শিরোনাম:

ভয়ঙ্কর কিছু মৃত্যুদণ্ড

রকমারি ডেস্ক
৩১ জুলাই ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 8:41 আপডেট: 9:14
ভয়ঙ্কর কিছু মৃত্যুদণ্ড
ছবি: ওয়েবসাইট

বহুকাল আগে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হতো। হত্যার একেকটা পদ্ধতি এতটাই নির্মম ছিলো যে সেগুলো শুনলে গা শিউরে উঠে। ভয়ে বুক কাঁপতে থাকে। 

অবিশ্বাস্য বলে মনে হয় এমনটি হতো মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত মানুষগুলো সাথে।

কিছু মৃত্যুদণ্ডের বিবরণ তুলে ধরা হলো:

১. সময়টা সেই মধ্যযুগের। তখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একটি বাঁশবনে বেঁধে রাখা হতো। নতুন বাঁশ গজাচ্ছে এমন স্থানে হাত-পা শক্ত করে বেঁধে রাখা হতো দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে। বাঁশ দ্রুত বৃদ্ধি পায় (দৈনিক সর্বোচ্চ এক ফুটের মতো), তাই ধীরে ধীরে বাঁশ দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দেহ ফুঁড়ে বের হয়ে যেত। এটি খুব ধীর প্রক্রিয়া। একারণে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিটি মারা যাওয়ার আগে অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ করতো।

২. জাপান, ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ড ও বেলজিয়ামে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে দেহের প্রধান অঙ্গগুলি কাটা হত বিশেষ করে পেটের। তখনকার দিনে চোর এবং ব্যভিচারে ছিল বেশি তাই এই শাস্তি প্রচলন হয়েছিল।

এই শাস্তি হল অত্যাবশ্যক অঙ্গ আপনার শরীর থেকে এক এক করে ছুড়ি বা ধারালো কোন অস্ত্র দ্বারা অপসারণ করা হত বন্দি মারা না যাওয়া পর্যন্ত।

৩. মৃত্যুদণ্ডের আরো একটি ভয়ঙ্কর পদ্ধতি ছিলো। সেটি হলো বন্দিকে উলঙ্গ করে হাত-পা বেঁধে তার পায়ু পথে সুচালো একটি দণ্ড ঢুকিয়ে তাকে তার উপর বসিয়ে দণ্ডটি খাঁড়া করে দেওয়া হতো। বন্দি তার নিজের শরীরের ভারে আস্তে আস্তে নিচের দিকে নেমে যেত।

অনেক সময় খুঁটিটির মাথা সুচালো না করে ভোঁতা রাখা হত যাতে হৃৎপিণ্ড বা অন্যান্য প্রধান অঙ্গ বিদ্ধ হয়ে তাড়াতাড়ি মারা না যায়। এতে অপরাধী প্রচন্ড কষ্টে মারা যেত। এ পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে অনেক সময় লাগত এমনকি এক থেকে দু’দিন সময়ও লাগত।

৪. ইউরোপের বিভিন্ন দেশে মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ নগ্ন করে উল্টো করে দুই পা দুই দিকে ফাঁক করে বেঁধে রাখা হতো। এরপর মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির যৌনাঙ্গ বরাবর করাত রেখে দেহকে মাঝ বরাবর কেটে ফেলা হতো।

আর উল্টো করে ঝোলানোর কারণে ব্যক্তিটির মস্তিষ্ক যথেষ্ট পরিমাণ রক্ত পেতো, যাতে তিনি শরীরের মাঝ বরাবর কেটে ফেলার ব্যথা সম্পূর্ণটাই অনুভব করতে পারে। মধ্যযুগের অমানবিক মৃত্যুদণ্ডের মধ্যে এটি ছিল অন্যতম।

৫. ফিনল্যান্ডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির মেরুদণ্ড বরাবর কেটে তার বুকের পাজরের হাড় ভেঙে পিঠের দিক দিয়ে বের করে ঈগলের পাখার মতো মেলে রাখা হতো। এরপর পেছন থেকে ফুসফুস বের করে বাইরে ঝুলিয়ে লবণ মাখিয়ে দেয়া হতো।

তীব্র যন্ত্রণাভোগ ও রক্তক্ষরণে মৃত্যু হতো সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তির। সাজা দেয়ার এই পদ্ধতিটির নাম দেয়া হয়েছিলো Blood Eagle বা রক্ত ঈগল।

ব্রেকিংনিউজ/এনকে

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
সর্বাধিক পঠিত
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2