শিরোনাম:

রিমান্ড শেষে কারাগারে ২২ শিক্ষার্থী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৯ আগস্ট ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 7:58
রিমান্ড শেষে কারাগারে ২২ শিক্ষার্থী

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে পুলিশের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের পৃথক মামলায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২ শিক্ষার্থীকে দু’দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে তাদের মধ্যে দুজনের বিষয়ে আগামী রবিবার জামিন আবেদন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার শিক্ষার্থীদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর এ আদেশ দেন। 

কারাগারে যাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- রিসালাতুন ফেরদৌস, রেদোয়ান আহম্মেদ, রাশেদুল ইসলাম, বায়েজিদ, মুশফিকুর রহমান, ইফতেখার আহম্মেদ, রেজা রিফাত আখলাক, এএইচএম খালিদ রেজা ওরফে তন্ময়, তরিকুল ইসলাম, নূর মোহাম্মদ, সীমান্ত সরকার, ইকতিদার হোসেন, জাহিদুল হক ও হাসান, আজিজুল করিম অন্তর, সামাদ মর্তুজা বিন আহাদ, ফয়েজ আহম্মেদ আদনান, সাবের আহম্মেদ উল্লাস, মেহেদী হাসান, শিহাব শাহরিয়ার, সাখাওয়াত হোসেন নিঝুম ও আমিনুল এহসান বায়েজিদ।

এদিন বাড্ডা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুলহাস মিয়া ও ভাটারা থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান মাসুদ ২২ শিক্ষার্থীকে আদালতে হাজির করে তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।

এদিকে রাজধানীর বাড্ডা ও ভাটারা থানার এ দুই মামলায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান হওলাদারসহ প্রমুখ আইনজীবী ২০ জন আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন করেন। 

শুনানি শেষে আদালত ২০ আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে এবং অপর দুই আসামির পক্ষে রবিবার জামিন আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিদের মধ্যে প্রথম ১৪ জন বাড্ডা থানার মামলায় এবং শেষের ৮ জন ভাটারা থানার মামলার আসামি। আসামিরা বেসরকারি ইস্ট ওয়েস্ট, নর্থসাউথ, সাউথইস্ট ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। 

এর আগে গত ৭ আগস্ট ২২ আসামির ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ২৯ জুলাই হোটেল রেডিসনের বিপরীত পাশে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের পাশে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আব্দুল করিম রাজীব নিহত হন। এ ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে টানা ৯ দিন রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী। বিক্ষোভকালে পুলিশ-শিক্ষার্থী ও দুর্বৃত্তদের ত্রিমুখী সংঘর্ষে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2