Ads-Top-1
Ads-Top-2

গাইবান্ধায় ২৩ শতক সরকারি খাস জমি উদ্ধার

মিলন খন্দকার,গাইবান্ধা প্রতিনিধি
১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 08:27:00
গাইবান্ধায় ২৩ শতক সরকারি খাস জমি উদ্ধার

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর ডিগ্রি কলেজ রোডে অবস্থিত জেলা পরিষদের আবু হোসেন সরকার সুপার মার্কেটের ১০২ টি দোকানের মধ্যে ৪৯ টি দোকানসহ ২৩ শতক সরকারি খাস জমি খতিয়ান ভুক্ত হিসাবে লাল পতাকা দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় কুমার মহন্ত এই জায়গা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। 

সরেজমিনে ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯১ শতক জায়গায় বৃটিশ আমলে জেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে চেরিটেবল হেল্থ সেন্টার এবং ডাক্তার ও কর্মচারীদের বাসস্থান ছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ওই স্থানে উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টরের অফিস ও তার বাসস্থান এবং অপর পাশে ছিল উপজেলা সাব রেজিস্টার এর বাসস্থান। 

এরশাদ শাসন আমলে স্যানেটারি ইন্সপেক্টরের অফিসটি দখলে নিয়ে উপজেলা জাতীয় পার্টি তাদের দলীয় কার্যালয় করে।

তখন উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টরের বাসস্থানটির একটির ঘর উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টরের অফিস হিসাবে ব্যবহার করা শুরু করেন। এসময় সাব রেজিস্টার এর বাসস্থানটি সাদুল্যাপুর ডিগ্রি কলেজ জেলা পরিষদের নিকট থেকে লিজ নিয়ে ওই ভবনে কিছুদিন কলেজের শিক্ষার্থীরা এবং পরে কলেজের জনৈক শিক্ষক বসবাস করেন।

৯০ এর গণ অভ্যুথান এর সময় উপজেলা জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়টি সর্বদলীয় ছাত্রসমাজ দখলে নেয়। এর কিছুদিন পর ওই ভবনটি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কার্যালয় হিসাবে গড়ে ওঠে। আর উপজেলা স্যানেটারি ইন্সপেক্টরের বাসস্থানটিতে তখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী এবং সাদুল্যাপুর ডিগ্রি কলেজ দখলে থাকা বাসায় বনগ্রাম ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার বসবাস শুরু করে।

পরবর্তীতে বিগত ২০১৩ সালে ওই উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কার্যালয়টি বাদে বাকী জায়গায় গাইবান্ধা জেলা পরিষদ ১০২ টি দোকন ঘর নির্মাণ করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদেরকে বরাদ্দ দেন। মার্কেটের নাম দেয়া হয় সাবেক মূখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার সুপার মার্কেট।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, এই ২৩ শতক জায়গা সরকারি ১ নম্বর খাস খতিয়ান ভুক্ত। এটি কোনো সময়েই জেলা পরিষদের ছিল না। তাই এই জায়গা উপজেলা ভূমি অফিস নিজ দখলে নেয়ার জন্য লাল পতাকা দ্বারা চিহ্নিত করা হলো। বাকী কার্যক্রম সরকারি নিয়ম অনুসারে পর্যায়ক্রমে চলমান থাকবে। 

এই বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন মুঠোফোনে বলেন, আমি সম্প্রতি গাইবান্ধায় যোগদান করেছি। এই বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর না নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। 

ব্রেকিংনিউজ/এসএএফ

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2