শিরোনাম:

সিলেট বিএনপি সভাপতির বাসায় পুলিশের অভিযান, ফাঁকা গুলি

সিলেট প্রতিনিধি
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 10:39
সিলেট বিএনপি সভাপতির বাসায় পুলিশের অভিযান, ফাঁকা গুলি

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরীর বাসার হঠাৎ অভিযান চালিয়ে পাঁচজন কর্মীকে আটক করেছে সিলেট পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রবিবার ( ১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর নগরের সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ি পার্শ্ববর্তী যতরপুরে জেলা বিএনপির সভাপতির বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সময় অবশ্য বাসায় তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া আবুল কাহের চৌধুরী ও তাঁর পরিবারের সদস্য কেউ বাসায় ছিলেন না।

সরেজমিনে গেলে এলাকার বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে হঠাৎ গুলির শব্দে আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শেষে বিএনপি নেতা আবুল কাহের চৌধুরীর বাসায় একদল পুলিশ ঢুকে পাঁচজনকে আটক করে নিয়ে যায়।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি নেতার বাসায় নাশকতার পরিকল্পনায় একটি বৈঠক হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ আগেই অবস্থান নেয়। এ সময় একদল যুবকের সঙ্গে পুলিশের বচসার জের ধরে পুলিশের ওপর হামলার চেষ্টা হয়। পরে পুলিশ ১২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। শেষে বিএনপি নেতার বাসায় ঢুকে পাঁচজন কর্মীকে আটক করা হয়।’ 

ঘটনার সূত্রপাত কী করে তা  জানতে চাইলে বিএনপি নেতার বাসার পাশের কোতোয়ালি থানার ইনচার্জ এসআই কামাল বলেন, ‘২০ থেকে ২৫ জন যুবক বাসার সামনে অবস্থান নিয়ে ফাঁড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন। তাদের কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একজন ‘সরকার দলের গোলাম’ বলে পুলিশকে গালি দেন। গালি দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে যুবকেরা উল্টো পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে পুলিশের ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশা (নম্বর সিলেট থ ১২-৭১৬৬) ভাঙচুর করেন। এ সময় পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়েছেন।’ আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে ফাঁড়ি ইনচার্জ জানান।

আবুল কাহের চৌধুরীর বাসার তত্ত্বাবধায়ক জানান, ‘পুলিশের ওপর হামলা কারা করেছিল, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তার বাসার মালিক (বিএনপি নেতা আবুল কাহের চৌধুরী) পরিবারসহ এক মাস ধরে বাসায় থাকছেন না। এ জন্য বাসাটি খালি পড়ে আছে। তিনি দাবি করেন, মাগরিবের নামাজের জন্য বাসার বাইরে গিয়ে গুলির শব্দ শুনে ফিরে দেখেন ভেতরে পুলিশ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা বিএনপির একজন নেতা জানান, তারা ঘটনাটি শুনেছেন। পুলিশ কোনো অঘটন ঘটাতেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তাঁরা মনে করছেন। এ ঘটনায় জেলা বিএনপি জরুরি বৈঠকে বসে পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দেবে বলে ওই নেতা জানান।

ব্রেকিংনিউজ/জেআই 

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2