শিরোনাম:

ভিড় বাড়ছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে

নাজিম উদ্দিন খান
১৩ জুন ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 11:39 আপডেট: 2:04
ভিড় বাড়ছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে
ফাইল ছবি

পরিবার পরিজনদের সাথে ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটাতে বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড় জমেছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে। কমলাপুর রেলস্টেশনে উপচে পড়া ভিড় থাকলেও সদরঘাট টার্মিনাল ঈদের আগের থৈ থৈ চেহারা এখনো পায়নি। 

এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন পরিদর্শক (টিআই) সৈয়দ মাহফুজুর রহমান বলেন, তিন দিনের ঈদের ছুটির আগে বৃহস্পতিবারই শেষ কর্ম দিবস। এ কারণে বিকেলে অফিস ছুটির পর ট্রেনে, বাসে, লঞ্চে ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ থাকবে সবচেয়ে বেশি।

অবশ্য ঈদের আগে অনেকে ছুটি নেওয়ায় এবং পোশাক কারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে কর্মীদের ছুটি দেওয়ায় মঙ্গলবার থেকেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে মানুষ। গতকালের (মঙ্গলবার) চেয়ে আজকে মানুষের ভিড় অনেক বেশি।

ঈদে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের বাড়ি ফেরার একমাত্র ভরসা নৌপথ। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সরাসরি কোনও সড়ক যোগাযোগ না থাকায় লঞ্চেই যাতাওয়াত করেন এ অঞ্চলের লাখো মানুষ। তাই অন্যান্য টার্মিনালের চেয়ে সদরঘাটের ভিড়টাও একটু বেশি হয়।



বুধবার (১৩ জুন) সকালে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় হাজার হাজার মানুষ ছুটছেন ঘাটের দিকে। জনসমুদ্রের এই ঢেউ আছড়ে পড়ছে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে।
 
বাড়ি ফেরা মানুষের ভিড়ে প্রায় বেসামাল হয়ে পড়েছে সদরঘাট এলাকা। যে যেদিক দিয়ে পারছে লঞ্চে ওঠার চেষ্টা করছে।  চাঁদপুর, বরিশাল, বরগুনাগামী লঞ্চগুলো ছিলো কানায় কানায় পরিপূর্ণ।

এদিকে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তায় সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে থাকছে কয়েকস্তরে নিরাপত্তা। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ(ডিএমপি)।

বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জয়নাল আবেদীন বলেন, এবারের ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি স্তরে নিরাপত্তা দেয়া হবে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি), কোস্টগার্ড, র‌্যাব, আনসার বাহিনী, বিআইডব্লিউটিএ'র নিজস্ব ডুবরি দল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এবং নৌ-নিরাপত্তার ক্যাডেট দল কাজ করবে।

জয়নাল আবেদীন আরো বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের যাতে কোনোভাবে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগে সে দিকে বিশেষ নজর রাখছি আমরা। কোনো লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া টিপু বলেন, আমরা কোনো লঞ্চের ছাদে যাত্রী যেতে দিচ্ছি না। কোনো লঞ্চ যদি কথা না শোনে তাদের রুট পারমিট বাতিল করা হবে। কেননা আমরা চাই নিরাপদে সবাই বাড়িতে ঈদ উদযাপন করবে।

ব্রেকিংনিউজ/এনকে

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2