Ads-Top-1
Ads-Top-2

বিষাদের ঋণ বাড়ে

রুবাইয়াত আফরীন
৩১ মে ২০১৮, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 02:46:00

অপেক্ষারত প্রিয়তমারা শেষ পর্যন্ত অপেক্ষাই করে যায়,
রাজপুত্তুরেরা স্বপ্নেই আসে শুধু।
 
একশো বছর বাঁচার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে চোখ বোজে,
কোপাই নদীর তীরে অথবা সায়রে!
 


গান বাঁধে মনে মনে,
শালিক পাখিদের ডানা ঝাপটানোর শব্দে সে গানের সুর হয়।
অভাগাদের দিনলিপি চলতে থাকে,
বিষাদের ঋণ বাড়ে গুণোত্তর ধারায়।
 
সুদের হিসাবটাও বেখাপ্পা তখন।
রাজপুত্তুরা এতো খামখেয়ালি না হলেও পারতো।
 
প্রেম লিখে তিনটে আঙুল ব্যথা হলেও
কুয়াশায় হাত ডুবিয়ে রেখে ভুলে থাকা যেতো তবু!
 
সবুজ সবুজ ঘাসগুলোকে ধান ভেবে
শুকোতে দিতো না রোদ্দুরে,
বোতাম ছাড়া শার্টের পাগলটা।
 

 
 
প্রেমিকা তুমি
 
প্রেমিকা তুমি,
কোন আকার নেই, অভিমান নেই।
পাঁচ বছরের এই প্রেমে ছেলেটা পাঞ্জাবি পরে হাঁটে,
 
এই আমের গন্ধওয়ালা গরমের দিনে ভিজে
একাকার হয় ওর পিঠ-উরু, বলিষ্ঠ শরীর।
 
সিগারেটে পোড়া ঠোট দুটোয় একটুখানি ভাঁজ পড়ে শুধু,
চোখের পাতায় শিশিরের ফোঁটার মতন জলের বিন্দু জমে না।
 
মন পোড়ে, কপালের মধ্যিখানে অগণিত রেখা ভেসে ওঠে।
মনের কথা গলা থেকে বেড়িয়ে মুখে আটকে পড়ে,
একজোড়া ঠোঁটের প্রচণ্ড চেষ্টায়ও তা মুখের বাহির অব্দি আসে না।
 
মনের মধ্যে হু হু করে এক দমকা হাওয়ায় তুফান উঠে,
উড়ে যায় মস্তিষ্কের সদর দপ্তর।
ডাকনামহীন প্রেমিকার নাম ধরে কখনো চিঠি লিখেনি সে।
 
ভালোবেসেছে মনে মনে
আর দুহাতে মিনতি করেছে এ প্রেমিকা যেন
তার শরীর জুড়ে থাকে,
মন জুড়ে থাকে।
 


একটা সোনালু তলা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময়
ভাবলেশহীন ছেলেটার অসাড় প্রেম হঠাৎ জাগ্রত।
 
হাতের পঞ্চম আঙুল  গিয়ে  যখন হিসাব থামে
অসংখ্য প্রেম ফোটা মনে সে স্মরণ করে
প্রেমিকার সাথে কাটানো যুগল স্মৃতির কথা।
 
প্রিয়তমা, ভালো থেকো।
স্টেশন মাস্টারের ডাক এসেছে যে!
কোলকাতা টু ঢাকার টিকিট হাতে হাত নাড়ে প্রেমিক!
 
বাহিরে দারুণ বৃষ্টি,
এক করুণ বৃষ্টি,
সহস্র বছরের জমানো বৃষ্টি।
 
ব্রেকিংনিউজ/জিসা
 

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2