Ads-Top-1
Ads-Top-2

ডিফেন্ডারাও যখন স্টাইকার

স্পোর্টস ডেস্ক
১১ জুলাই ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 03:01:00 আপডেট: 03:10:00
ডিফেন্ডারাও যখন স্টাইকার

নকআউট পর্বে লাতিনের পরাশক্তি আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রথমার্ধের শুরুর দিকেই পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যান্তোনি গ্রিজম্যান। ৪১ মিনিটে ডি মারিয়ার গোলে আর্জেন্টিনা সমতায় ফিরে। দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটেই ২-১ ব্যবধানে লিড নেয় মেসিরা। ৫৭তম মিনিটে রাইট ব্যাক বেঞ্জামিন পাভার্ডের গোলে সমতায় ফিরে ফ্রান্স। এর পরের গল্পটা তো সবারই জানা। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ফ্রান্স। বিপরীতে আবারও স্বপ্নভঙ্গের বিষাদ নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়ে মেসিরা। 

রাশিয়া বিশ্বকাপে ফরাসি ডিফেন্ডাররা যেন স্টাইকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। টানা তিন ম্যাচে ডিফেন্ডারদের গোল ফ্রেঞ্চদের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে। 

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে পাভার্ডের গোলের পর উরুগুয়ের বিপক্ষেও তো একই কাণ্ড ঘটনালের ফ্রান্সের সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার রাফায়েল ভারানে। তার গোলেই কোয়ার্টার ফাইনাই প্রথম লিড নেয় ফ্রান্স। যদিও সেই ম্যাচে গ্রিজম্যানের পা থেকে এসেছিল দ্বিতীয় গোলটি। 

তবে শেষ তুলির আঁচরটা কেটেছেন বার্সেলোনার ফরাসি ডিফেন্ডার স্যামুয়েল উমতিতি। বেলজিয়ামের বিপক্ষে টানটান উত্তেজনার সেমিফাইনাল ম্যাচটি প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য। দিদিয়ের দেশমের দেয়া মন্ত্রটাই হয়তো মনে মনে জপ করছিলেন উমমিতি। দ্বিতীয়ার্দের তখন ৫১ মিনিট। ডান প্রান্ত থেকে নেয়া কর্নারের বলটি দারুণ এক হেডে জালে জড়ান উমতিতি। শেষ পর্যন্ত এই ডিফেন্ডারের একমাত্র গোলেই  বিশ্বকাপ মঞ্চে তৃতীয়বারের মতো ফাইনালে পা রাখার পথ খুঁজে পায় ফ্রান্স। 

১৯৯৮ সালে ঘরের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপের স্বাদ পেয়েছিল ফ্রান্স। ২০০৬ সালে ফাইনালে উঠলেও ইতালির কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয় ফ্রেঞ্চদের। দীর্ঘ এক যুগ পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স। আগের তিন ম্যাচের হিসেব-নিকেশ অনুযায়ী ফাইনালেও গোলের জন্য ওঁত পেতে থাকবেন ভারানে-পাভার্ড-উমতিতিরা। তাই প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া/ইংল্যান্ডকে শুধু ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড নিয়েই নয়, ভাবতে হবে স্টাইকার হয়ে ওঠা ফ্রান্সের ডিফেন্ডারদেরও। আর সেটিতে ব্যর্থ হলে আবারও হয়তো স্বপ্নের বিশ্বকাপ নিয়েই রাশিয়া থেকে ফ্রান্সের পথে যাত্রা করবে জিনেদিন জিদান-থিয়েরি অঁরিদের উত্তরসূরিরা। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2