Ads-Top-1
Ads-Top-2

১৩ বছরে পা দিলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

মো. জাহিদুল ইসলাম. কুবি
২৮ মে ২০১৮, সোমবার
প্রকাশিত: 02:11:00

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ১২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে দিবসটি উদযাপন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। এ বছর দিবসটি বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি ও রমজানের মধ্যে হওয়ায় দিবসটি উদযাপনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির কথা চিন্তা করে তেমন জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
 
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে সোমবার সকাল সাড়ে এগারোটায় ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যের সামনে এসে শেষ হয়।
 


আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমি অনেক আশাবাদী। অতীতে কি হল, কি হয়নি তা দেখতে চাই না। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই সামনে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।’
 
তিনি আরও বলেন, এবছর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি রমজানের মধ্যে হওয়ায় তেমন কোন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ভবিষ্যতে দিবসগুলো বন্ধের মধ্যে হলেও তা জাঁকজমকভাবে উদযাপন করবে বলে আশ্বাস দেন।
 
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মাঈনুল হক মিয়াজী, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) ড. মোঃ আবু তাহের, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রক্টরিয়াল বডি, হলের প্রাধ্যক্ষবৃন্দ, শিক্ষক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
 


উল্লেখ্য, কুমিল্লা শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে কোটবাড়ী শালবন বিহার এবং ময়নামতি জাদুঘর সংলগ্ন কুমিল্লার বিখ্যাত লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে ২০০৬ সালের ২৮ মে প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের ২৬তম এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি। এর ঠিক এক বছর পরেই (২৮ মে ২০০৭) মাত্র ৭টি বিভাগে ৩০০ জন শিক্ষার্থী ও ১৫ জন শিক্ষক নিয়ে শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক কার্যক্রম। মধ্য-পূর্বাঞ্চলের সর্বোচ্চ এ বিদ্যাপীঠে বর্তমানে ৬ টি অনুষদের অধীনে ১৯টি বিভাগে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিভাগের ৬টি ব্যাচ দেশ তথা মানবজাতির কল্যাণে বেরিয়েছে।
 
ব্রেকিংনিউজ/জাহিদ/জিসা
 

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বাধিক পঠিত
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2