শিরোনাম:

দোষ স্বীকার করলেন জাবালে নূরের মালিক

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৯ আগস্ট ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 7:45
দোষ স্বীকার করলেন জাবালে নূরের মালিক

রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় দুই কলেজশিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় করা মামলায় দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন জাবালে নূর বাসটির মালিক মো. শাহদাত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) সাত দিনের রিমান্ড শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবীর কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় এ জবানবন্দি দেন তিনি। এরপর আদালত মো. শাহদাত হোসেনকে কারাগারে পাঠান।

স্বীকারোক্তিতে শাহদাত হোসেন বলেছেন, তিনি জাবালে নূর পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব-১১-৯২৯৭ নম্বর বাসের মালিক। তার ওই বাসের ড্রাইভার ছিলেন মাসুম বিল্লাহ। তিনি জাবালে নূর কোম্পানির সভাপতি মো. জাকির হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নোমান ও ডিএমডি অলি আহমেদের পূর্ব পরিচিত। তাদের অনুরোধেই মাসুমের ড্রাইভিং লাইসেন্স যাচাই বাছাই ছাড়াই নিয়োগ প্রদান করেন। তিনি ড্রাইভং লাইসেন্স যাচাই বাছাই না করে অনুপযুক্ত চালক নিয়োগ করায় গত ২৯ জুলাই জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের পাশে বাসে ওঠার অপেক্ষায় থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজীব নিহত হয়।

এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম এ আসামিকে আদালতে হাজির করে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।

গত ২ আগস্ট এ আসামির ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে গতকাল বুধবার একই বিচারক ঘাতক বাসটির চালক মাসুম বিল্লাহর দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

গত ২৯ জুলাই বেশি ভাড়া পাওয়ার আশায় আগে যাত্রী উঠানোর জন্য তিনটি বাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়েছিলেন। ওই কারণে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৪-১৫ জন ছাত্রছাত্রীর ওপর গাড়িটি উঠিয়ে দিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের গুরুতর আহত করেন। পরে গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যান।

মামলায় বর্তমানে জাবালে নূরের অন্য মালিকের আরও ২টি বাসের চালক ও হেলপার মো. এনায়েত হোসেন (৩৮), মো. সোহাগ আলী, মো. রিপন হোসেন এবং মো. জোবায়ের রিমান্ডে রয়েছেন।

গত ২৯ জুলাই হোটেল রেডিসনের বিপরীত পাশে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের পাশে জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আব্দুল করিম রাজীব মারা যান। এ ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে টানা ৯ দিন রাজধানীসহ সারা দেশে বিক্ষোভ আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2