Ads-Top-1
Ads-Top-2

গণিতের কয়েকটি মজার তথ্য

নিউজ ডেস্ক
৫ জুন ২০১৮, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: 10:08:00

গণনা করা ছিল আদিম গাণিতিক কর্মকাণ্ড। আদিম মানুষরা পশু ও বাণিজ্যের হিসেব রাখতে গণনা করতো। হাতের আঙুল বা পাহাড় অথবা পাথরের গায়ে আঁচড় কেটে হিসেব রাখতো তারা। কিন্তু তখনও গণিতের আবির্ভাব সৃষ্টি হয়নি। আদিম মানুষ যখন সংখ্যাগুলোকে বাস্তব বস্তু থেকে পৃথক ধারণা হিসেবে গণ্য করা শিখলো এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এই চারটি মৌলিক অপারেশন বা প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করলো তখনই পাটিগণিতের যাত্রা শুরু হলো।
 
আর জ্যামিতির শুরু হয়েছিল রেখা ও বৃত্তের মতো সরল ধারণাগুলো দিয়ে। গণিতের পরবর্তী উন্নতির জন্য চলে যেতে হবে খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে। যখন ব্যাবিলনীয় ও মিশরীয় সভ্যতা বিকাশ লাভ করেছিল। তখন গণিতের মাঝে ক্যালকুলাস, জ্যামিতি, পাটিগণিত, বীজগণিত-এর বিকাশ শুরু হয়।
 
এই সব কথা শুনলে মনে হয়, গণিত! ওরে বাবা কতো কঠিন সে জিনিস। কিন্তু এরই মাঝে আছে অনেক মজার মজার জিনিস, যা গণিত ভীতি তৈরি না করে জানাতে সাহায্য করে একে মজার একটি বিষয় হিসেবে পরিচিত করে তুলতে। দেখে নেয়া যাক ভয়ানক গণিতের মজাদার কিছু তথ্য:
 
● ইংরেজি ম্যাথমেটিক্স-এর বাংলা প্রতিশব্দ গণিত। গ্রিক ম্যাথমেটা থেকে উদ্ভুত, যার অর্থ শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ।
 
● আদিম বা প্রাচীনকাল থেকেই গণনা পদ্ধতির প্রচলন হয়ে আসছে। কিন্তু তা বর্তমানের পূর্ণাঙ্গ গণিতের মতো ছিল না। কোনোকিছুর হিসেব রাখতে আদিম মানুষরা পাহাড়ের গায়ে বা পাথরের গায়ে দাগ কেটে হিসেব রাখতো, লম্বা একটি দাগ অর্থাৎ এক, ৫টি দাগ কাটলে তা পাঁচ।
● ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে ক্রমানুসারে যোগ করতে থাকলে যোগফল হবে ৫০৫০। ১+২+৩+......+৮৮+৮৯+.........+৯৮+৯৯+১০০=৫০৫০
 
● সর্বশ্রেষ্ঠ তিনজন গণিতবিদ হলেন ক. আর্কিমিডিস, গ্রিস, খ্রিস্টপূর্ব ২৮৭-২১২; খ. আইজ্যাক নিউটন, ইংল্যান্ড, ১৬৪২-১৭২৭ খ্রিস্টাব্দ; গ. ফ্রেডারিক গ’স, জার্মানি, ১৭৭৭-১৮৫৫ খ্রিস্টাব্দ।
 
● গণিতের প্রধান শাখাগুলো হলো পাটিগণিত, বীজগণিত, জ্যামিতি।
 
● পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ আবিষ্কারগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো শূন্য। দিলীপ এম সালভির মতে শূন্য গণিতের অসম্পূর্ণতাকে পূর্ণতা দান করেছে, এর কার্যকারিতা, সূক্ষতা, সৌন্দর্য্য ও গৌরব বৃদ্ধি করেছে।
 
● ১০০, যার ইংরেজি শব্দ ‘হান্ডেড’ এসেছে হান্ড্রাথ থেকে। যার অর্থ আসলে ১২০।
 
● ১১১ x ১১১ করলে ১২৩২১, অর্থাৎ ১২৩ এইভাবে সংখ্যার ক্রমান্বয়ে ফলাফল আসে। আর ১ থেকে ৯ পর্যন্ত উল্টাভাবে ফিরে আসে এমন একটি মজার গুণন পদ্ধতি হলো: ১১১,১১১,১১১x১১১,১১১,১১১ =১২৩৪৫৬৭৮৯৮৭৬৫৪৩২১
 
● পাই-এর মান ৩.১৪-কে আয়নাতে উল্টিয়ে লিখলে দেখা যাবে ইংলিশে pie লেখা হয়েছে।
 
● যেকোনো সংখ্যার সাথে শূন্য গুণ করলে ফলাফল শূন্য (০)।
 
● কাউকে সরাসরি জিজ্ঞেস না করে ও গণিতের মাধ্যমে জেনে নিতে পারা যায় তার জন্মদিনটি।
 
স্টেপ ১: তাকে বলতে হবে আপনার জন্মের মাসের সংখ্যাটির সাথে ৫ গুণ করতে।
স্টেপ ২: তার সাথে ৭ যোগ।
স্টেপ ৩: এবার ৪ দ্বারা গুণ।
স্টেপ ৪: সাথে ১৩ যোগ।
স্টেপ ৫: এবার আবার ৫ দ্বারা গুণ।
স্টেপ ৬: সাথে জন্ম তারিখটি যোগ।
স্টেপ ৭: ফলাফল থেকে ২০৫ থেকে বিয়োগ।
এবার খেয়াল করলে দেখা যাবে শেষের দুটি সংখ্যা তার জন্ম তারিখ, আর প্রথম সংখ্যাটি তার জন্মের মাস।
 
● ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে একবার মাত্র ব্যবহার করে ১০০ তৈরি করার কয়েকটি পদ্ধতি:
ক. ১+২+৩+৪+৫+৬+৭+৮ x ৯ = ১০০
খ. ১২৩+৪-৫+৬৭-৮৯ = ১০০
গ. ১২৩+৪ x ৫-৬ x ৭+৮-৯ = ১০০
ঘ. ১২৩-৪৫-৬৭+৮৯ = ১০০
ঙ. ১২৩-৪-৫-৬-৭+৮-৯ = ১০০
চ. ১২+৩৪+৫ x ৬+৭+৮+৯ = ১০০
ছ. ১২+৩৪-৫+৬ x ৭+৮+৯ = ১০০
জ. ১২+৩৪-৫-৬+৭ x ৮+৯ = ১০০
ঝ. ১২+৩৪-৫-৬-৭+৮x৯ = ১০০
ঞ. ১২+৩+৪+৫-৬-৭+৮৯ = ১০০
 
ব্রেকিংনিউজ/জিসা
 
 

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2