জেলার ১০ থানায় গড় হিসেব বাবুগঞ্জ থানায়- পাঁটটি হত্যা, তিনটি নারী নির্যাতন, উজিরপুর থানায়- নারী নির্যাতন ১৮, দুইটি হত্যা, বাকেরগঞ্জ থানায়- নয়টি হত্যা, ১৯ টি নারী নির্যাতন, বানারীপাড়া থানায়- তিনটি হত্যা, ১৬টি নারী নির্যাতন, গৌরনদী থানায়- তিনটি হত্যা, ১৬টি নারী নির্যাতন, আগৈলঝাড়া থানায়- তিনটি হত্যা, ১০টি নারী নির্যাতন, মুলাদী থানায়- হত্যা আটটি, নারী নির্যাতন ১১টি, মেহেন্দিগঞ্জ থানায়- হত্যা দুইটি, ১৫টি নারী নির্যাতন, হিজলা থানায়- হত্যা একটি, নারী নির্যাতন ১২টি, কাজিরহাট থানায়- হত্যা একটি, নারী নির্যাতনের নয়টি মামলা করা হয়েছে।

প্রকাশিত : শুক্রবার ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৭:৩১

নদীমাতৃক বাংলার প্রাণ হলো নদী। এই নদী কেন্দ্রীক আবর্তিত হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। কিন্তু ড্রেজিং বা নদী খননের অভাবে মরে যাচ্ছে অনেক নদী এবং নৌ রুট বা পথের। এসব পথ সচল করার জন্য দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে ১২টি নৌ রুট খননের কাজ। ইতোমধ্যে অপসারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার টন পলি। যা মোট কাজের ৪৯ শতাংশ। আভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) প্রকল্প অফিস সূত্র জানায়, গুরৃত্বপূর্ণ ১২টি নৌ রুটের মধ্যে ইতোমধ্যে কাজ শেষ হয়েছে ৫টি (৩৪২ কিলেমিটার)নৌপথ খনন, চলমান রয়েছে ৫টি এবং সম্প্রতি কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে দুটি নৌ রুটের ড্রেজিং এর জন্য। ১২ রুটের ৬ কোটি ১৬ লাখ ২০ হাজার টন (প্রতি ঘন মিটার সমান ১ দশমকি ৯৫ টন হিসেবে) পলির মধ্যে অপসারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৪০ হাজার টন পলি। এখনো বাকি রয়েছে ৩ কোটি ১৯ লাখ ৮০ হাজার টন পলি। বাকি পলিও ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে অপসারণ করতে হবে।

প্রকাশিত : মঙ্গলবার ২৭শে ডিসেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৬:১৩:৫৪

পুরান ঢাকায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলা ও বাঙালির শত ঐতিহ্যের একটি হচ্ছে বিউটি বোর্ডিং। বিভিন্ন সাহিত্য, কবিতার আঁতুড়ঘর এবং বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র বা ইতিহাসের ভিত্তি ভূমি এই বিউটি বোর্ডিং। সমমনা লোকদের আড্ডার ইতিহাস ও বিউটি বোর্ডিং চল্লিশের দশক থেকেই সুখ্যাতি লাভ করেছিল। এমনকি লোমহর্ষোক ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সাথেও নিবির সম্পর্ক রয়েছে পুরান ঢাকায় এখনো টিকে থাকা এ বোর্ডিংয়ের। বাংলাবাজারের শ্রী দাস লেনে শ্যামল-সবুজে ঘেরা ফিকে হলুদ রঙের দোতলা বাড়িটিই এই বিউটি বোর্ডিং। একেবারে আড্ডার উপযোগী জায়গা। পাশে খাবার ঘর, শোবার ঘর, পেছনে সিঁড়িঘর সবই পুরনো বাড়ির রূপকথার গল্পের মতো সাজানো।

প্রকাশিত : রবিবার ২৫শে ডিসেম্বর ২০১৬ রাত ০৯:৩৯:৪৮

বাংলাদেশ মেরিন ফিসারিজ ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্প এর মাধ্যমে সামুদ্রিক প্রাণীর একটি জাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। প্রকল্প পরিচালকের নিজস্ব চিন্তাভাবনা থেকেই ২০১২ সালে সামুদ্রিক প্রাণী সংগ্রহ কাজ শুরু হলেও গত চার বছরে সংরক্ষিত হয়েছে মাত্র ১৬৯টি প্রজাতির প্রাণী। মৎস্য অধিদফতরের ১০ তলার বারান্দার শেষ মাথায় কাঁচের জারে (রাসায়নিক দ্রবণে ডুবানো) থরে থরে সাজানো রয়েছে এসব প্রাণী। বাংলাদেশ মেরিন ফিসারিজ ক্যাপাসিটি বিল্ডিং প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প পরিচালক এবিএম আনোয়ারুল ইসলাম ব্রেকিংনিউজকে জানান, এ প্রকল্পের আওতায় সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা এবং গভীর সমুদ্রে প্রাপ্ত প্রাণীদের একটি সংগ্রহশালা তৈরির চেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে ৪৭৫ প্রজাতির মধ্যে ১৬৯ প্রজাতির প্রাণী সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকিগুলোও সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

প্রকাশিত : বুধবার ২১শে ডিসেম্বর ২০১৬ সন্ধ্যা ০৬:১৯:২২