শিরোনাম:

জিয়াউর রহমান : সময়ের সাহসী সারথী

মুহাম্মদ হারুন জামান
৩০ মে ২০১৮, বুধবার
প্রকাশিত: 8:04 আপডেট: 8:08
জিয়াউর রহমান : সময়ের সাহসী সারথী

আজ ৩০ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী। আমাদের জাতীয় জীবনের একটি অত্যন্ত শোকাবহ কালো দিন। এই দিন বাংলাদেশের মুকুটবিহীন রাখাল রাজা খেটে খাওয়া শ্রমজীবী ও মেহনতী মানুষের প্রিয়মুখ, নিখাদ দেশপ্রেমিক স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় রাজনীতির প্রবক্তা, রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সময়ের সাহসী সারথী জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে এইদিনে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে একদল উচ্ছৃঙ্খল উচ্চাভিলাষী সেনা সদস্যরা বিশেষ অশুভ শক্তির এজেন্ট হিসেবে ব্যবহার হয়ে তাঁকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার ধারাকে ব্যাহত করে। আজকের শোকাবহ এই দিনে তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।

জিয়াউর রহমান বর্তমান দেশের এই সময়ে বড়ই প্রাসঙ্গিক। তাঁর উপস্থিতি জাতির ভাগ্য পরিবর্তনে এক অনন্য ভূমিকা রচিত হতে পারতো। দেশ ও জাতির যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন একজন সাহসী কর্মবীর হিসেবে। তিনি এই কর্ম সাধনে দেশ ও জাতির জন্য জীবনের ঝুঁকি নিতে কখনো কুণ্ঠিত হননি। তিনি ইতিহাসের সৃষ্টি নয় ইতিহাস সৃষ্টিকারী।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রিতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে অপারেশন চার্চ লাইট নামে বাঙালিদের উপর আক্রমণ, গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতন লুটপাট শুরু করে। আমাদের জাতীয় নেতৃত্বের কোন সুস্পষ্ট বক্তব্য ও দিক-নির্দেশনা না থাকায়, সিদ্ধান্তহীনতায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দিশেহারা জাতি যখন দিকগিদিক ছুটোছুটি করছিলেন ঠিক সেই মুহূর্তে জাতিকে জেগে উঠার মন্ত্রে উজ্জীবিত করেছিলেন একজন অখ্যাত ‘মেজর জিয়া’, যার প্রতি কোনো নির্দেশনা ও জনগণের পক্ষ থেকে কোন দাবি, প্রত্যাশা না থাকা সত্বেও ও শুধুমাত্র স্বজাতির প্রতি অফুরান ভালোবাসা, দেশ প্রেমের টানে জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে অসীম সাহসীকতার সঙ্গে প্রথমে নিজেকে ‘হেড অফ দ্য স্টেট’, পরে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতাদের অনুরোধে মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জীবনের শ্রেষ্ঠতম ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজেকে ইতিহাসের অপরিহার্য অংশ করে নেন। জিয়াউর রহমানের তুলনা তিনি নিজেই, তার কোনো বিকল্প নেই।



তিনি মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী ও অন্যান্য সিনিয়র সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধকে শৃঙ্খলার মধ্যে পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন সেক্টর কমান্ড গঠনের মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তিনি নিজেও জেড ফোর্স এর অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়ে রণাঙ্গনে স্বাধীনতা যুদ্ধে লিপ্ত হন। মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ সাহসী ভূমিকার জন্যে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক ‘বীর উত্তম’ পদকে ভূষিত হন। অত্যন্ত দুঃখের সাথে উল্লেখ করতে হচ্ছে, স্বাধীনতার এই মহান নেতাকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে জনগণের কাছ থেকে আড়াল করে এবং অবদানকে মুছে ফেলার হীনমানসে তাঁকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ পাকিস্তানের দোসর হিসেবে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা করে থাকেন যা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও গর্হিত কাজ। অথচ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের সভায় সর্বপ্রথম সরওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার স্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে পাকিস্তানের ধারায় প্রচলিত প্রশিক্ষণ প্রণালী বাংলা ভাষায় রূপান্তরিত করেন এবং সেনানিবাসের বিভিন্ন সড়কের নাম মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের নামে নামকরণ ও শিখা অনির্বাণ স্থাপন করে স্বাধীনতার চেতনাকে সমুন্নত রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করেন।

জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার বাগবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম ছিল কমল। ছোটবেলা থেকে তিনি ছিলেন মেধাবী, লাজুক, চিন্তাশীল ও মৃদুভাষী। পাঁচ ভাইয়ের মধ্যে তাঁর অবস্থান ছিল দ্বিতীয়। পিতা মনসুর রহমান ছিলেন একজন কেমিস্ট। মাতা-জাহানারা খাতুন রানি গৃহিণী হলেও ছিলেন শৌখিন সংগীতশিল্পী। তিনি করাচি বেতারে গান করতেন প্রায় নিয়মিত।



কলকাতার হেয়ার স্কুলে তার শিক্ষাজীবন শুরু। তিনি ১৯৫২ সালে করাচি একাডেমি থেকে কৃতিত্বের সাথে ম্যাট্রিক পাস করে করাচি ডি.জে কলেজে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান সামরিক একাডেমিতে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। তিনি দক্ষতা ও সাহসিকতার সহিত দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ১৯৬০ সালে তিনি পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৬৫ সালে পাক ভারত যুদ্ধে বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর আলফা কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধে অসামান্য বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে জিয়া পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব পদক লাভ করে বাঙালি সৈনিকদের মর্যাদার আসনে আসীন করেন। ১৯৭০ সালে জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের অষ্টম ব্যাটালিয়ানের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে বদলি হন।

১৯৭০ সালে নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর তিনি তীক্ষ দৃষ্টি রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীর সিনিয়র অফিসার হওয়া সত্তেও সেনাপ্রধানের দায়িত্ব না দিয়ে তাকে সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ পদের দায়িত্ব দিলে তিনি দিন-রাত্রি পরিশ্রম করে সেনাবাহিনীকে পুনর্গঠন কাজে আত্মনিয়োগ করে সেনাবাহিনীতে ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর তাঁকে সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে ক্যান্টনমেন্ট বাসভবনের বন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করে আনেন। ১৯৭৫ এর ২৫ আগস্ট সেনাপ্রধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর দেশের প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। ১৯৭৭ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবু মোহাম্মদ সায়েমের অসুস্থতা ও দায়িত্ব পালনের অপারগতার কারণে জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ করে গণতন্ত্রের স্বীকৃত পন্থায় আস্থা-অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে জনসমর্থন যাচাই করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত গণতান্ত্রিক ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম.এ. জি. ওসমানীকে ১ কোটিরও বেশি ভোটে পরাজিত করে বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি বহুদলীয় রাজনীতির ধারা প্রবর্তনের জন্য ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ইসলামী মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক বহুদলীয় ধারাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠন করেন। তিনি এই দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। মহাসচিব ছিলেন প্রখ্যাত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এ.কিউ.এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। জিয়া ১৯৭৯ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করেন। উক্ত নির্বাচনে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাসদ, মুসলিম লীগ, আইডিএল, সিপিবিসহ প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলসমূহ অংশগ্রহণ করে। এবং এই নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে। প্রধান বিরোধী দল ছিল আওয়ামী লীগ।



জিয়াউর রহমান স্বল্পসময়ের দেশ পরিচালনায় যে বিশাল উন্নয়ন ও কমযর্জ্ঞের স্বাক্ষর রেখেছে তা ইতিহাসে বিরল। দেশের এমন কোনো শাখা-বা বিভাগ নেই যেখানে তার হাতের স্পর্শ পরে নাই। প্রেসিডেন্ট জিয়া রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থাকার পরও অতি সাধারণ এর মতো জীবন-যাপন করতেন। কোনো ধরনের লোভ-লালসা তাকে স্পর্শ করতে পারতো না। তিনি নিজ ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি আস্থাশীল থাকলেও চিন্তা ও চেতনায় ছিলেন অসাম্প্রদায়িক। তার শাসন আমলে এদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছিল অহংকার করার মতো। তিনি মসজিদ-মাদ্রাসা পাশাপাশি মঠ-মন্দির, গির্জা প্রতিষ্ঠা করে উল্লেখ্যযোগ্য অবদান রাখেন। জিয়া ধর্মীয় পরিচয়ে নয় বাংলাদেশি হিসেবে সকলের স্ব-স্ব ধর্ম পালনের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেন। তিনি প্রতিদিন ১৬-১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করতেন। সময় সময় জনগণের অবস্থা স্বচক্ষে দেখার জন্য মধ্য রাত্রে বাহির হয়ে যেতেন এবং চলার পথে হঠাৎ গাড়ি থামিয়ে কোনো প্রটৌকল না নিয়ে গ্রামের মেঠোপথে হাঁটা শুরু করতেন এবং বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মানুষের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নিতেন।

জিয়াউর রহমান জীবদ্দশায় জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট খোন্দকার মোস্তাক আহমদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন। রাজনৈতিক দল ও রাজনীতি করার গণতান্ত্রিক ধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও এদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য ১৯ দফা যুগান্তকারী কর্মসূচি ঘোষণা করে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন, খাল খনন, মৎস্য চাষ, শিল্প বিপ্লব, শিক্ষা বিপ্লব, কৃষি বিপ্লব ও বন্ধ কলকারখানা চালুর মাধ্যমে দেশকে আত্মনির্ভরশীল দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে তলাবিহীন ঝুড়ির দেশের বদনাম ঘুচিয়ে স্বনির্ভর দেশে পরিণত করেন। তাঁর আমলেই প্রথম বিদেশে চাল রপ্তানি করা হয়। 



আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি, বিদেশি বিনিয়োগ, দেশে প্রথম গার্মেন্টস শিল্প ও ইপিজেড প্রতিষ্ঠা হয়। তিনি প্রতিবেশী দেশসহ সকল দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন বিশেষ করে মুসলিম দেশসমূহের সাথে বিশেষ সুসম্পর্ক, মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজারে প্রবেশ তাঁর বৈদেশিক নীতির অভূতপূর্ব সাফল্য। তিনি ছিলেন সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা। দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, গণমুখী শিক্ষাব্যবস্থা, যুব ও মহিলাদের কর্মসংস্থান, দেশে খেলাধুলার উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা করেন। তিনি ছিলেন দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। তিনি ঘোষণা করেছিলেন এদেশের ‘মাটি ও মানুষ আমাদের সংস্কৃতির উৎস’, বাংলাদেশ আমাদের শেষ ঠিকানা। তাই তাঁর সভা-সমাবেশে ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ’ গানের সাথে হাততালির মাধ্যমে তিনি অনুষ্ঠান শুরু করতেন। তাঁর শাসন আমলে জাতীয় সংসদের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট জিয়া জাতির মুক্তি ও স্বাধীনতা সংগ্রামে অসমান্য অবদান রাখায় মহান নেতা শেরে বাংলা এ.কে.এম. ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবদুল হাহিমদ খান ভাসানীসহ জাতীয় নেতাদের নাম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বিশাল হৃদয়ের পরিচয় দিয়ে গেছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সকল সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে ছিলেন।

জিয়াউর রহমান কর্মজীবন শুরু করেন সৈনিক হিসেবে এবং তার জীবনাবসান হয় একজন সফল রাজনীতিবিদ ও গণমানুষের নেতা হিসেবে। ঢাকা মানিক মিয়া এভিনিউতে স্মরণকালের বৃহৎ নামাজে জানাজা তাঁর প্রতি জনগণের ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ। জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শের কর্মী সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের উচিত মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর বহুমুখী কর্মময় জীবন তুলে ধরা।

লেখক : প্রাবন্ধিক

Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Sidebar-1
Ads-Bottom-1
Ads-Bottom-2