শিরোনাম:

কঠোর নিরাপত্তায় ইবি’তে নিয়োব বোর্ড গঠন

এম.এইচ. কবির, ইবি প্রতিনিধি
৩ জুন ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 6:10
কঠোর নিরাপত্তায় ইবি’তে নিয়োব বোর্ড গঠন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পুলিশ, র‍্যাব মোতায়েন ও মাইকিংসহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড গঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩ জুন) সকাল ১০টায় উপাচার্যের বাসভবনে ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদভূক্ত ফার্মেসি বিভাগের ৪টি শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হয়।

লিখিত পরীক্ষায় চারটি পদের বিপরীতে ৩১জন আবেদনকারীর মধ্যে থেকে ২৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করে ১৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। বিকেলের মধ্যে তাদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, নিয়োগ বোর্ড ঠেকাতে শনিবার (২ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে অবরোধ করে রাখেন চাকরি প্রত্যাশী সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এসময় তারা চাকরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো নিয়োগ বোর্ড গঠন করতে দেয়া হবে না বলেও হুমকি দেন। যে কোনো মূল্যে রবিবারের নিয়োগ বোর্ড ঠেকানোরও ঘোষণা দেন তারা।

চাকরি প্রত্যাশী সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে রাত থেকেই কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নিয়োগ বোর্ড গঠনকালে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে সহযোগিতা চায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর পরিপ্রেক্ষিতে সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক, আবাসিক এলাকা, ডরমেটরি, উপাচার্যের বাসভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে দেড়-শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। 

পুলিশের পাশাপাশি রয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদস্যদের উপস্থিতিও।

ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে সকাল ৯টার দিকে মাইকিং করে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে তাদের নিজস্ব পরিচয়পত্র বহনের নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ মাহবুবর রহমান বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত করতে পুরো ক্যাম্পাস নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। এছাড়া, বিনা প্রয়োজনে বহিরাগতদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ বন্ধে মাইকিং করে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, চাকরির দাবিতে গত ৬ মে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক অবরোধ করে। এর পরদিন তাদের চাপেই ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের নিয়োগ বোর্ডসহ আসন্ন সব নিয়োগ বোর্ড (লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা) স্থগিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ব্রেকিংনিউজ/এসএএফ

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2