Ads-Top-1
Ads-Top-2

ছাতার কিছু অজানা তথ্য

রকমারি ডেস্ক
৪ জুন ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 10:25:00
ফাইল ছবি

ছাতার ইংরেজি নাম ‘আমব্রেলা’ এটি আমরা সবাই জানি। কিন্তু এটি কোন শব্দ থেকে এসেছে সেটা কি জানি?

আমব্রেলা শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ ‘আমব্রা’ থেকে। যার আভিধানিক অর্থ ছায়া। ইতিহাসবিদেরা বলেছেন, প্রাচীনকালে রোদের খরতাপ থেকে চামড়াকে আরাম দেওয়ার জন্যই মূলত ছাতার উৎপত্তি। কালের বিবর্তনে রোদের প্রতিকার এই ছাতা পরিণত হয়েছে বৃষ্টি থেকে মাথা ও শরীর বাঁচানোর উপকরণেও।

২. ছাতার আবিষ্কার চীনে। এবং সেটাও প্রায় তিন হাজার বছর আগে। জাপানিরা আবিষ্কার করার পর, ছাতার ব্যবহার শুরু করেন, কোরিয়ানরা। তারপর এশিয়ার আরও কিছু দেশ। এরপরই ছাতা পাড়ি দেয় ইউরোপে। রোমানদের কাছে তো ছাতা খুবই পছন্দের এবং প্রিয় হয়ে উঠেছিল। ইউরোপের নবজাগরণের সময়েও ছাতার ব্যবহারের কথা জানা যায়।

৩. চীনে যখন ছাতা আবিষ্কার শুরু হয়, তখন ছাতার ব্যবহার ছিল শুধুমাত্র মেয়েদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। পুরুষ কিন্তু ছাতার ব্যবহার শুরু করেছে, অনেক পরে। আর মেয়েদের ব্যবহারের জিনিস হলেও, সব মেয়েরা শুরুর দিকে ছাতার ব্যবহার করতে পারত না। শুধুমাত্র সমাজের সম্ভ্রান্ত এবং আর্থিকভাবে শক্তিশালী পরিবারের মহিলারাই ছাতার ব্যবহার করতেন। ছাতা ছিল সামাজিক প্রভাব, প্রতিপত্তির প্রতীক।

৪. জানেন কি আজকের দিনেও সবচেয়ে বেশি ছাতা কোন শহরে তৈরি হয়? অবশ্যই চীনে। সে দেশের সংজিয়া শহরে পৃথিবীর সবথেকে বেশি ছাতা তৈরি হয়। সেইজন্যই সংজিয়াকে 'পৃথিবীর ছাতা'-ও বলা হয়ে থাকে। গোটা চীনে যত পরিমাণ ছাতা তৈরি হয়, তার ৩০ শতাংশেরও বেশি তৈরি হয় সংজিয়াতেই। শুধু এই শহরেই ছাতার হাজারেরও বেশি কারখানা রয়েছে! এই শহরের একজন ছাতা কর্মচারী সারাদিনে কম করে ৩০০ টি ছাতা তৈরি করেন। আরও ভালো করে বললে, তারা প্রতি ঘণ্টায় ৪০ টি ছাতা তৈরি করেন গড়ে!

৫. যেহেতু ছাতা ছিল মেয়েদের ব্যবহারের জিনিস, তাই ছেলেদের এটা ব্যবহার করা হত না। পরে জোনাস হানওয়ে নামে এক ইংরেজ পুরুষ প্রথম প্রকাশ্যে ছাতা ব্যবহার করেছিলেন। তাকে দেখার পর থেকেই ইউরোপে পুরুষরা ছাতা ব্যবহার করা শুরু করেন।

ব্রেকিংনিউজ/এনকে

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বাধিক পঠিত
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2