শিরোনাম:

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৩ জুন ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 10:13 আপডেট: 10:24
ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল
ছবি: ওয়েবসাইট

রাজনৈতিক দল ‘ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন’র নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।  নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধন পাওয়া কাজী ফারুক আহমেদের এই দলটি চাহিদা অনুযায়ী তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

মঙ্গলবার (১২ জুন) কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। 

বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এর আগে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাছে কিছু তথ্য চেয়েছিলাম। সবাই দিলেও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন সময় মতো কমিশনে তথ্য না দেওয়ায় দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

সে হিসেবে ইসির নিবন্ধনে বর্তমানে ৩৯টি রাজনৈতিক দল থাকল। 

ইসি সূত্র জানায়, এর আগে স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করা হয়। আর আদালতের আদেশে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ হয়।

সচিব আরো জানান, নির্ধারিত সময়ের পরে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার ‘তৃণমূল বিএনপি’ নামে একটি দলের নিবন্ধন চেয়ে আবেদন করে। নির্ধারিত সময়ের পরে আবেদনটি আসায় কমিশন তা বাতিল করে দেয়। পরে তিনি (নাজমুল হুদা) আদালতে যান এবং মহামান্য হাইকোর্ট কমিশনকে বিষয়টি বিবেচনা করতে বলেন।



কমিশন আদেশটি বিবেচনায় নিয়ে দলটির কাগজপত্র দেখেন। যেহেতু আবেদনটি নির্ধারিত সময়ে আসেনি এবং সরকারিভাবে নির্ধারিত ফি তিনি জমা দেননি। তার আবেদন যাচাই-বাছাই করে আরো দেখা গেছে নিবন্ধন হওয়ার মতো তথ্য সেখানে নেই। তাই কমিশন তৃণমূল বিএনপির নিবন্ধন আবেদন নাকচ করে দিয়েছে।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন বলেন, এবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৭৫টি নতুন দল আবেদন করে। সেখান থেকে প্রাথমিক বাছাইয়ে ১৯টি দল বাতিল হয়। এরপর তথ্য সংশোধন করে দেয়ার জন্য চিঠি দেয়া হয়। তাতে ৯টি দল ব্যর্থ হলে তাদের আবেদন বাতিল করা হয়। বাকি ৪৭টি দল থেকে দুইটি দলের আবেদন আমলে নিয়েছে কমিশন। এখন মাঠপর্যায়ে তাদের খোঁজ নেয়া হবে।

এর আগে দশম সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগ্রহী নতুন ৪৩টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ৪১টিই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের ‘যোগ্যতার’ প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়।

মাত্র দুটি দল শর্ত অনুযায়ী মাঠপর্যায়ে কার্যালয় ও কমিটি থাকার তথ্য দিয়েছিল। এরপর তাদের নিবন্ধন দেয় কমিশন। দল দুটি হলো- বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু করে ইসি। প্রথম বছরে ১১৭টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ৩৯টি দল নিবন্ধন পায়। এর মধ্যে স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল করে ইসি। আর আদালতের আদেশে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ হয়।

এছাড়া, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল) নামে নতুন একটি দলের নিবন্ধন দেয়া হয়।

ব্রেকিংনিউজ/এমআই/এনকে

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2