Ads-Top-1
Ads-Top-2

বাদলের ব্যাপারে সরকারই সিদ্ধান্ত দেবে: হাইকোর্ট

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ জুলাই ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 03:14:00
বাদলের ব্যাপারে সরকারই সিদ্ধান্ত দেবে: হাইকোর্ট

‘ভুল বিচারের’ শিকার হয়ে ভারতে ১০ বছর কারাভোগের পর দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসা বাদল ফরাজীর মুক্তির বিষয়ে সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১১ জুলাই) দুপুরে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে বাদলের মুক্তির আদেশ চেয়ে করা রিট আবেদন ‘উত্থাপিত হয়নি মর্মে’ খারিজ করে দেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার কাউছার। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাসুদ হাসান চৌধুরী পরাগ।

আদালত বলেছে, সরকার যেহেতু উদ্যোগী হয়ে বাদলকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে, সেহেতু সরকারই হয়ত তার মুক্তির পদক্ষেপ নেবে। এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা দেয়া ঠিক হবে না। এ ব্যাপারে সরকারের সব কার্যক্রম ইতিবাচক। এখন হুট করে কোনও রুল বা অবজারভেশন দিলে সেটা হিতে বিপরীত হবে। তার মুক্তিতে সরকারকে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে দেয়া উচিত।

২০০৮ সালে ৬ মে দিল্লির অমর কলোনিতে এক বৃদ্ধাকে খুনের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় বাদলের। তবে বাদল তার দুই মাসেরও বেশি সময় পর ১৩ জুলাই ভারতে ঢুকেছিলেন বলে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বেরিয়ে আসে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বাদল সিং নামে এক ব্যক্তিকে খুঁজছিল পুলিশ। তাকে ধরতে সীমান্তে সতর্কতা জারি হয়েছিল। এর মধ্যে বেনাপোল চেকপোস্ট হয়ে টুরিস্ট ভিসায় ভারতে ঢুকেই বাদল সিং মনে করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেখানে বিচার শেষে তাকে ওই মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের সময় বাদল ভারতে ছিলেন না জানিয়ে তাকে মুক্তি দিয়ে দেশে ফেরত পাঠাতে ২০১২ সালে ভারতের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশন। এরপরেও ২০১৫ সালে বাদলকে দোষী সাব্যস্ত করে দিল্লির একটি আদালত ও হাইকোর্ট তাকে দেয়া হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখে। পরে সুপ্রিম কোর্টেও ব্যর্থ হোন বাদল। ওই সময় বাদলের বয়স ছিল ১৮ বছর। সে সময় ইংরেজি বা হিন্দি জানা না থাকায় মামলা চালাতে তাকে বেগ পেতে হয়। পরে কারাগারে লেখাপড়া করে আটটি ডিপ্লোমা কোর্স শেষ করেন তিনি। 

বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় তাকে ৬ জুলাই দেশে ফেরত নিয়ে আসে। এরপর তাকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়।

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ 

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2