আমরা স্মরণ করছি বিগত বছরে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত, আহত ও পঙ্গু কয়েক হাজার মানুষ ও তাদের পরিবারকে। সরকারি হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬ জন মারা যাচ্ছে বললেও বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসেবে প্রতিদিন গড়ে ২৪ জন। সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ্বে প্রতি বছর ১২ লাখ প্রাণ ঝরে যাচ্ছে এবং দুই থেকে পাঁচ কোটি মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করছে। বেশিরভাগ হতাহতের ঘটনা মূলত নিম্ন ও মধ্য আয়ের ৮৭টি দেশে ঘটছে। প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যায় যথাক্রমে ১৮.৩ এবং ২০.১ জন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে যথাযথ পদক্ষেপ ও সাবধানতা অবলম্বন করলে বিশ্বে প্রতি বছর ৫০ লাখ লোককে সড়ক দুর্ঘটনার অপঘাত মৃত্যু থেকে বাঁচানো যায়। বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহামারী এবং অপঘাতে মৃত্যুর ৮ম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বিশ্ব ব্যাংকের মতে সড়ক র্দুঘটনার কারনে বাংলাদেশের জিডিপিতে ক্ষতির পরিমান ১.৬ শতাংশ।

প্রকাশিত : রবিবার ২০শে নভেম্বর ২০১৬ সকাল ০৯:০৬:৪০

দেশের মিঠা পানিতে যেখানে ২৫০ প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়, সেখানে বঙ্গোপসাগরে রয়েছে প্রায় ৪৭৫ প্রজাতির মাছ। প্রতি বছর সাগরে ৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন মাছ ধরা পড়ে। এরমধ্যে মাত্র ০ দশমিক ২৯ মিলিয়ন মেট্রিক টন মাছ মৎস্যজীবীরা আহরণ করে। বড় ট্রলারের সংখ্যা কম হওয়ায় বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ হাজার ছোট ট্রলার ও নৌকা মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটারের অধিক টেরিটোরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক (ইইজেড) অঞ্চল এবং চট্রগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল (নটিক্যাল মাইল=১.১৫ মাইল) পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সকল ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের উপর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

প্রকাশিত : শুক্রবার ১৮ই নভেম্বর ২০১৬ দুপুর ০২:১১:৪৬

আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে বাংলাদেশের অন্যান্য ইস্যুগুলোর সঙ্গে রাজবাড়িতে প্রস্তাবিত গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং তিস্তা নদীর পানি বণ্টনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ভারতের একটি উচ্চ পর্যায়ের কারিগরি প্রতিনিধি দলের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফর এবং রাজবাড়ির পাংশায় প্রস্তাবিত গঙ্গা ব্যারেজের স্থান পরিদর্শনের পর ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করায় বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান বিভিন্ন অনিস্পন্ন বিষয়গুলোও এ সফরে আলোচিত হবে।

প্রকাশিত : বৃহঃস্পতিবার ১০ই নভেম্বর ২০১৬ বিকাল ০৪:৩৩:০০

বাংলাদেশি অনেক এজেন্টের বিরুদ্ধে ওমরা হজের নামে মানবপাচারের অভিযোগ ছিল। এ কারণে সৌদি সরকার বাংলাদেশি ওমরা হজ পালনে আগ্রহীদের জন্য ১৪ দিনের বিশেষ প্যাকেজ ব্যবস্থা চালুর জন্য কাজ করছে। সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমকিভাবে সৌদি সরকার ১৪ দিনের একটা প্যাকেজ চালু করবে। এ পাকেজের আওতায় ওমরা হজ পালনকারীরা সৌদিতে ১৪ দিন থাকার সুযোগ পাবেন। ওমরা পালনকারীরা সৌদি বিমান বন্দরে অবতরণের পর থকে সৌদির একটি এজেন্সি এসব ওমরাকারীদের মনিটরিং করবেন। ১৪ দিন শেষে তারাই আবার ওমরা হাজিদের বিমানে উঠিয়ে দেবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মানবপাচারের অভিযোগে ২০১৫ সালের ২২ মার্চ সৌদি সরকার বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ হজের সুযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে ওই বছরের ১০ আগস্ট দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১০৪টি হজ এজেন্সি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ এনে চিঠি দেয়। এ অভিযোগের ভিত্তিতে ও মানবপাচারের সত্যতা পাওয়ায় ধর্ম মন্ত্রণালয় ৯৫টি হজ এজেন্সিকে শাস্তি দেয়।

প্রকাশিত : সোমবার ৭ই নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৭:২৫:১২

হজযাত্রীদের হজযাত্রা সহজ, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় ই-হজ সিস্টেম চালু করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে গত ২০ মার্চ থেকে দেশে প্রথমবারের মতো অনলাইনে হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন শুরু হয়েছিল। সে সময়ে মোট ১ লাখ ৩৮ হাজার৭৮ জন প্রাক নিবন্ধন করেছিলেন। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করেছেন ৯৬ হাজার ৫৫৮ জন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করেছেন ৪হাজার ৮শ’ জন। এ বছর হজ ব্রত পালন করেছেন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৮ জন। এক্ষেত্রে হজ পালন করতে যেতে পারেননি ৩৬ হাজার ৭২০ জন। ধর্ম সচিব জানান, আগামী বছর যারা হজে যেতে আগ্রহী তাদের প্রাক নিবন্ধন করতে হবে। তবে আগামী বছর যারা হজে যাবেন তাদের জন্য আলাদা নিবন্ধন নম্বর চালু করা হবে। অথবা গত বছর প্রাক নিবন্ধনের শেষ নম্বরের পর থেকেই শুরু করা হবে। এতে করে গত বছর যারা প্রাক নিবন্ধন করেছেন তাদের সঙ্গে নতুনদের কোনো সমস্যা হবে না। বা কেউ বাদ পরারও সম্ভাবনা থাকবে না।

প্রকাশিত : বুধবার ২রা নভেম্বর ২০১৬ রাত ০৯:৪৫:২২

অনেক বয়স্ক হাজি রয়েছেন যারা হজ পালন শেষে কোনো আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করছেন। কিংবা চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখনো সৌদিস্থ দক্ষিণ প্রশিয়া বিষয়ক হজ ব্যবস্থাপনা সংস্থার কাছে রিপোর্ট করেনি বা অসুস্থতার কারণে আসতে পারেনি। আব্দুল জলিল ব্রেকিংনিউজকে বলেন, এ বছর হজ ব্রত পালন করতে সৌদি আরব গিয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৮ জন। সর্বশেষ তথ্যঅনুযায়ী হজ পালন শেষে দেশে ফিরে এসেছেন ৯৮ হাজার ৫শ জন। এসব হাজিদের তালিকা ধর্মমন্ত্রণালয় পেয়েছে সৌদি এয়ারলাইন্স এবং বাংলাদেশ বিমানের কাছ থেকে। এ হিসেবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ২ হাজার ৮৫৮ জন। এর মধ্য থেকে ২৮ জন বাদে বাকিরা দেশে এসেছেন থার্ড ক্যারিয়ার বা তৃতীয় কেনো বিমানে। যার হিসাব ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই।

প্রকাশিত : বুধবার ২রা নভেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৭:৩১

‘বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ করা হলেও এখনও পরিপূর্ণতা পায়নি। পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য যে জাতীয় আয়োজন, ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন ছিল তা এখনও হয়ে ওঠেনি। তবে নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায়ে এখন আর নির্বাহী বিভাগের কোনো কর্মকর্তা বিচারিক দায়িত্ব পালন করছেন না। এর ফলে বিচার ব্যবস্থায় নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ বন্ধ হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নির্ভরশীলতা থাকলেও বিচারকরা এখন সুপ্রিমকোর্টের নিয়ন্ত্রণে আসায় ভয়ভীতি ও প্রশাসনিক চাপের বাইরে গিয়ে নিরপেক্ষ ও স্বাধীনভাবে বিচারিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে স্বাধীন বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় সময়ের দাবি।’

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ১লা নভেম্বর ২০১৬ দুপুর ০১:১১:১২

সাধারণত হিমালয়ের উত্তরের দেশ সাইবেরিয়া, চীন, মঙ্গোলিয়া ও নেপালে এ সময়টায় প্রচুর তুষারপাত হয়। এ তুষারপাতে পাখিরা টিকতে না পেরে বাংলাদেশের মত নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে চলে আসে। তাই দূর-দূরান্ত থেকে আসা নাম না জানা এসব পাখিদেরকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত জাবি। কারণ তারা যে আমাদের অতিথি। শীত চলে গেলে তারাও চলে যাবে তাদের আপন ঠিকানায়। তাই এ অতিথিদেরকে স্বাগত জানাতে নতুন রূপে সেজেঁছে জাবির লেকগুলো। অসংখ্য রক্তিম ফুটন্ত লাল শাপলার সৌন্দর্যে মন মাতানো রূপ ধারণ করেছে জাবি ক্যাম্পাস। দূর থেকে তাকালেই প্রাণটা জুড়িয়ে যায়। যেকারো নজর কাড়বে এ দৃশ্য। শহরের ব্যস্তময় জীবনে যান্ত্রিকতার আওয়াজ আর দুলাবালি থেকে মুক্ত এ ক্যাম্পাসটিতে তাই প্রতিনিয়তই ভিড় জমছে অসংখ্য দর্শনার্থীর।

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ১লা নভেম্বর ২০১৬ সকাল ১১:১৯:৪৪

রামায়ণ অনুসারে দীপাবলি দিনে ত্রেতা যুগে শ্রী রাম রাবণ বধ করে চৌদ্দ বছরের বনবাস শেষে অযোধ্যায় প্রত্যাবর্তন করেন। শ্রী রামের চৌদ্দ বছর পরের প্রত্যাবর্তনে সারা রাজ্য জুড়ে প্রদীপ জ্বালানো হয়। প্রজারা খুশীতে শব্দ বাজি করে। অনেকে মনে করেন দীপাবলির আলোকসজ্জা এবং শব্দ বাজি ত্রেতাযুগে রাম-রাজ্যে ঘটে যাওয়া সেই অধ্যায়কে সামনে রেখেই অন্যসব অঞ্চলে প্রচলিত হয়েছে, পরিচিত হয়েছে, বিস্তৃত হয়েছে। দীপাবলি মূলত পাঁচদিন ব্যাপী উৎসব। দীপাবলির আগের দিনের চতুর্দশীকে (এই দিনকে দীপাবলি উৎসবের প্রথম দিন বলা হয়) বলা হয় ‘নরকা চতুর্দশী’; এই দিনে শ্রীকৃষ্ণ এবং তাঁর স্ত্রী সত্যভামা নরকাসুরকে বধ করেছিলেন। চতুর্দশী পরের অমাবস্যা তিথি দীপাবলি উৎসবের দ্বিতীয় দিন, কিন্তু এই দিনই মূল হিসেবে উদযাপিত হয়। এ

প্রকাশিত : বুধবার ২৬শে অক্টোবর ২০১৬ রাত ০৯:২৫:০১