শিরোনাম:

রাজধানীতে বেড়েছে মসলার দাম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি
প্রকাশিত : রবিবার, ১১ জুন ২০১৭, ০২:২৪
অ-অ+
রাজধানীতে বেড়েছে মসলার দাম

ঢাকা: ঈদুল ফিতরের আগেই রাজধানীর বাজারে বেড়ে গেছে মসলার দাম। বাজেটে মসলা আমদানিতে শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও বেড়েছে এই নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। এবার মসলা কিনতেও বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

বাজার ঘুরে জানা গেছে, বাজারে ভারতীয় জিরার দাম কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়ে ৩৫০ টাকা, সিরিয়ার জিরা ২৫-৩০ টাকা বেড়ে ৩৭৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এলাচির দাম কেজিতে ১৫০-২০০ টাকা বেড়েছে।

এ ছাড়া খুচরা পর্যায়ে কিশমিসের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা। দারুচিনি কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা। তবে গোলমরিচ, লবঙ্গসহ অন্যান্য মসলার দামে হেরফের হয়নি।

বাংলাদেশ পাইকারি মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এনায়েতুল্লাহ বলেন, ‘সরকার মসলাকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে গণ্য করে। একে তো সরকার কর বাড়িয়েছে, অন্যদিকে আমদানি মূল্যও বেশি। এ কারণেই এসব মসলার দাম বেড়েছে।’

তিনি আরও বলেন, মশলায় এত কর থাকা উচিত নয়। আমরা দীর্ঘদিন ধরে কর কমানোর কথা বলছি, কিন্তু এবার বাড়ানো হলো। নতুন কর কাঠামোর কারণে এক কেজি জিরায় ১৩ টাকা, এলাচিতে ৫৭-৫৮ টাকা ও গোলমরিচে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কর বেড়েছে।

রাজধানীর বাজারে এখন পেঁয়াজ বেশ কম দামে বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩০ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে। তবে বিদেশি রসুনের দাম চড়া। চীনা রসুন ৩৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন আমদানি হওয়া ভারতীয় রসুন মিলছে ২৫০ টাকা কেজিতে। দেশীয় রসুন ১২০-১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জিরা, এলাচি, দারুচিনি, গোলমরিচ ইত্যাদি মসলা আমদানিতে আমদানি শুল্ক ২৫ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করেছেন, অন্যদিকে সম্পূরক শুল্ক ২০ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করেছেন।

বাজারে দেশি মসলার চেয়ে বিদেশি মসলার চাহিদা বেশি রয়েছে। বিদেশি মসলা মোটেই সাশ্রয় নয় বলে জানিয়েছেন অনেকেই। কেননা রান্নার ক্ষেত্রে বিদেশি মসলা দেশি মসলার তুলনায় বেশি লাগে। এছাড়া আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্যের সুনাম বিশ্বজুড়ে। তাই বাজার বিশেষজ্ঞরা দেশি মসলা কেনার জন্য আহবান জানিয়েছেন। 

ব্রেকিংনিউজ.কম.বিডি/ এমএইচ