Ads-Top-1
Ads-Top-2

ভারতের বাংলাদেশ পলিসি

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক
১ এপ্রিল ২০১৮, রবিবার
প্রকাশিত: 01:39:00

আমার এই লেখার বিষয়বস্তুর ধারণা আমি পেয়েছি বিভিন্নভাবে। কয়েক বছর আগে ট্রেনিংয়ে ভারত গিয়ে সেখানকার মানুষজনের আচার আচরণ, সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় এবং ঘুরে দেখে অনেক কিছু জানার সুযোগ হয়েছিল। এরপর ইংল্যান্ডে পড়াশুনার সময় প্রচুর ভারতীয় স্টুডেন্ট এর সাথে মিশেছি। অনেকের সাথে নানা বিষয়ে কথা হয়েছে। ইউনির এশিয়ান সোসাইটির ভারতীয় স্টুডেন্টদের ইভেন্টে গেছি, অনেক কিছু দেখেছি।
 
সর্বশেষ জাপানে পড়াশুনার সময় এশিয়ান রিজিওনালিজম এবং জিওপলিটিক্স এর উপর কিছু রিসার্চ করতে হয়েছে। সে সবের নির্যাস এই লেখা।
 
প্রথম কথা হচ্ছে, বিসমার্ক যেমন বলেছেন foreign policy is the extension of a country's domestic policy। সোজা কথায় একটা দেশের national interest এর আভ্যন্তরীণ উপাদানগুলোই ফরেন পলিসি নির্ধারণে ভুমিকা রাখে। ভারতের ক্ষেত্রেও তাই। সাথে আছে কিছু ইভেন্টস, জিওপলিটিক্স এবং ভারতের গ্লোবাল ভিশন।
 
ভারত সাউথ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ। আয়তনে বড় হলেও মোটামুটি আন্তর্জাতিকভাবে পারসেপশন হচ্ছে ভারতীয়দের মন মানসিকতা ছোট। এটা আপনি ভারতে ভ্রমণে গেলে বা ওদের সাথে মিশলেই বুঝতে পারবেন।
 
একারণে ভৌগলিকভাবে বড় দেশ হলেও আশপাশের ছোট দেশগুলো ভারতের ব্যাপারে ভীত। ভারতও ছোট দেশগুলো যেমন মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশকে তার প্রভাব বলয়ে রাখতে চায়। ১৯৭৫ সালে সিকিম গিলে ফেলার পর, নব্বই দশকে শ্রীলংকার আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপে, মালদ্বীপে সরকার পরিবর্তনে নানা হস্তক্ষেপ, নেপালে ভারতের ইচ্ছা অনুযায়ী সংবিধান তৈরিতে নানা চাপ ও বাণিজ্যিক অস্ত্র প্রয়োগ, ভুটানকে আষ্টেপৃষ্ঠে রাখা, বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান ভারতীয় উপস্থিতি ও প্রভাব এ অঞ্চলকে ঘিরে ভারতের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যেরই অংশ। এ লক্ষ্য যেমন ভারতের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তেমনি ভারতের নিজস্ব বাজার বিস্তার, চীনের উত্থানকে কাউন্টার করা এবং আঞ্চলিক শক্তি হিসাবে ভারতকে প্রতিষ্ঠা করা। সে স্ট্রাটেজিতে অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে ভারতের রাজনীতি ও পলিসিতে।
 
বাংলাদেশ এর ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশ বিষয়ে জিওপলিটিক্স যেমন, বাংলাদেশে ভারতের বছরে দশ বিলিয়ন ডলারের বাজার, চীনের প্রভাব কাউন্টার ব্যালান্স করা, ধর্মীয় ইস্যু, নিরাপত্তা ইত্যাদি ফ্যাক্টর কাজ করে।
 
বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক নির্ধারণে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ একটা বড় ফ্যাক্টর। তবে বিষয়টা বাংলাদেশ দেখে idealism এর দৃষ্টিতে, আর ভারত দেখে realism দিয়ে। কারণ যুদ্ধটা বাংলাদেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধ হলেও ভারতের জন্য তা না। ভারত সেটাকে ৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ, এই অঞ্চলে তার উত্থান আঞ্চলিক রাজনীতিতে তার নিয়ামকের ভূমিকা হিসাবেই দেখে। ভারতের ইতিহাসের ন্যারেটিভে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ তাই ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ হিসাবে উপস্থাপিত হয়। একই সাথে সাধারণ থেকে এলিট সব ভারতীয়ই বিশ্বাস করে ভারতের সাহায্য ছাড়া বাংলাদেশ স্বাধীন হতে পারতনা। কমন ভারতীয় সাইকিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ভারতীয়দের পক্ষ থেকে 'অনুগ্রহ'। যে কোন ভারতীয়র সাথে কথা বলবেন, ব্লান্টলি বা ইন্ডাইরেক্টলি এটা ওরা বুঝিয়ে দেবে।
 
সেই সাথে ভারতের পলিসি নির্ধারক ও রাজনীতিবিদরা জানে মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের একটা বিরাট সেন্টিমেন্ট ও দুর্বল জায়গা। পারষ্পারিক স্বার্থের জায়গায় ভারত তাই ৭১ এর ভূমিকাকে invoke করে। উল্লেখ করতে ভোলেনা ভারত বাংলাদেশের 'পরীক্ষিত বন্ধু'। কিন্তু ভারতের রাজনীতিকরা বাংলাদেশের চেয়েও অভিজ্ঞ, পলিসিমেকাররা বেশি প্রফেশনাল ও গ্লোবালি ফোকাসড হওয়ায় তারা এটাকে বার্গেইনে লেভারেজ হিসাবে ব্যবহার করে। সাথে আছে তাদের রিয়ালিজম। ভারত এ অঞ্চলে আরো কয়েকটা যুদ্ধ করেছে প্রতিবেশীদের সাথে: পাকিস্তানের সাথে বেশ কয়েকবার, চীনের সাথে সীমান্ত যুদ্ধ, শ্রীলংকার গৃহযুদ্ধ। এসব যুদ্ধ ভারতকে দিয়েছে অতিজাতীয়তাবাদের স্পিরিট, প্রতিবেশীদের সম্পরকে অবিশ্বাস ও সন্দেহের দৃষ্টিভঙ্গি এবং নিজস্ব নিরাপত্তা সম্পর্কে বাস্তব শিক্ষা। এ শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা দিয়েই তারা বাংলাদেশসহ অন্য প্রতিবেশীদের সাথে ডিল করে। সে জানে চীন ও পাকিস্তান তার জন্য থ্রেট। এ থ্রেট মোকাবিলায় আশে পাশের দেশগুলোকে বাফার জোনে রাখা বা নিজস্ব হিন্টারল্যান্ড হিসাবে রাখা তার ভবিষ্যৎ অস্তিত্ব ও নিরাপত্তার জন্যই প্রয়োজন....
 
ভারতের বাংলাদেশ পলিসি বুঝতে হলে জিওপলিটিক্স, আঞ্চলিক রাজনীতি, জিওইকনমিক্স এবং ভারতের আভ্যন্তরীণ নানা ইস্যু ইত্যাদি লেন্স দিয়ে দেখতে হবে।
 
কলকাতা স্টেডিয়ামে টি টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ পাকিস্তান খেলায় ভারতীয়রা কেন 'পরীক্ষিত বন্ধু' বাংলাদেশকে সাপোর্ট না করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে সাপোর্ট করে সেটা বোঝার জন্য তাদের সাইকিটাও বোঝা জরুরী।
 
পলিসি সাইন্স বলে some events catch fire. এগুলো হলো burning issue. এসব ঘটনা পলিসি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটকের কাজ করে। বাংলাদেশ বিষয়ে ভারতের পলিসি নির্ধারণে বাবরি মসজিদ ধ্বংসোত্তর এবং বিভিন্ন নির্বাচন উত্তর এদেশে হিন্দুদের উপর নানা নির্যাতনের ঘটনা, ২১ ট্রাক অস্ত্র পাচারের ঘটনা এগুলো খুবই সিরিয়াস ইস্যু। হিন্দুরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হলেও ভারতের মেজরিটি। বাংলাদেশে হিন্দু স্বার্থ রক্ষা করা তাই ভারতের অলিখিত স্টেট পলিসি। এর প্রেক্ষিতে এ অঞ্চলে ভারত তার গোয়েন্দা কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত করে, এবং বিভিন্ন গোপন অভিযান পরিচালনা করে। এ কাজে তার বড় ডিফেন্স আমেরিকার 'ওয়ার অন টেররিজম'। কারণ ভারতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন অভিযানকে ওয়ার অন টেররিজমের ফ্রেমওয়ার্কে ফেলে দিলে পশ্চিমা মিডিয়া এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর আর কিছুই বলার থাকেনা, এটাযে তাদেরও পলিসি। এভাবেই কিছুদিন আগে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ভারতের কমান্ডো অভিযান ভারত আন্তর্জাতিক মহলে 'বৈধতা' দিয়েছে, এবং এর মাধ্যমে এই অঞ্চলে এই বার্তা দিয়েছে যে প্রয়োজনে অন্য দেশের অভ্যন্তরেও ভারত এ ধরনের অভিযান চালাবে।
 
কাগজে কলমে ভারত সেক্যুলার বা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র দাবি করলেও বাস্তবতা ভিন্ন। ভারত ধর্মীয় স্বাধীনতার দিক থেকে পৃথিবীর অন্যতম অসহিষ্ণু ও সাম্প্রদায়িক দেশ। ভারতের টিভি চ্যানেল, সিনেমাগুলো রাতদিন তাদের সাম্প্রদায়িক আদর্শ গ্লোরিফাই করছে। গরু নিয়ে যে তুলকালাম হয়, স্বয়ং কংগ্রেস এমপি শশী থারুর এর কথাই বিবেচনায় নিন: 'ভারতে মুসলিম হয়ে জন্মানোর চেয়ে গরু হয়ে জন্ম নেয়া নিরাপদ'। ভারতের রাজনীতিতে ধর্মের তাই গভীর প্রভাব রয়েছে। এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতির এ প্রভাব পরে তাদের বিদেশ নীতিতেও, বিশেষ করে তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্ঠীর ও নিকটতম প্রতিবেশি বাংলাদেশের বেলায়। হয়তো বলতে পারেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কে ধর্মকে টেনে আনা কেন? তাহলে বিখ্যাত আমেরিকান সমাজবিজ্ঞানী 'সোশিওলজি অব নলেজ এন্ড রিলিজিয়ন ' তত্ত্বের প্রবক্তা Peter Berger এর কথা শুনুন, " Those who neglect religion in their analysis of contemporary affairs do so at the great peril".
 
বহু ধর্মে ও ভাষায় বিভক্ত ভারতকে একক রাখতে প্রয়োজন একটা আদর্শ এবং শক্তিশালী জাতীয়তাবাদ। কাগজে কলমে ভারত নিজেকে সেক্যুলার দাবি করলেও ভারতের সংস্কৃতি কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ নয়, বরং সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের সংস্কৃতিই ডমিনেট করে। অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা ভারতের রাজনীতি, অর্থনীতি এবং প্রশাসনে মার্জিনালাইজড। যদিও উন্নয়ন অর্থনীতিবিদিরা ভারতের বর্ণভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা এবং নানা কুসংস্কারে আক্রান্ত সামাজিক ও ধর্মীয় নানা বিভক্তি ও আচারকে ভারতের উন্নয়নের পথে অন্যতম অন্তরায় মনে করেন, কিন্তু উগ্র জাতীয়তাবাদের চেতনায় সে সব হারিয়ে যায়।
 
তারপরেও ভারতের লক্ষ্য অর্থনীতিতে চীনকে ধরে ফেলা। সে জন্য এ অঞ্চলের জিওপলিটিক্সে, বিনিয়োগে এবং অবকাঠামোতে ভারত নিজেকে আগ্রাসীভাবে পুশ করছে, সাথে চীনের প্রভাব খর্ব করতে চাইছে। কারণ ব্যবসা ও বিনিয়োগে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী চীন। এ কারণে ভুটানকে চীনের নেতৃত্বাধীন এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকে যোগ দিতে দেয়নি। ভুটানের হাইড্রোইলেকট্রিক প্রকল্পে বিশাল বিনিয়োগ করেছে ভারত। নেপালের অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে নানাভাবে। বাংলাদেশের পাওয়ার সেক্টরে ক্রমেই ভারত নিজেকে নির্ভরশীলের জায়গায় নিতে চাইছে। কয়েকটা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতের ঋণ ও পরিচালনার মাধ্যমে 'ডিপ্লোম্যাট' পত্রিকার ভাষায় বাংলাদেশকে 'পাওয়ার ট্রাপে' ফেলছে ভারত। চীনের প্রস্তাবিত এবং ৫০ বিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট 'One Belt One Road' ( OBOR) যা চটগ্রাম বন্দরকেও কানেক্ট করবে সেখানে চট্টগ্রাম বন্দরের সুবিধা নিতে চাইছে সেভেন সিস্টার্সে তার কানেক্টিভিটির জন্য। একই সাথে চীন তার Strings of Pearls স্ট্রাটেজিতে শ্রীলংকার হাম্বান্টোটা, পাকিস্তানের গোয়াদিওর, কক্সবাজারের প্রস্তাবিত ডিপ সী পোর্ট সোনাদিয়া এবং জিবুতিতে চীনের নেভাল বেসকে কানেক্ট করে ভারত মহাসাগরে মার্কিন নৌকমান্ড মোকাবিলার জন্য যে নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে, ভারত চায় চীনকে তা না দিতে। এ জন্য সোনাদিয়া ডিপ সী পোর্ট করতে চাইছে ভারত। চীন তার স্বার্থের জন্য থ্রেট।
 
আর এসব মেগা প্রজেক্টগুলোর জন্য পলিসি ও পলিটিক্সে প্রভাব বিস্তারের জন্য ভারতের রয়েছে 'সফট পাওয়ার'। তার সিনেমা টিভি চ্যানেলের বিশাল বাজার ও ভোক্তা বাংলাদেশ। দরকার শুধু প্রোপাগান্ডা আর কালচারাল হেজিমনি, যার অনেকটাই ইতোমধ্যে অর্জিত।
 
পাকিস্তান পারভেজ মোশাররফের শেষ সময়ে ভারতের সব টিভি চ্যানেল নিষিদ্ধ করেছে। সর্বশেষ নেপাল সেটা করেছে। ভুটান তাদের অফিস আদালতে ট্রাডিশনাল পোশাকের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে নিজেদের স্বকীয়তা বজায় রাখতে। আমরা?
 
বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জাতীয়তাবাদ, চীনকে মোকাবেলা, আঞ্চলিক পরাশক্তি হওয়ার স্বপ্ন এবং আশে পাশের দেশকে ভারতের প্রভাব বলয়ে রাখার জন্য প্রতিবেশী দেশ সমূহের অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা চাই ভারতের। আর অর্থনীতির সাথে আসে রাজনীতি। এ কারণে রাজনীতি, পলিসি এবং অর্থনীতি সব ক্ষেত্রেই ভারত নানাভাবে প্রভাব বিস্তার করছে। মিডিয়া, সিনেমা, টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে নিজস্ব কালচার আর আইডিয়া 'এক্সপোর্ট' করছে। বাকি কাজ সহজ হয়ে যাচ্ছে ভার্টিক্যাল নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে। প্রতিবেশী দেশ সমূহের সুশিল সমাজ, বুদ্ধিজীবি শ্রেণিকে নানা পুরস্কার, ভ্রমণ, সুবিধা ইত্যাদি দিয়ে একটা অনুগত ও সমর্থক প্লাটফর্ম তৈরি করছে। প্রশিক্ষণ, শিক্ষা, ভ্রমণ ইত্যাদি দিয়ে সিভিল ও মিলিটারি ব্যুরোক্রেসির মাইন্ড ট্র‍্যাক করছে এবং 'প্রো ইন্ডিয়ান' গ্রুপ তৈরি করছে। এই স্ট্রাটেজি সব উন্নত দেশই করে।
 
প্রতিবেশী দেশকে নিজের বাজার ও প্রভাব বলয়ে নেয়ার জন্য যে স্ট্রাটেজি নেয়া দরকার তাই নিবে ভারত, প্রয়োজনে যদি সেটা আভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপও হয়, এবং স্ট্যান্ডার্ড ডিপ্লোম্যাটিক নর্মস বিসর্জন দিতে হয়।
 
প্রটেকটিভ ও কাউন্টার ব্যালান্সিং স্ট্রাটেজি না নিতে পারলে আগামীতে ভারতের প্রভাব ও ইনক্লুশন আরো বাড়বে। দি স্টেজ ইজ সেট। পলিটিক্স ইজ এ গ্রেট গেইম, এন্ড দেয়ার আর বোথ উইনার এন্ড লুজার। চয়েস ইজ ইওরস!
 
স্টিফেন ডিডেলাসের ফেসবুক থেকে...।

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2