শিরোনাম:

ভাইয়ের শ্বশুরকে বিয়ে করলেন যুবতী ছোট বোন

রকমারি ডেস্ক
১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 4:45
ভাইয়ের শ্বশুরকে বিয়ে করলেন যুবতী ছোট বোন

ওয়াজির আহমেদ নামে একজন প্রৌড় পুরুষের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল সাবিল নামে এক স্বামী পরিত্যক্তা যুবতীর। ওয়াজির অনেকদিন থেকেই সাবিলকে বিয়ে করতে চাইছিল। উদ্দেশ্য পুত্র সন্তানের বাবা হওয়া। কারণ, ওয়াজিরের প্রথম স্ত্রীর ঘরে পুত্র সন্তান ছিল না। ওয়াজির ভেবেছিল- সাবিলকে বিয়ে করলেও সে তাকে পুত্র সন্তান উপহার দিতে পারবে। 

বিয়েতে রাজি হয়ে যান সাবিল। কিন্তু শর্ত বেঁধে দেন। ওয়াজিরের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর ঘরে ১৩ বছরের এক মেয়ে ছিল। সাবিলের শর্ত ছিল- তার পঙ্গু ভাই মহম্মদ রমজানের সঙ্গে ওয়াজিরকে ওই মেয়ের বিয়ে দিতে হবে। তবেই ওয়াজিরকে বিয়ে করবেন সাবিল। 

যুবতী সাবিলকে স্ত্রী হিসেবে পাওয়ার নেশায় বুদ ওয়াজির কোনও কিছু না ভেবেই শর্তে সম্মত হয়। নিজের ১৩ বছরের মেয় সাইমাকে বিয়ে দেয় সাবিলের পঙ্গু ভাই রমজানের সঙ্গে। রমজানের বয়স ৩৬ বছর। শর্ত মোতাবেক সেই বিয়ের আসরেই ওয়াজিরকে বিয়ে করেন সাবিল।

সম্প্রতি পাকিস্তানের পাকিস্তানের জামপুরে ঘটে যাওয়া এমন ঘটনায় সোস্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো তোলপাড় পড়ে গেছে। আর সেটা হল ভাই-এর শ্বশুরকে বোনের বিয়ে করার ঘটনায়। কেউ কেউ বিষয়টিকে সম্পর্কের নোংরামি হিসেবেও দেখছেন। 

তবে ওয়াজিরের পরিবারের দাবি- তাদের সমাজে এমন বিয়ে প্রচলিত। কিন্তু পুলিশ ওয়াজিরের কোনও যুক্তিতেই কান দিচ্ছে না। এক পর্যায়ে ওয়াজিরকে গ্রেফতার করা হলেও পরে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। 

গ্রেফতারের সময় ওয়াজিরের বিরুদ্ধে নাবালিকা কন্যাকে বিয়ে দেয়ার অভিযোগ আনা হয়। তবে স্বামী ও বাবাকে আইনের হাত থেকে বাঁচাতে আদালতে মিথ্যা বলে সাইমা। জানায় তার বয়স ১৬ বছর। পাকিস্তানের আইনে মহিলাদের বিয়ের আইনি বয়স ১৬। 

তবে সাইমার মা জন্নাত স্বামী ওয়াজিরের কাজে গর্বই অনুভব করছেন। তার দাবি, মেয়েরা যৌবনপ্রাপ্ত হলেই তাদের বিয়ে দেয়াটা রীতি। তাদের সমাজে নিকট আত্মীয়দের মধ্যে বর-কনে আদান প্রদান করার প্রচলন বহুদিনের। 

এদিকে ছোট্ট সাইমার দুরাবস্থা নিয়ে ইতোমধ্যেই সরব হয়েছে দেশটির বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। এমন বয়সে মেয়েদের বিয়ের স্বীকৃতি না দিতেও সোচ্চার তারা। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2