শিরোনাম:
Ads-Top-1
Ads-Top-2

সহায়কও নয়, তত্ত্বাবধায়কও নয়

আব্দুর রহমান
২ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: 10:31:00 আপডেট: 12:00:00

স্বচ্ছ ও পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান। ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ছাত্রলীগের দায়িত্ব ভালভাবে পালন করায় তাঁকে ২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সর্বত্র দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ায় ২০০৮ সালে ফরিদপুর ১ আসন থেকে নৌকা প্রতীকে তাকে মনোনয়ন দেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। প্রথমবারের মত নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেয়েই বাজিমাত করেন আব্দুর রহমান। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সাল একই আসন থেকে টানা দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এই বর্ষীয়ান নেতা।
 
সম্প্রতি এই অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ দেশের চলামান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি-এর মুখোমুখি হয়েছিলেন। তার সঙ্গে সাম্প্রতিক ইস্যুগুলো নিয়ে কথা বলেছেন ব্রেকিংনিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক এ কে এম ইমরান হোসাইন।

ব্রেকিংনিউজ : বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণ করে এসেছেন। এটাকে আপনারা কিভাবে দেখছেন?

আব্দুর রহমান : খালেদা জিয়া ত্রাণ বিতরণের আড়ালে রাজনৈতিক সফর করে এসেছেন। তাঁর কোনও মানবিক দৃষ্টি ছিল না রোহিঙ্গাদের প্রতি। দীর্ঘ দিন তার অনুপস্থিতিটা তার দল এবং তিনি নিজে বিব্রত অবস্থায় ছিলেন বলে আমরা মনে করি। বিপন্ন এই রোহিঙ্গাদের পাশে যখন সকলেই দল-মত নির্বিশেষে দাঁড়ানোর কথা তখন তার এই অনুপস্থিতি ছিল খুবই বিব্রতকর- তার এবং তার দলের জন্য। আর সেই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্যই তিনি লন্ডন থেকে এসে একটি সফরসূচি সাজিয়েছেন। তাও দেশে আসার বেশ কয়েকদিন পর। চার দিনের এই সফরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে তিনি সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট সময় দিয়েছেন। ত্রাণ দেওয়ার নামে যে নাটকটি খালেদা জিয়া মঞ্চায়িত করেছেন আমি মনে করি এটি একটি নেহায়েত রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্বহীনতার বহিঃপ্রকাশ। সফরে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে এটি আজ জাতির সামনে পরিষ্কার। এই হামলা তারা নিজেরাই সাজিয়েছে পরিকল্পনা মত। তার এই সফরসূচিকে কেন্দ্র করে তিনি কয়েকটি জেলায় কয়েকজন দায়িত্বশীল নেতাকে পাঠিয়েছেন- সমস্ত বিষয়টি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মত করার জন্য। 

এর প্রমাণ হিসেবে একটি অডিও বার্তায় শাহাদাত হোসেন নামের চট্টগ্রামের এক নেতা তার কর্মীদের স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাদের যেন টাকা পয়সা দিয়ে সামনে রাখা হয় সেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এহেন একটা নোংরামির মধ্য দিয়ে দায়িত্বশীল রাজনীতি বলতে যেটা বুঝায় সেটা তিনি করেনি। আমরা ভেবেছিলাম বিএনপি অসুস্থ রাজনীতি থেকে সুস্থ রাজনীতিতে ফিরে আসবে। কিন্তু তারা আমাদেরকে হতবাক করল, এইভাবে ত্রাণের নামে নোংরা রাজনীতি করার মাধ্যমে।

ব্রেকিংনিউজ : ছাত্রলীগের নেতারা কি তাহলে টাকার বিনিময়ে হামলার কাজ করে থাকে?

আব্দুর রহমান : কোনও ছাত্রলীগের নেতা বা কর্মী গাড়িতে হামলা করেনি। আর টাকার বিনিময়ে তো প্রশ্নই আসে না। তারপরও যদি কেউ ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে এসব কাজ করে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সবোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ব্রেকিংনিউজ : বিএনপি কিছু দিন আগে সহায়ক সরকারের কথা বলেছিল। কিন্তু এখন তারা আবার বলছে তত্বাবধায়ক সরকারের কথা। এ সম্পর্কে আপনার বক্তব্য কি?

আব্দুর রহমান : সহায়ক সরকার কিংবা তত্বাবদায়ক সরকার এর কোনটিই বিদ্যমান সংবিধানের আওতায় সম্ভব নয়। এবং সেটি কখনও হবেও না। খালেদা জিয়া এবং তার দল খুব ভালোভাবে জানে এই দাবিটি না হবে আন্দোলনের মধ্যে না হবে আলাচনার মধ্য দিয়ে আদায়। তারা মানুষকে বিভ্রান্ত এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে চাইছে। তাদের মনে রাখতে হবে এটি ২০১৪ সাল না। ২০১৪ সালেও যে জ্বালাও-পোড়াও করেছে বিএনপি বাংলাদেশের মানুষ সেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিও মোকাবিলা করেছে নীরবে-নিঃশব্দে। এবার এই প্রতিবাদগুলো সাধারণ মানুষ করবে। সুতরাং এ ধরনের কর্মসূচি দিয়ে তারা যে পার পাবে না তারা নিজেরাও তা ভালেভাবে জানেন। আমি মনে করি বিএনপির সামনে নির্বাচনে আসা ছাড়া এখন আর কোনও বিকল্প পথ নেই। তারা অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে হলেও নির্বাচনে আসবে। কারণ তাদের দলের অভ্যন্তরে তৃণমূলের যেসব নেতাকর্মী আছেন তাদের ওপর প্রচণ্ড পরিমাণ চাপ আছে। 

তবে উনি (খালেদা) নির্বাচনবিমুখ একটি চিন্তা-ভাবনার মধ্যে থাকতে চান। কারণ তার ছেলে তারেক রহমান দেশে আসতে পারেন না। তার ওপর গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। সে নির্বাচন করতে পারবে না। খালেদার জিয়ার মাথার উপরও মামলা ঝুলছে। এই মামলা নিয়েও তিনি উৎকণ্ঠায়। অবশ্য ভেতরে ভেতরে খালেদা জিয়ার নেতাকর্মীরা তৃণমূলেও নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছে।

ব্রেকিংনিউজ : বিএনপির সঙ্গে সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা বলে আখ্যা দিয়েছেন। সিইসির এই বক্তব্যের বিষয়ে যদি কিছু বলেন...।
 
আব্দুর রহমান : সিইসি যদি আসলেই এই বক্তব্য দিয়ে থাকেন তাহলে তিনি ইতিহাসের অসত্য উচ্চারণ করেছেন। তিনি হতাশাব্যঞ্জক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি ইতিহাস বিকৃতি করেছেন। তবে অনেকের কথার প্রকাশভঙ্গি বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তিনি কোন অবস্থায় কী বুঝাতে চেয়েছেন-এটিও কিন্তু একটি লক্ষ্যণীয় বিষয়।  

ব্রেকিংনিউজ : প্রধান নির্বাচন কমিশনার যদি অসত্য এবং হতাশাব্যঞ্জক বক্তব্য দিয়ে থাকেন তাহলে আগামী নির্বাচন তার নেতৃত্বে কতটা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করা সম্ভব বলে মনে করেন? অথবা আদৌ কি সম্ভব?

আব্দুর রহমান : আমি মনে করি তিনি কোন বিশেষ প্রেক্ষিতে এই বক্তব্য দিয়েছেন তা আগে আমাদের বুঝতে হবে। এই ব্যাপাটায় আমার ব্যথিত। তাই বলে আমরা উদ্বিগ্ন উৎকণ্ঠিত নই।

ব্রেকিংনিউজ : আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে ৫টি সিটি করপোরেশনের নির্বাচন রয়েছে। এই নির্বাচনকে আপনারা কতটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন? জাতীয় নির্বাচনে কি এর কোনও প্রভাব থাকবে বলে মনে করেন?

আব্দুর রহমান : আমরা সব ধরনের নির্বাচনকেই সবসময় গুরুত্ব সহকারে নেই। এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনকেও। সুতরাং সিটি করপোরেশন তো একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই নির্বাচনকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বের সাথে দেখি। এই নির্বাচনকে খাটো করে দেখার কোনও উপায় নেই। আমরা জেতার মনমানসিকতা নিয়ে ভোটে লড়বো। এবং সেই অনুযায়ীই প্রার্থী যাচাই-বাছাই করবো। যাদের ভাল ইমেজ ও সুনাম রয়েছে তারাই অগ্রাধিকার পাবে। আমরা মনে করি নির্বাচনে জেতার মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে জনগণ। তাই আমরা জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে ইতোমধ্যে নানামুখি কাযক্রম শুরু করেছি। আমরা দলের সিনিয়র ও দায়িত্বশীল নেতাদের নিয়ে বসেছি, যেন জনগণকে বেশি করে নির্বাচনে সম্পৃক্ত করা যায়। সর্বোপরি নির্বাচনকে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।


 
ব্রেকিংনিউজ : আমরা দেখেছি- বিভিন্ন সময় অর্থের বিনিময়ে দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এবার সিটি নির্বাচনে কি তেমন কিছুর পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা আছে? 

আব্দুর রহমান : অর্থের সঙ্গে মনোনয়নের ব্যাপারটা জড়ানো অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি একটি অনৈতিক বিষয়। আর অতীতে এরকম হয়েছে বলে অমার জানা নেই। অন্তত আওয়ামী লীগের মনোনয়নে। আমিও আপনাদের মতোই পত্রপত্রিকায় দেখেছি। কিন্তু আমার বিশ্বাস আমাদের প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে বিশেষ নজর রাখবেন। দলের সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় যেন কেউ এরকম কিছু করতে না পারে।

ব্রেকিংনিউজ : আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেক মনোনয়নপ্রত্যাশী নিজেদের এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে আপনারা কী ধরনের প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন?

আব্দুর রহমান : প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রথম শর্ত হওয়া উচিত সেই প্রার্থী দলের জন্য কতটুকু নিবেদিত। অন্তত রাজনৈতিকভাবে। তার পরে তার জনমতে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, সে কতটা সৎ- প্রার্থী বাছাইয়ে তো এসব দিক অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া হবে বলে আমি মনে করি।

ব্রেকিংনিউজ : দেশের অনেক জায়গায় জামায়াত-শিবিরের লোকজন আওয়ামী লীগে ছাত্রলীগে যোগ দিচ্ছে। এ বিষয়টিকে আপনারা কিভাবে দেখছেন?

আব্দুর রহমান : এ ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা কালেভদ্রে ঘটতে পারে। এখনও কোথাও কোথাও হচ্ছে। তবে ঢালাওভাবে নয়। কোনও ব্যক্তি যদি সত্যি সত্যিই ভালো লোক হন মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন তবে অন্য দলের হলেও তার আওয়ামী লীগে যোগদানের সুযোগ থাকতে পারে। এক্ষেত্রে স্বাধীনতাবিরোধী কিংবা জামায়াত-শিবিরের কোনও জায়গা নেই। তৃণমূলে কোথাও কোথাও হতে পারে। তবে আমি আবারও বলছি- স্বাধীনতার পক্ষের কোন শক্তি আমার দলে আসতে পারে। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধী কোনও শক্তি আমার দলে আসবে- আমি সেটার ঘোর বিরোধী।

ব্রেকিংনিউজ: বিভিন্ন সময় মিডিয়াতে আসছে ১০০-১৫০ জন প্রার্থী জাতীয় নির্বাচনের জন্য নিশ্চিত। এ বিষয়টি কতটুকু সত্য বা গ্রহণযোগ্য? এ প্রসঙ্গে আপনার অভিমত কি?

আব্দুর রহমান : আমি মনে করি আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কারও মনোনয়নই নিশ্চিত নয়। অতএব বুঝতেই পারছেন...।

ব্রেকিংনিউজ : বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া লন্ডনে অবস্থানকালে ভারতের বিজেপি নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনেও এমন গুঞ্জন আছে। আপনার কাছে বিষয়টির রাজনৈতিক ব্যাখ্যা কি?

আব্দুর রহমান : বৈঠক হতেই পারে। এজন্য আমাদের বিষয়টিকে নেতিবাচক অর্থে দেখা  ঠিক নয়। কারণ বিজেপি ভারতের একটি বড় দল। এবং বর্তমানে শাসন ক্ষমতায়। এতে আমার অসুবিধার জায়গা দেখি না। আর বৈঠকের বিষয়ে আপনারাও যেমন জানেন না আমরাও জানিনা। বিএনপির সঙ্গে যদি বিজেপির এ ধরনের বৈঠক হয়েও থাকে তবে আমরা সেটিকে বড় কোনও আশঙ্কার কারণ বলে মনে করছি না।

ব্রেকিংনিউজ : ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশ সরকারের ওপর বহির্বিশ্বের অনাস্থা নিয়ে সম্প্রতি যে দুটি সংবাদ প্রকাশ হয়েছে এ নিয়ে আপনার অভিমত কি?

আব্দুর রহমান: যে ঘটনাগুলোকে ইস্যু করে খবর ছাপা হয়েছে সেগুলোর অস্তিত্ব নিয়ে সংশয় আছে।

ব্রেকিংনিউজ: আপনি বর্তমানে বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের দায়িত্ব আছেন। সেখানকার বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা কেমন?

আব্দুর রহমান : বরিশাল এবং খুলনার বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভাল। তবে আগে দলের দায়িত্বে থাকা নেতাদের মধ্যে যে বৈরিতা ছিল তা অনেকটাই কমেছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামী নির্বাচনে নেতাকর্মীদের কাজে লাগানোই আমাদের মূখ্য উদ্দেশ্য।

ব্রেকিংনিউজ : সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদের হাতে বিচারপতি নিয়োগ কিংবা অপসারণের ক্ষমতা রাখা হয়েছিল। কিন্তু তা বাতিল করে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। যদি সুপ্রিম কোর্টের হাতে বিচারপতি নিয়োগ এবং অপসারণের ক্ষমতা থাকে থাকলে অসুবিধা কোথায় আপনাদের? বিপরীতে সংসদের হাতে থাকলেই বা বিশেষ কি সুবিধা?

আব্দুর রহমান : প্রধান বিচারপতি একা সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এটি একটি স্বৈরতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এখানে এক ব্যক্তির ইচ্ছায় একজন বিচারপতির অপসারণ হয়ে যেতে পারে। আর এই ধারণাটা এসেছে জিয়াউর রহমানের মাশাল ল’ এর মধ্য দিয়ে। কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম এটা সংসদের হাতে ন্যাস্ত থাকবে। কিভাবে বিচারপতির অপসারণ এবং অভিসংশন হবে তার জন্য আরেকটি আইন হবে। আর একজন বিচারপতির বিরুদ্ধে যদি কমপক্ষে ১০ জন সংসদ সদস্য অভিযোগ আনেন তাহলে সংসদের মাননীয় স্পিকার বিষয়টি আমলে নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেবেন। সেই কমিটি যদি যাচাই-বাছাই করে অভিযোগ আমলে নেওয়ার মত বলে মনে করে তবে সংসদে এ নিয়ে ভোট হবে। দুই তৃতীয়াংশ ভোট যেদিকে পড়বে সে রায়ই কার্যকর হবে। এটা সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

ব্রেকিংনিউজ : প্রধান বিচারপতি যদি আবার দায়িত্বে ফিরে আসেন তাহলে কি তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন?
 
আব্দুর রহমান : এটি একটি সাংবিধানিক বিষয়। এটি সাংবাদিকতার বিষয়ও না রাজনীতির বিষয়ও না। উনার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ওনার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে দায়িত্বে পুনর্বহাল হওয়ার। আর উনার ব্যক্তিগত ইচ্ছার উপরও অনেক কিছু নির্ভর করবে।

ব্রেকিংনিউজ : সময় দিয়ে কথা বলার জন্য কৃতজ্ঞতা।

আব্দুর রহমান : আপনাকে ও ব্রেকিংনিউজ পরিবারকেও ধন্যবাদ।

ব্রেকিংনিউজ/আইএইচ/এমআর

Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
Ads-Sidebar-3
সর্বশেষ খবর
Ads-Sidebar-3
Ads-Top-1
Ads-Top-2