শিরোনাম:

সাফাতসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট,
ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : সোমবার, ১৯ জুন ২০১৭, ১২:৫৫
অ-অ+
সাফাতসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ

ঢাকা : রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত। 

সোমবার (১৯ জুন) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক সফিউল আজম অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন। একইসঙ্গে বিচারক আগামী ৯ জুলাই অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন। 

অভিযুক্ত পাঁচজন হলেন- আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু সাদমান সাকিফ, নাঈম আশরাফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী। পাঁচ আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন। 

এর আগে গত ১২ জুন মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় সিএমএম আদালত থেকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ বদলি করা হয়। এরপর বিচারক মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য আজকের দিন ঠিক করেন। এদিন আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

তারও আগে গত ৭ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রটি আদালতে দাখিল করেন। 

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী বনানীর ২৭ নম্বর রোডে রেইনট্রি হোটেলে সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। ওইদিন রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী এবং তার বান্ধবী ও বন্ধুকে আটকে রাখে। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। বাদী ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যায় আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করে। ধর্ষণ করার সময় সাফাত গাড়িচালককে ভিডিওচিত্র ধারণ করতে বলেন। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন। 

মামলা হওয়ার পাঁচদিন পর গত ১১ মে সিলেট থেকে সাফাত ও সাদমানকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর ১৫ মে সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী রহমত ঢাকায় গ্রেফতার হন। সবশেষে ১৭ মে মুন্সীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয় নাঈম আশরাফ। 

ব্রেকিংনিউজ/ এসএ