শিরোনাম:
Ads-Top-1
Ads-Top-2

থর মরুভূমি কাছে টানে

নিউজ ডেস্ক
৩১ মে ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 04:33:00

থর মরুভূমির বেশি অংশ ভারতের রাজস্থান অঙ্গরাজ্যে পড়েছে। হরিয়ানা ও পাঞ্জাব রাজ্যের দক্ষিণভাগে এবং গুজরাট রাজ্যের উত্তরভাগে থর মরুভূমি প্রসারিত হয়েছে। পাকিস্তানে মরুভূমিটি সিন্ধু প্রদেশের পূর্ব অংশে এবং পাঞ্জাব প্রদেশের দক্ষিণ পূর্ব অংশে প্রসারিত হয়েছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে চোলিস্তান নামের আর একটি মরুভূমির সাথে থর মরুভূমি মিলিত হয়েছে। মরুভূমির উত্তরে শতদ্রু নদী, পূর্বে আরাবল্লী পর্বতমালা, দক্ষিণে কচ্ছ জলভূমি এবং পশ্চিমে সিন্ধু নদী দ্বারা সীমায়িত।
 
থর মরুভূমি ঠিক কতটা ভাল লাগা ছুয়ে যাবে যখন মরুভূমিতে বুকে আপনার চরণ যুগল পরবে। ছোট বেলায় পদার্থ বইয়ে মরুভূমির বুকে পুনঃঅভ্যন্তরীন প্রতিফলের ফলে সৃষ্ট মরীচিকা নিয়ে কত পড়েছি।
 
মরুভূমির পথে হাঁটতে গিয়ে হয়ত দেখা মিলতে পারে মরীচিকার। কিন্তু মরীচিকা তো এক চোঁখের ধোকা সেটাকে পানি ভেবে ঝাঁপিয়ে পড়বেন না যেন। রাজস্থানের জয়সালমিরের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এই মরুভূমি। মাইলের পর মাইল সোনারাঙ্গা ঢেউ খেলানো বালুর রাজ্য। ধু ধু প্রান্তরে ধূসর কাঁটা ঝোপ আর বুনো উট। মরুভূমির বুকে উটের একটি বিশেষ নাম রয়েছে। সবাই উটকে মরুভূমির জাহাজ নামেই জানে।
 
থর মরুভূমি থর মরুভূমির বুকে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান সানসেট পয়েন্টে উঁচু বালিয়াড়ি। এখানে পর্যটকেরা মরুসূর্য কেমন করে অস্তমিত যায় সে দৃশ্য দেখার জন্য ভিড় করেন। মরুসূর্যটা যেন সারাদিনের ক্লান্তি শেষে বালুর বুকে হারিয়ে যায় ঘুমিয়ে পরে নতুন করে জাগবার জন্য। পশ্চিম আকাশে মস্ত থালার মত সূর্যটার দিকে সবাই তাকিয়ে থাকে তারপর অপেক্ষার পালা শেষ করে সূর্য ডুবে যায়। আকাশের রং বদলে যায়, মরুভূমিতে একটু তাড়াতাড়ি রাত নামে। ওখানে রয়েছে সারি সারি কাফেলা। রাতে মরুভূমির বুকে তাবুতে বসে এক অন্যরকম অনুভূতি সৃষ্টি হবে! রাজস্থানের নিজস্ব সংস্কৃতি এবং বৈচিত্র্যে আপনার মন ভরে যাবে।
 
আবহাওয়া: থর মরুভূমিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বৃষ্টি হয়। প্রতিবছর আনুমানিক ১০০-৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয় এবং জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে মাসে। এখানকার ক্রান্তীয় জলবায়ুতে এপ্রিল, মে এবং জুন মাসে প্রচণ্ড গরম পরে। তখন সবোর্চ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়। যদি অতিরিক্ত গরম সহ্য করতে না পারেন তবে এ মাসগুলো এড়িয়ে যান।
 
কিভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে জয়সালমিরগামী ট্রেন ধরতে পারেন। কমবেশি ৩৮ থেকে ৪০ ঘণ্টা লাগবে পৌঁছাতে। ভাঙ্গা পথে দিল্লি হয়েও যাওয়া যায়। এতে কষ্ট কম হয়। জয়সালমিরে প্রতিটি হোটেলেই মরুভূমি অভিযানের প্যাকেজ রয়েছে। দুই ধরনের প্যাকেজ। রাতে থাকতে চাইলে এক রকম খরচ আর না চাইলে অন্যরকম। তবে উটের সওয়ারী হতে চাইলে গুনতে হবে কিন্তু আলাদা অর্থ। এবার না হয় ছুটিটা মরুভূমির কোলজুড়ে কিছু ভাললাগাময় সময় এর চক্রে কাটুক। থর মরুভূমির বিস্তীর্ণ পথে যাত্রা শুভ হোক। হ্যাপি ঘোরাঘুরি।

ব্রেকিংনিউজ/জিসা
 

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2