Ads-Top-1
Ads-Top-2

কোটা সংস্কার

রাবির ৪ বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন

সাঈদ সজল, রাবি প্রতিনিধি
১২ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 07:35:00
রাবির ৪ বিভাগে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন
ফাইল ফটো

কোটা সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গঠিত কমিটির সিদ্ধান্তের দিকে চেয়ে আছে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণার প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ টি বিভাগে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত রেখেছে শিক্ষার্থীরা। তবে এই মুহূর্তে মাঠে নামার কোনো কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের রাবি শাখার যুগ্ম আহবায়ক মোরশেদুল আলম।

মোরশেদুল বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করেছি। 

মোরশেদুল জানান, কোট সংস্কার বা বাতিলের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে সরকার। কিন্তু সেই কমিটি কবে নাগাদ এই সমস্যার সমাধান করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করবে, তা এখনো স্পষ্টভাবে না জানানোর ফলে আন্দোলনের বিষয়ে আমরা একটু দোটানার মধ্যে আছি। তবে মন্ত্রিপরিষদের এই কমিটির কোনো প্রকার ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আপাতত মাঠে নামার চিন্তা ভাবনা নেই। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ টি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করেছে। বিভাগ গুলো হল, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, এবং দর্শন বিভাগ। কেন্দ্রীয় কমিটির কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করলেও অধিকাংশ বিভাগেই ক্লাস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

রসায়ন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কোটা সংস্কার নিয়ে চলমান আন্দোলনে প্রথম থেকেই সমর্থন করছি। আন্দোলনেও স্বত:স্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছি। যৌক্তিক এই আন্দোলনের কাঙ্খিত প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের মাধ্যমে আমাদের নীরব আন্দোলন চলতেই থাকবে।’

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, এক সময় ছাত্রলীগ কোটা সংস্কার আন্দোলনে নীরবে সমর্থন করলেও, বর্তমানে প্রকাশ্যে বিরোধিতা শুধু করছে না, বরং আন্দোলনকারীদের ওপর শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করছে। আর সেই জন্য আমরা এখন নীরবে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন করে যাচ্ছি।

দর্শন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনের জন্য আমার বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করেছে, এটা তাদের সিদ্ধান্ত। কিন্তু ক্লাসে একজন শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকলেও, নিয়মিতভাবে ক্লাস এবং পরীক্ষা চলবে।’ 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, ‘আমার বিভাগই তো গণিত। শিক্ষকদের নিয়ে একটা অনুষ্ঠান ছিল এর জন্য ক্লাস হয়নি। অন্যান্য বিভাগের বিষয়ে আমার জানা নাই। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’

ব্রেকিংনিউজ/এসএএফ

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2