Ads-Top-1
Ads-Top-2

ভাইরাল মেসেজে ধরা পড়লো ধর্ষণকারী

ভারত ডেস্ক
১১ জুলাই ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 03:48:00 আপডেট: 08:54:00
ভাইরাল মেসেজে ধরা পড়লো ধর্ষণকারী

হোয়াটসঅ্যাপে ভাইরাল হওয়া মেসেজের সূত্র ধরে ভারতের মধ্য প্রদেশে এক ধর্ষণকারীকে খুঁজে বের করেছে পুলিশ।

গত ২৬ জুন সাত বছর বয়সী একটি মেয়ে শিশু বিদ্যালয় নিখোঁজ হয়। পরদিন অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েটিকে কাছের একটি বাস স্টেশনের পড়ে থাকতে দেখেন একজন সবজি বিক্রেতা। শিশুটিকে ডাক্তারে কাছে নিলে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেন যে, সে ধর্ষণের শিকার এবং তার শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

এ খবর জানাজানি হলে ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অপরাধীর বিচার চেয়ে শত শত জনতা রাস্তায় নেমে স্লোগান দিতে থাকে। ফলে বেশ একটা চাপ তৈরি হয় পুলিশের উপর।

কিন্তু এই ঘটনায় পুলিশ কোনো সূত্র পাচ্ছিলো না। কারণ ঘটনার দিন  বিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরা ছিল নষ্ট। পরে আশ-পাশের দোকানগুলোর মোট চারশ' ঘণ্টা ফুটেজ দেখতে গিয়ে তিনটি ভিডিওতে আটকে যায় পুলিশের চোখ। একটি ভিডিওতে তারা দেখতে পায় যে মেয়েটি একজন লোকের সাথে যাচ্ছে। কারণ সে মেয়েটিকে মিষ্টি জাতীয় কিছু খেতে সেধেছে।

তবে, বিপত্তিটা ছিল এই যে, সেই লোকটির চেহারাটা ওই ভিডিওতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিলো না। কিন্তু পুলিশ হাল ছাড়েনি। তারা দেখলো যে সেই ব্যক্তির জুতোর ব্র্যান্ডটি স্পষ্ট করে পড়া যাচ্ছে। তাই, জুতোর সেই ব্র্যান্ড ধরেই অপরাধীকে পাকড়াও করার মিশনে নামে পুলিশ।
ধর্ষককে পাকড়াও করার অংশ হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপে মেয়েটির ছবি ছড়িয়ে দিয়ে বলা হয়, সে নিহত হয়েছে।

এই বার্তাটি মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে মধ্য প্রদেশের ছোটো সেই শহরের বেশিরভাগ মানুষ। এভাবেই এই কমিউনিটির লোকজন ও পুলিশ একসাথে পরস্পরকে সহায়তার ভিত্তিতে কাজ করতে শুরু করে।

তারপর অপরাধীর জুতোর ব্র্যান্ডের উপরে ভিত্তি করে চালানো সেই অনুসন্ধান থেকেই পুলিশ একটা স্পষ্ট ধারণা পায় এবং মাত্র সাতজন সন্দেহভাজনকে তারা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের আওতায় নিয়ে আসে।

শেষ পর্যন্ত সেই সাতজন সন্দেহভাজনের মাঝখান থেকে আসল অপরাধীকে খুঁজে বের করে পুলিশ।আর এভাবেই হোয়াটসঅ্যাপে ভাইরাল হওয়া মেসেজের সূত্রেই ধরা পড়ে ধর্ষণকারী। সূত্র: বিবিসি

ব্রেকিংনিউজ/আরএ

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2