শিরোনাম:

নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে: জাফরুল্লাহ

শেখ হেদায়েতুল্লাহ, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 10:32 আপডেট: 2:28
নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে: জাফরুল্লাহ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, দেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হলে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘সংবিধানে রয়েছে, সংসদ রেখে কোনো নির্বাচন হবে না। বঙ্গবন্ধু নিজেই সংসদ ভেঙে নির্বাচন দিয়েছিলেন। সুতরাং সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সংসদ ভেঙে দিতে হবে।’  মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে খুলনা নগরের শহীদ হাদিস পার্কে যুক্তফ্রন্টের জনসভায় এ কথা বলেন ।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বিশ্বাস করে না। তাঁরা বঙ্গবন্ধুর নাম বিক্রি করে খায়। বঙ্গবন্ধু নিজেই সংসদ ভেঙে নির্বাচন দিয়েছিলেন। সংবিধান হবে সংবিধানের মতো, আর সুষ্ঠু নির্বাচন হলো সংবিধানের অন্যতম শর্ত।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গণফোরামের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘দেশে বর্তমানে ব্যাংক ডাকাতি হচ্ছে, কলকারখানা বন্ধ হচ্ছে। কিন্তু এ দেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। রাষ্ট্র আছে, সংবিধান আছে, কিন্তু তা পালনে সরকারের কোনো দায়িত্ব নেই।’

ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘গত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর আদালত আমাকে ডেকেছিলেন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না, তা জানতে। তখন সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এটা একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। দ্রুত সময়ের মধ্যে সবার অংশগ্রহণে আবার নির্বাচন দেওয়া হবে। এ কথাটি আদালতে সংরক্ষিত আছে। যদি কেউ ভুলে গিয়ে থাকেন, তাহলে আদালতে গিয়ে দেখতে পারেন। কিন্তু পরবর্তী সময় ওই কথা ভুলে যাওয়া হয়েছে।’ 

শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ১৭৩ দিন রাজপথে ছিলেন। কিন্তু বর্তমানে কেন ওই পথ থেকে সরে আসছেন?’ 

নির্বাচনের ইভিএম ব্যবহার করা নিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘ইভিএমে কারচুপি হয় বলে সবাই জানে। বিশ্বের অনেক দেশ কোটি কোটি টাকা খরচ করে পরে ইভিএম-পদ্ধতি থেকে সরে এসেছে। কিন্তু বর্তমান সরকারের মানুষের ভোটের প্রতি আস্থা নেই। এ কারণে তাঁরা যন্ত্রের সাহায্য নিতে যাচ্ছে।’

প্রধান অতিথি হিসেবে জনসভায়  উপস্থিত থাকার কথা ছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি ও যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর। কিন্তু তিনি জনসভায় উপস্থিত ছিলেন না। 

খুলনা জেলা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ ফ ম মহসিনের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউল করিম ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা নগর সভাপতি লোকমান হাকিম, বিকল্পধারার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

ব্রেকিংনিউজ/এসএইচ/জেআই 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2