Ads-Top-1
Ads-Top-2

‘এ ভরা বাদর মাহ ভাদর শূন্য মন্দির মোর’

শিল্প-সাহিত্য ডেস্ক
২৫ জুন ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 04:47:00 আপডেট: 04:51:00
‘এ ভরা বাদর মাহ ভাদর শূন্য মন্দির মোর’

কবি মাত্রই রোমান্টিক। কল্পনার তুলিতে প্রিয়তমার ছবি আঁকেন কবি। মানুষের চিন্তাকে জীবন্ত করে তোলেন কবিতায়। মধ্যযুগের বিখ্যাত কবি বিদ্যাপতিও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না। পঞ্চদশ শতকের মৈথিলি কবি বিদ্যাপতি বঙ্গদেশে ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন। বাঙালিরা চর্যাগীতির ভাষা থেকে এই ব্রজবুলীকে অনেক সহজে বুঝতে পারেন। এই কারণেই বিদ্যাপতিকে বাঙালি কবিদের অন্যতম হিসেবে গণ্য করা হয়। বিদ্যাপতিকে কোনও কোনও কবি দেহবাদী বলেও আখ্যায়িত করেছেন।

বর্ষায় প্রেমিকা বিরহে কাতর বিদ্যাপতি অত্যন্ত শৈল্পিকতায় নিজের কাকুতি নিবেদন করেছেন প্রিয়তমার কাছে। বর্ষা যে প্রেমিকা বিরহে প্রেমিককে উতলা করে তোলে বিদ্যাপতির কিছু জনপ্রিয় পদে তারই আভাস পাওয়া যায়। বিদ্যাপতির বিখ্যাত এরকম কিছু পদ-

এ সখি হামারি দুখের নাহি ওর।
এ ভরা বাদর মাহ ভাদর শূন্য মন্দির মোর ||৩||
ঝঞঝা ঘন গরজন্তি সন্ততি ভুবন ভরি বরিখিন্তিয়া।
কান্ত পাহুন কাম দারুণ সঘনে খর শর হন্তিয়া ||৭||
কুশিল শত শত পাত-মোদিত মূর নাচত মাতিয়া।
মত্ত দাদুরী ডাকে ডাহুকী ফাটি যাওত ছাতিয়া ||১১||
তিমির ভরি ভরি ঘোর যামিনী থির বিজুরি পাঁতিয়া।
বিদ্যাপতি কহ কৈছে গোঙায়বি হরি বিনে দিন রাতিয়া ||১৫||

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2