Ads-Top-1
Ads-Top-2

মোবাইল ফোনে হরেক কাজ

নিউজ ডেস্ক
১১ জুন ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 10:36:00

এখন স্মার্টফোনের যুগ। এটি মুঠোফোনেরই আধুনিক সংস্করণ। এতে যুক্ত রয়েছে নানামুখী সফটওয়্যার। এর ব্যবহারের মাধ্যমে স্মার্টফোনের সাহায্যে উৎপাদনমুখী অনেক কাজই করা সম্ভব হচ্ছে।
 
দূরনিয়ন্ত্রিত কাজকর্মে স্মার্টফোন: ট্যাবলেট নামে পরিচিত ছোট আকারের বহনযোগ্য কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে অনেক কাজকর্ম সেরে নেয়ার প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে। নতুন নতুন অ্যাপ ব্যবহার করে লেখা ও সম্পাদনার মতো দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন কর্মীরা।
 
আবার বক্স, ড্রপবক্স, গুগল ড্রাইভ ও মাইক্রোসফটের ওয়ান ড্রাইভের মতো অনলাইনভিত্তিক তথ্য সংরক্ষণ ও হালনাগাদের ব্যবস্থা চালু হওয়ার ফলে একই কাজ একসঙ্গে অনেকে অংশ নিতে পারছেন। আবার একজনের শেষ করে রাখা কাজ আরেকজন নিজের দূরবর্তী অবস্থানে থেকেই স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের সাহায্যে হালনাগাদ করে আবার সংরক্ষণ করতে পারছেন। এই প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত সহজ হওয়ার কারণে কর্মীদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
 
মুঠোফোনে সম্মিলিত কাজকর্মের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলো ডেস্কটপ কম্পিউটারের চেয়েও বেশি সুবিধা দিচ্ছে। এগুলো নির্দিষ্ট কাজে কোন কোন কর্মী অংশ নিচ্ছেন, তা অন্যদের তাৎক্ষণিকভাবে জানিয়ে দিতে পারে। আর এ ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা সম্মিলিত দাপ্তরিক কাজের জন্য খুবই সহায়ক। কেউ দেরিতে অংশ নিলেও কাজের বিস্তারিত অগ্রগতি একনজরে দেখে নিতে পারছেন অন্যদের জিজ্ঞেস না করেই। এভাবে নতুন নতুন বিভিন্ন ধারণাও তাৎক্ষণিকভাবে তাঁরা নেটওয়ার্কে যোগ করতে পারছেন।
 
প্রচলিত ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে ‘নোটস’, মন্তব্য বা ই-মেইল যোগাযোগের তথ্যগুলোর অধিকাংশই হারিয়ে যায়। কিন্তু তথ্য সম্পাদনার নতুন অ্যাপস সম্মিলিত যোগাযোগের যাবতীয় তথ্য ধারাবাহিকভাবে সংরক্ষণ করে।
 
মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যারের মুঠোফোন সম্পাদনা উপকরণ ক্লাউডঅন ব্যবহার করলে দুই প্রান্তের আলাপচারিতা (মন্তব্য ও বার্তা) ও কাজকর্মের (সম্পাদনা ও অনুমোদন) বিস্তারিত তথ্য সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। আর কুইপ নামের অ্যাপটি ব্যবহার করলে সম্মিলিত কাজের সময় চলমান বার্তা বিনিময়ের বিস্তারিত তথ্য দেখা যায়। তাই অন্য কারও কাজে হস্তক্ষেপ না করে নিজেও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আপনি দূর থেকে কাজটিকে অনেক দূর এগিয়ে নিতে সহায়তা করতে পারেন।
 
কুইপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ব্রেট টেইলর বলেন, ব্যাপারটা অনেকটা এ রকম, যেন আপনি কোনো সহকর্মীর ডেস্কের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এবং বলছেন, ‘এটা পড়ে দেখো এবং কোনো প্রশ্ন থাকলে আমাকে জানাও।’ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করলে মনেই হবে না, কাজগুলো অনেক দূর থেকে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। অত্যাধুনিক এই যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই সংক্ষিপ্ত, সহজ, গতিশীল ও অনানুষ্ঠানিক। তবে আনুষ্ঠানিক কাজকর্মেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার সুযোগ অবারিত। সূত্র: এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ।
 
ব্রেকিংনিউজ/জিসা
 

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বাধিক পঠিত
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2