষদ ও এলজিইডির রেস্ট হাউজ রয়েছে। হোটেলের মধ্যে হোটেল সম্পদ ও কাকলি গেস্ট হাউজ অন্যতম। এসব হোটেলের রুম ভাড়া নন এসি ডাবল ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। তবে এসি রুমের ভাড়া ৮০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত।

খাবেন যেখানে: শেরপুর জেলা শহরে ভালো মানের খাবার হোটেল রয়েছে ৪ থেকে ৫টি। সকালের নাস্তায় শেরপুর শহরের কাকলি মার্কেট এর নিচে প্রিন্স হোটেলের ভুনা খিচুরি খেতে ভুলবেন না। দুপুর ও রাতে খাবার জন্য নিউ মার্কেট এর হোটেল শাহজাহান, শাহী খানা খাজানা, বাগান বাড়ি রেস্টুরেন্ট, হোটেল আহার কিংবা কাকলী মার্কেটের হোটেল প্রিন্স বিখ্যাত।এসব হোটেল অগ্রীম বুকিং ও অর্ডার সরবরাহ করা হয়।

ব্রেকিংনিউজ/জেআই 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2