শিরোনাম:

দুই বিজেপিকর্মীর ঝুলন্ত দেহ, উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন

ভারত ডেস্ক
২ জুন ২০১৮, শনিবার
প্রকাশিত: 8:27
দুই বিজেপিকর্মীর ঝুলন্ত দেহ, উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলায় তিন দিনের মধ্যে দুই বিজেপিকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিজেপি ওই ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা প্রকাশ জাভড়েকর ও বাবুল সুপ্রিয় ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে রাজ্যে সরকারকে এ ব্যাপারে দায়ী করেছেন।

এর আগে গত বুধবার বলরামপুরের সুপুরডি গ্রামে বিজেপির যুবকর্মী ত্রিলোচন মাহাতোর লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেসময় তার পরনে থাকা জামার উপর হুমকিবার্তাও উদ্ধার হয়েছিল।

শনিবার বিদ্যুতের হাইটেনশন তারের টাওয়ার থেকে ডাভা গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বিজেপি নেতা দুলাল কুমারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়। গতকাল শুক্রবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পরপর এভাবে দু’জন বিজেপিকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুকে 'তৃণমূল দুর্বৃত্ত ও পুলিশের ষড়যন্ত্র' বলে অভিযোগ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, ‘গোটা পরিস্থিতি অমিত শাহ  (সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি) ও রাজনাথ সিংকে (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) জানানো হবে। এরপর ওরা রাজ্যে আসতে পারেন।’

বিজেপির পুরুলিয়া জেলার সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তীর অভিযোগ, তাদের কর্মীকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনার কিনারা করতে হবে।

রাজ্য বিজেপি নেতা শমিক ভট্টাচার্য রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এমন ঘটনা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকেও ছাড়িয়ে গেছে। আসলে এটা কোনো রাজনৈতিক দল নয়, হিংস্র জনসমষ্টি। গোটা দেশে এটি নজিরবিহীন ঘটনা। এ ধরণের ঘটনা আমরা কেরালায় বামপন্থিদের কাছে দেখেছিলাম। কীভাবে তারা আমাদের কর্মীদের উপরে আক্রমণ করেছে! পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের পরিবর্তে যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা সিপিএমের কালচারই গ্রহণ করেছে।’

বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি করে বলেন, পুরুলিয়ায় তৃণমূলের ভিত্তি সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গেছে। পুরুলিয়া থেকে তৃণমূল নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। মাওবাদী এলাকা বলরামপুর। তৃণমূল মাওবাদীদের কাজে লাগিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপরে এ ধরণের সন্ত্রাস ও হামলা চালাচ্ছে।’

রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেন, ‘আমরা ওই হত্যার তীব্র নিন্দা করছি। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হবে। ওই জঘন্য কাজ যারা করেছে তাদের শাস্তি হবেই। এই ঘটনায় মাওবাদী, বজরং দল, বিজেপি বা ঝাড়খণ্ড সীমান্ত এলাকার কারো যোগ আছে কী না সঠিক তদন্ত করে সত্যটা খুঁজে বের করতে হবে।’

ব্রেকিংনিউজ/আরএ

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2